সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির সমাবেশে বাণিজ্যমন্ত্রী ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে বালুচর-ইকোপার্ক সড়ক সিলেটে আলোচনা সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী শাবিতে বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় সিসিক প্রশাসক শ্রমিক আন্দোলনের ছবি তুললেই হামলা, কারণ কী? ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, সবচেয়ে বেশি রোগী ঢাকা বিভাগে সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিকদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ সিলেটে আরও একজনের প্রাণ হানি পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রে প্তা রি পরোয়ানা

সিলেটের আদালতে সাংবাদিকদের ‍উপর আ সা মী র হামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫ ৭০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে সাদা পাথর লুটপাট মামলার অন্যতম আসামি ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আলফু মিয়া এবং তার ছেলে আদালত প্রাঙ্গণে সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট আদালত প্রাঙ্গণে এই ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, সেদিন সিনিয়র চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম আদালতে আলফু মিয়ার রিমান্ড শুনানি চলছিল। খবর সংগ্রহের জন্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন ইমজা নিউজের সাংবাদিক নয়ন সরকার এবং সাংবাদিক বৃত্তসহ কয়েকজন স্থানীয় সংবাদকর্মী।

সাক্ষীদের বরাতে জানা গেছে, শুনানি চলার সময় হাতকড়া পরা অবস্থায় আলফু মিয়া পুলিশের সামনেই সাংবাদিক নয়ন সরকারের হাতে থাকা মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। একইসঙ্গে তার ছেলে সাংবাদিক বৃত্তের ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে শারীরিকভাবে আঘাত করে। নয়নের সহকর্মীরা বাধা দিতে গেলে তাদের দিকেও হামলার চেষ্টা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তখনও নীরব থাকেন এবং কোনো ব্যবস্থা নেননি।

সাংবাদিক নয়ন সরকার বলেন, আমি নিয়মিতভাবে আদালত কাভার করছিলাম। হঠাৎ আলফু মিয়ার ছেলে আমার ওপর হামলা চালায়। এরপর হাতকড়া পরা অবস্থায় আলফু নিজেই আমার মোবাইলটি নিয়ে নেয়। ঘটনাটি পুলিশের সামনেই ঘটে।

ঘটনার পর নয়ন সরকার বিষয়টি সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানালে তারা তদন্তের আশ্বাস দেন।

ইমজা নিউজের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, আদালতের মতো নিরাপত্তাবেষ্টিত স্থানে সাংবাদিকের ওপর এমন হামলা চরম উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। তারা অবিলম্বে তদন্ত করে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, অপরাধী যেই হোক অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটের আদালতে সাংবাদিকদের ‍উপর আ সা মী র হামলা

আপডেট সময় : ১২:২১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে সাদা পাথর লুটপাট মামলার অন্যতম আসামি ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আলফু মিয়া এবং তার ছেলে আদালত প্রাঙ্গণে সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট আদালত প্রাঙ্গণে এই ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, সেদিন সিনিয়র চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম আদালতে আলফু মিয়ার রিমান্ড শুনানি চলছিল। খবর সংগ্রহের জন্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন ইমজা নিউজের সাংবাদিক নয়ন সরকার এবং সাংবাদিক বৃত্তসহ কয়েকজন স্থানীয় সংবাদকর্মী।

সাক্ষীদের বরাতে জানা গেছে, শুনানি চলার সময় হাতকড়া পরা অবস্থায় আলফু মিয়া পুলিশের সামনেই সাংবাদিক নয়ন সরকারের হাতে থাকা মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। একইসঙ্গে তার ছেলে সাংবাদিক বৃত্তের ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে শারীরিকভাবে আঘাত করে। নয়নের সহকর্মীরা বাধা দিতে গেলে তাদের দিকেও হামলার চেষ্টা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তখনও নীরব থাকেন এবং কোনো ব্যবস্থা নেননি।

সাংবাদিক নয়ন সরকার বলেন, আমি নিয়মিতভাবে আদালত কাভার করছিলাম। হঠাৎ আলফু মিয়ার ছেলে আমার ওপর হামলা চালায়। এরপর হাতকড়া পরা অবস্থায় আলফু নিজেই আমার মোবাইলটি নিয়ে নেয়। ঘটনাটি পুলিশের সামনেই ঘটে।

ঘটনার পর নয়ন সরকার বিষয়টি সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানালে তারা তদন্তের আশ্বাস দেন।

ইমজা নিউজের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, আদালতের মতো নিরাপত্তাবেষ্টিত স্থানে সাংবাদিকের ওপর এমন হামলা চরম উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। তারা অবিলম্বে তদন্ত করে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, অপরাধী যেই হোক অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।