সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শ্রমিক আন্দোলনের ছবি তুললেই হামলা, কারণ কী? ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, সবচেয়ে বেশি রোগী ঢাকা বিভাগে সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিকদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ সিলেটে আরও একজনের প্রাণ হানি পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রে প্তা রি পরোয়ানা সিলেটে ৫ বছরে সব রাস্তা পাকাকরণের আশ্বাস – সিসিক প্রশাসক সিলেট জৈন্তাপুরে ৬৮ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার, আটক ৩ সিলেট ৪১ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসকনগরীর কোনো রাস্তা কাঁচা থাকবে না

সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

মিরপুরের দুঃস্বপ্ন পেছনে ফেলে সিলেটে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। যেখানে লক্ষ্য একটাই- হোয়াইটওয়াশ এড়ানো।

সবশেষ অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর থেকে আর কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ জিততে পারেনি বাংলাদেশ। টানা সাত ম্যাচে জয়হীন টাইগাররা। এর মধ্যে জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের বিপক্ষেও হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেই ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় স্বাগতিকরা।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায়।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্স বলেন, ‘ডারউইনের পর থেকে আমরা জিততে পারিনি। বিশেষ করে ব্যাটিং ভালো হয়নি। ডারউইনে আমরা নিজেদের সামর্থ্য, দৃঢ়তা ও ইতিবাচক মানসিকতার পরিচয় দিয়েছিলাম। এরপর যে সংস্করণগুলোতে খেলেছি, সেগুলোতে ব্যাটিং ভালো হয়নি। উইকেট দেখে ভালো মনে হচ্ছে। গত বছর কিংবা এ বছরের শুরুতে পাকিস্তানের বিপক্ষে এখানে যে উইকেটে খেলেছিলাম, সেটির মতোই মনে হচ্ছে। ভালো ক্রিকেট উইকেট হবে বলে আশা করছি।’

সিলেটের উইকেটে সাধারণত পেসাররা বাড়তি সুবিধা পান। তাই তাইজুল ইসলামকে বসিয়ে তিন পেসার নিয়ে নামার ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের। সিমন্সও লুকালেন না তাইজুলের ফর্ম নিয়ে শঙ্কার কথা।

এটা সত্যিই উদ্বেগের, কারণ তাইজুল এই দলের অন্যতম প্রধান অস্ত্র। তবে স্পিন আমাদের শক্তির বড় জায়গা। এই সিলেটে আগের ম্যাচেই দুই স্পিনার আমাদের ম্যাচ জিতিয়েছিল। স্পিনারদের ওপর এখনও আমাদের আস্থা আছে।

মিরপুরে বাংলাদেশের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছিল ক্যাচ মিসের মহড়া। ফিল্ডিংয়ের সেই ব্যর্থতা ভুলে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া টাইগার কোচ। 

আমাদের চেয়েও ভালো ফিল্ডিং দল অনেক সময় এক ম্যাচে একাধিক ক্যাচ ছাড়ে, তাই বলে তারা খারাপ দল হয়ে যায় না। প্রথম টেস্টে আমরা নিজেদের সেরাটা দিতে পারিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এত সুযোগ হাতছাড়া করা মানায় না। আশা করি সিলেটে এমন ভুল আর হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০২:৩৫:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

মিরপুরের দুঃস্বপ্ন পেছনে ফেলে সিলেটে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। যেখানে লক্ষ্য একটাই- হোয়াইটওয়াশ এড়ানো।

সবশেষ অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর থেকে আর কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ জিততে পারেনি বাংলাদেশ। টানা সাত ম্যাচে জয়হীন টাইগাররা। এর মধ্যে জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের বিপক্ষেও হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেই ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় স্বাগতিকরা।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায়।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্স বলেন, ‘ডারউইনের পর থেকে আমরা জিততে পারিনি। বিশেষ করে ব্যাটিং ভালো হয়নি। ডারউইনে আমরা নিজেদের সামর্থ্য, দৃঢ়তা ও ইতিবাচক মানসিকতার পরিচয় দিয়েছিলাম। এরপর যে সংস্করণগুলোতে খেলেছি, সেগুলোতে ব্যাটিং ভালো হয়নি। উইকেট দেখে ভালো মনে হচ্ছে। গত বছর কিংবা এ বছরের শুরুতে পাকিস্তানের বিপক্ষে এখানে যে উইকেটে খেলেছিলাম, সেটির মতোই মনে হচ্ছে। ভালো ক্রিকেট উইকেট হবে বলে আশা করছি।’

সিলেটের উইকেটে সাধারণত পেসাররা বাড়তি সুবিধা পান। তাই তাইজুল ইসলামকে বসিয়ে তিন পেসার নিয়ে নামার ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের। সিমন্সও লুকালেন না তাইজুলের ফর্ম নিয়ে শঙ্কার কথা।

এটা সত্যিই উদ্বেগের, কারণ তাইজুল এই দলের অন্যতম প্রধান অস্ত্র। তবে স্পিন আমাদের শক্তির বড় জায়গা। এই সিলেটে আগের ম্যাচেই দুই স্পিনার আমাদের ম্যাচ জিতিয়েছিল। স্পিনারদের ওপর এখনও আমাদের আস্থা আছে।

মিরপুরে বাংলাদেশের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছিল ক্যাচ মিসের মহড়া। ফিল্ডিংয়ের সেই ব্যর্থতা ভুলে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া টাইগার কোচ। 

আমাদের চেয়েও ভালো ফিল্ডিং দল অনেক সময় এক ম্যাচে একাধিক ক্যাচ ছাড়ে, তাই বলে তারা খারাপ দল হয়ে যায় না। প্রথম টেস্টে আমরা নিজেদের সেরাটা দিতে পারিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এত সুযোগ হাতছাড়া করা মানায় না। আশা করি সিলেটে এমন ভুল আর হবে না।