সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির সমাবেশে বাণিজ্যমন্ত্রী ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে বালুচর-ইকোপার্ক সড়ক সিলেটে আলোচনা সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী শাবিতে বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় সিসিক প্রশাসক শ্রমিক আন্দোলনের ছবি তুললেই হামলা, কারণ কী? ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, সবচেয়ে বেশি রোগী ঢাকা বিভাগে সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিকদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ সিলেটে আরও একজনের প্রাণ হানি পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রে প্তা রি পরোয়ানা

সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির সমাবেশে বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

জিয়াউর রহমানের আদর্শে ধ্বংসপ্রায় বাংলাদেশ পুনর্গঠন করতে হবে
১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ঐক্য ধরে রেখে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: সিসিক প্রশাসক

স্টাফ রিপোর্টার :

শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সততা, দেশপ্রেম ও স্বজনপ্রীতিমুক্ত নেতৃত্বের যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, তা অনুসরণ করেই বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করতে হবে। তাঁর নেতৃত্বে একটি ভগ্নপ্রায় দেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তাঁর সময়ে শিল্পকারখানায় নতুন বিনিয়োগ শুরু হয়। দুর্ভিক্ষের অভিশাপ পেছনে ফেলে অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে এগিয়ে যায় দেশ।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শনিবার বিকেলে সিলেট নগরীতে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত র‍্যালিপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সুযোগ ফিরে এসেছে। ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের দিন। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থানের পর যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশ আবারও অন্ধকারের দিকে ফিরে যেত। বাংলাদেশের মানুষ সেই অবস্থায় ফিরে যেতে চায়নি। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অভিন্ন প্রত্যাশা থেকেই সেদিন সশস্ত্র বাহিনীর দেশপ্রেমিক সদস্যরা শহীদ জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ৭ নভেম্বরের পর শহীদ জিয়াউর রহমান তাঁর অসাধারণ নেতৃত্বগুণ দিয়ে দেশকে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তাঁর শাসনামলে বাংলাদেশ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করে। জাতীয়তাবাদী নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি দেশের মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলেছিলেন। মুসলিম বিশ্বেও বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছিল।

মন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও নেতৃত্বের পথ অনুসরণ করে আজ তাঁর অনুসারীদের ওপর দেশ পুনর্গঠনের গুরুদায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। সততা, স্বজনপ্রীতিমুক্ত মানসিকতা, দেশপ্রেম ও দায়িত্বশীলতার যে মানদণ্ড তিনি স্থাপন করেছেন, তা ধারণ করতে হবে। এই আদর্শ সামনে রেখেই বাংলাদেশকে কাঙ্ক্ষিত উন্নতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন ধরনের অপতৎপরতা হতে পারে। কখনো মিছিল, কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, আবার কখনো বিভিন্ন ক্ষেত্রে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা হতে পারে। দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপি যেভাবে ঐক্য ধরে রেখে স্বৈরাচারের মোকাবিলা করেছে, আগামী দিনেও সেই ঐক্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কোনো অপশক্তিই যেন আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে না পারে।

রেজিস্ট্রারি মাঠে আয়োজিত সমাবেশে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেইনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিএনপির নেতাকর্মীরা আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেছেন। এসব সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে যে ঐক্য ও রাজনৈতিক চেতনা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখতে হবে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি এখন উন্নয়ন ও অগ্রগতির রাজনীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। দলের প্রতিটি পর্যায়ের নেতাকর্মীকে এই লক্ষ্য সামনে রেখে কাজ করতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে সরকার ও দেশকে এগিয়ে নেওয়াই এখন সবার প্রত্যাশা।

সমাবেশ পরিচালনা করেন সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী। আরও বক্তব্য দেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এমএ মালিক, সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী ও সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম।

সমাবেশ শেষে রেজিস্ট্রারি মাঠ থেকে একটি বিশাল র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

সমাবেশ ও র‍্যালিতে সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি মকসুদ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু, মহানগর যুবদলের সভাপতি মির্জা সম্রাট হোসেন, সাধারণ সম্পাদক দেলওয়ার হোসেন দিনার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল আহাদ খান জামাল, সদস্যসচিব শাকিল মুর্শেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাহবুবুল হক চৌধুরী, সদস্যসচিব আফসর খান, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জুবের আহমদ, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সদীপ জ্যোতি এষ ও সাধারণ সম্পাদক ফজলে আহসান রাব্বীসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির সমাবেশে বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:১৮:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

জিয়াউর রহমানের আদর্শে ধ্বংসপ্রায় বাংলাদেশ পুনর্গঠন করতে হবে
১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ঐক্য ধরে রেখে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: সিসিক প্রশাসক

স্টাফ রিপোর্টার :

শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সততা, দেশপ্রেম ও স্বজনপ্রীতিমুক্ত নেতৃত্বের যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, তা অনুসরণ করেই বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করতে হবে। তাঁর নেতৃত্বে একটি ভগ্নপ্রায় দেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তাঁর সময়ে শিল্পকারখানায় নতুন বিনিয়োগ শুরু হয়। দুর্ভিক্ষের অভিশাপ পেছনে ফেলে অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে এগিয়ে যায় দেশ।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শনিবার বিকেলে সিলেট নগরীতে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত র‍্যালিপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সুযোগ ফিরে এসেছে। ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের দিন। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থানের পর যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশ আবারও অন্ধকারের দিকে ফিরে যেত। বাংলাদেশের মানুষ সেই অবস্থায় ফিরে যেতে চায়নি। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অভিন্ন প্রত্যাশা থেকেই সেদিন সশস্ত্র বাহিনীর দেশপ্রেমিক সদস্যরা শহীদ জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ৭ নভেম্বরের পর শহীদ জিয়াউর রহমান তাঁর অসাধারণ নেতৃত্বগুণ দিয়ে দেশকে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তাঁর শাসনামলে বাংলাদেশ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করে। জাতীয়তাবাদী নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি দেশের মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলেছিলেন। মুসলিম বিশ্বেও বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছিল।

মন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও নেতৃত্বের পথ অনুসরণ করে আজ তাঁর অনুসারীদের ওপর দেশ পুনর্গঠনের গুরুদায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। সততা, স্বজনপ্রীতিমুক্ত মানসিকতা, দেশপ্রেম ও দায়িত্বশীলতার যে মানদণ্ড তিনি স্থাপন করেছেন, তা ধারণ করতে হবে। এই আদর্শ সামনে রেখেই বাংলাদেশকে কাঙ্ক্ষিত উন্নতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন ধরনের অপতৎপরতা হতে পারে। কখনো মিছিল, কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, আবার কখনো বিভিন্ন ক্ষেত্রে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা হতে পারে। দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপি যেভাবে ঐক্য ধরে রেখে স্বৈরাচারের মোকাবিলা করেছে, আগামী দিনেও সেই ঐক্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কোনো অপশক্তিই যেন আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে না পারে।

রেজিস্ট্রারি মাঠে আয়োজিত সমাবেশে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেইনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিএনপির নেতাকর্মীরা আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেছেন। এসব সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে যে ঐক্য ও রাজনৈতিক চেতনা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখতে হবে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি এখন উন্নয়ন ও অগ্রগতির রাজনীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। দলের প্রতিটি পর্যায়ের নেতাকর্মীকে এই লক্ষ্য সামনে রেখে কাজ করতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে সরকার ও দেশকে এগিয়ে নেওয়াই এখন সবার প্রত্যাশা।

সমাবেশ পরিচালনা করেন সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী। আরও বক্তব্য দেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এমএ মালিক, সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী ও সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম।

সমাবেশ শেষে রেজিস্ট্রারি মাঠ থেকে একটি বিশাল র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

সমাবেশ ও র‍্যালিতে সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি মকসুদ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু, মহানগর যুবদলের সভাপতি মির্জা সম্রাট হোসেন, সাধারণ সম্পাদক দেলওয়ার হোসেন দিনার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল আহাদ খান জামাল, সদস্যসচিব শাকিল মুর্শেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাহবুবুল হক চৌধুরী, সদস্যসচিব আফসর খান, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জুবের আহমদ, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সদীপ জ্যোতি এষ ও সাধারণ সম্পাদক ফজলে আহসান রাব্বীসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।