আইন কমিশনের সেমিনারে অংশ নিলেন এমইউ’র প্রফেসর আশরাফুর রহমান
- আপডেট সময় : ১১:৫৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :
‘ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তির মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীগণের আপিলের অধিকার এবং ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর প্রয়োজনীয় সংশোধনী’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা সিলেটের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ আইন কমিশন আয়োজনে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন আইন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি জিনাত আরা।
সেমিনারের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩১ ধারা সংশোধনের মাধ্যমে আপিলের অধিকারের পরিধি বিস্তৃত করা এবং ফৌজদারি কার্যবিধির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধারার যুগোপযোগী সংশোধনী। বিদ্যমান আইনানুযায়ী অনেক ক্ষেত্রে বিচারপ্রার্থী কিংবা দণ্ডিত ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার পরিবার বা উত্তরাধিকারীরা আইনি লড়াইয়ের সুযোগ পান না, ফলে তারা ন্যায়বিচার প্রাপ্তি এবং পারিবারিক মর্যাদা ও সুনাম পুনরুদ্ধারের অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। সার্বিকভাবে আপিলের অধিকারের এই সীমাবদ্ধতা দূর করে আইনটিকে কিভাবে আরও জনবান্ধব ও সুরক্ষামূলক করা যায়, সে বিষয়ে সেমিনারে আলোকপাত করা হয়। এছাড়াও ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় মামলা নিষ্পত্তির দীর্ঘসূত্রতা হ্রাস, সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়ার আধুনিকায়ন, জামিন সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন এবং বিচার প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে কার্যবিধির বিভিন্ন অনুচ্ছেদ ও ধারায় প্রয়োজনীয় সংস্কারের প্রস্তাবসমূহ বিশদ আলোচিত হয়।
উক্ত সেমিনারে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর শেখ আশরাফুর রহমান সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক নানাদিক তুলে ধরে আলচনায় অংশ নেন।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং চিপ মেট্রোপলিটন ও চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারকবৃন্দ। এছাড়াও সীমান্ত রক্ষী বাহিনী, সিলেট জেলার জেল ও কারা প্রশাসন, ও সিলেট জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ডিন ও বিভাগীয় প্রধানবৃন্দ, এবং বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে আইনি সংস্কারের পক্ষে তাঁদের মতামত ও গঠনমূলক সুপারিশ তুলে ধরেন।



















