১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে বালুচর-ইকোপার্ক সড়ক
- আপডেট সময় : ০১:১৪:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
২৪ ফুট প্রশস্ত সড়কের পাশাপাশি নির্মিত হয়েছে ১২ ফুট ফুটপাত: পরিদর্শন করলেন সিসিক প্রশাসক
স্টাফ রিপোর্টার :
সিলেট নগরীর বালুচর শাহমাদানী ঈদগাহ থেকে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে ইকোপার্ক পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি ২৪ ফুট প্রশস্ত করে টেকসই আরসিসি (RCC) ঢালাইয়ের মাধ্যমে নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া সড়কের উভয় পাশে পানি নিষ্কাশন স্বাভাবিক রাখতে ৬ ফুট করে মোট ১২ ফুট প্রশস্ত ড্রেন তৈরি করে তার ওপর স্ল্যাব বসিয়ে ফুটপাত নিশ্চিত করা হয়েছে। সড়ক, ড্রেন ও ফুটপাত নির্মাণে সব মিলিয়ে খরচ হচ্ছে প্রায় ১৮ কোটি টাকা।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে সড়ক ও ড্রেনের শেষ পর্যায়ের ঢালাই কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। পরিদর্শনকালে তিনি কাজের সার্বিক অগ্রগতি ঘুরে দেখেন এবং নির্মাণসামগ্রীর গুণগত মান তদারকি করেন।
পরিদর্শন শেষে সিসিক প্রশাসক বলেন, “বালুচর-ইকোপার্ক সড়কটি নগরীর যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ইকোপার্কসহ আশপাশের নানা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। জনসাধারণের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতেই সড়কটি ২৪ ফুট প্রশস্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে পানি নিষ্কাশনের বিষয়টিকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। বর্ষায় যেন কোনো জলাদ্ধতা তৈরি না হয়, সেজন্য সড়কের দুই পাশে মোট ১২ ফুট প্রশস্ত ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। এসব ড্রেনের ওপর বসানো স্ল্যাব একই সঙ্গে পথচারীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ফুটপাত হিসেবে ব্যবহৃত হবে।”
নগর উন্নয়ন পরিকল্পনার ওপর জোর দিয়ে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, সিলেট নগরীর সার্বিক যোগাযোগব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনে সিটি কর্পোরেশন ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও টেকসই সংস্কারকাজ পরিচালনা করছে। পরিকল্পিত সড়ক, কার্যকর ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক এবং নিরাপদ পথচারীবান্ধব ফুটপাত তৈরি করাই সিসিকের মূল লক্ষ্য।
পরিদর্শনকালে তিনি ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্টদের নির্মাণকাজের সর্বোচ্চ গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুততম সময়ে অবশিষ্ট কাজ সমাপ্ত করার কঠোর নির্দেশনা দেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী লিপু সিংহ, জনসংযোগ কর্মকর্তা (অ.দা.) নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থসহ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।

























