সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে নিত্যপণ্যের দামে তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না – বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৫৯ সিলেটে ৩ ফার্মেসিতে অভিযান, অর্ধলক্ষ টাকা জরিমানা সিলেটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করতে চাই: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট ট্রিপল মার্ডার বাবুলকে ২ দিনের রিমান্ডে সিলেট নগর ভবনে জাসাস নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিলেট মদীনা মার্কেট এলাকা পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক সবার সহযোগিতায় উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়তে চাই ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজ জুন ২০২৯-এর মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য- সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী সিলেট কারাগার পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব – মনজুর মোর্শেদ স্ব স্ব ধর্ম পালনে কোনো বাধা নেই,, এটাই বাংলাদেশ- কয়েস লোদী

মার্কিন আধিপত্যের অবসান,বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬ ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

প্রায় এক দশক ধরে চলে আসা যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটারের খেতাব ছিনিয়ে নিয়েছে একটি চীনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কম্পিউটার। নিজস্ব প্রযুক্তিতে উন্নত কম্পিউটিং সক্ষমতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বেইজিংয়ের যে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা, এই অর্জন তারই একটি বড় প্রমাণ।

জার্মানির হামবুর্গে অনুষ্ঠিত অন্যতম বৃহৎ কম্পিউটিং সম্মেলন ‘আইএসসি’-তে বহুল প্রতীক্ষিত ‘টপ৫০০’ তালিকার সর্বশেষ সংস্করণে ‘লাইনশাইন’ নামক এই সুপারকম্পিউটারটি শীর্ষস্থান দখল করেছে। 

২০১৭ সালের পর এই প্রথম কোনো চীনা সুপারকম্পিউটার এই তালিকার শীর্ষে এলো। ১৯৯৩ সাল থেকে বছরে দুইবার প্রকাশিত এই তালিকাটিকে বিশ্বজুড়ে কম্পিউটিং পরাশক্তিদের শক্তির একটি অনানুষ্ঠানিক স্কোরবোর্ড বা মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

শীর্ষস্থান দখলের লড়াইয়ে ‘লাইনশাইন’ মার্কিন জ্বালানি বিভাগের পূর্ববর্তী বিশ্বচ্যাম্পিয়ন সুপারকম্পিউটার এল ক্যাপিটান-কে দ্বিতীয় স্থানে ঠেলে দিয়েছে। 

চীনের শেনঝেন শহরে স্থাপিত এই কম্পিউটারটি প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ২.২ ‘এক্সাফ্লপ্স’ গতিতে গণনা বা হিসাব-নিকাশ করতে সক্ষম। এই অর্জনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—‘লাইনশাইন’ সম্পূর্ণভাবে চীনের নিজস্ব নকশায় তৈরি প্রসেসর দিয়ে নির্মিত হয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় সুপারকম্পিউটারগুলো সচরাচর যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি চিপের ওপর নির্ভর করলেও চীন এখানে কোনো মার্কিন চিপ ব্যবহার করেনি।

অবশ্য এই তালিকায় এখনো শীর্ষ চারটির মধ্যে তিনটি স্থানই ধরে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। ক্যালিফোর্নিয়ার ‘লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি’তে স্থাপিত ‘এল ক্যাপিটান’ রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। অন্যদিকে, ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে জার্মানির ‘জুপিটার বুস্টার’ শীর্ষ পাঁচের একদম শেষ স্থানটি দখলে রেখেছে। 

সূত্র: দ্য ডন 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মার্কিন আধিপত্যের অবসান,বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে

আপডেট সময় : ০২:২৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

প্রায় এক দশক ধরে চলে আসা যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটারের খেতাব ছিনিয়ে নিয়েছে একটি চীনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কম্পিউটার। নিজস্ব প্রযুক্তিতে উন্নত কম্পিউটিং সক্ষমতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বেইজিংয়ের যে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা, এই অর্জন তারই একটি বড় প্রমাণ।

জার্মানির হামবুর্গে অনুষ্ঠিত অন্যতম বৃহৎ কম্পিউটিং সম্মেলন ‘আইএসসি’-তে বহুল প্রতীক্ষিত ‘টপ৫০০’ তালিকার সর্বশেষ সংস্করণে ‘লাইনশাইন’ নামক এই সুপারকম্পিউটারটি শীর্ষস্থান দখল করেছে। 

২০১৭ সালের পর এই প্রথম কোনো চীনা সুপারকম্পিউটার এই তালিকার শীর্ষে এলো। ১৯৯৩ সাল থেকে বছরে দুইবার প্রকাশিত এই তালিকাটিকে বিশ্বজুড়ে কম্পিউটিং পরাশক্তিদের শক্তির একটি অনানুষ্ঠানিক স্কোরবোর্ড বা মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

শীর্ষস্থান দখলের লড়াইয়ে ‘লাইনশাইন’ মার্কিন জ্বালানি বিভাগের পূর্ববর্তী বিশ্বচ্যাম্পিয়ন সুপারকম্পিউটার এল ক্যাপিটান-কে দ্বিতীয় স্থানে ঠেলে দিয়েছে। 

চীনের শেনঝেন শহরে স্থাপিত এই কম্পিউটারটি প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ২.২ ‘এক্সাফ্লপ্স’ গতিতে গণনা বা হিসাব-নিকাশ করতে সক্ষম। এই অর্জনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—‘লাইনশাইন’ সম্পূর্ণভাবে চীনের নিজস্ব নকশায় তৈরি প্রসেসর দিয়ে নির্মিত হয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় সুপারকম্পিউটারগুলো সচরাচর যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি চিপের ওপর নির্ভর করলেও চীন এখানে কোনো মার্কিন চিপ ব্যবহার করেনি।

অবশ্য এই তালিকায় এখনো শীর্ষ চারটির মধ্যে তিনটি স্থানই ধরে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। ক্যালিফোর্নিয়ার ‘লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি’তে স্থাপিত ‘এল ক্যাপিটান’ রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। অন্যদিকে, ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে জার্মানির ‘জুপিটার বুস্টার’ শীর্ষ পাঁচের একদম শেষ স্থানটি দখলে রেখেছে। 

সূত্র: দ্য ডন