সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট মহানগরে চার স্তরের নিরাপত্তা, সদর উপজেলায় ১৩০ মণ্ডপে ৮৩৪ আনসার সদস্য মোতায়েন ফেঞ্চুগঞ্জে হাকালুকিতে অভিযান, ৫ লাখ টাকার জাল জব্দ সিলেট সিটিতে কাউন্সিলর নেই, নাগরিক সেবায় ভোগান্তিতে নগরবাসী সিলেটে পুলিশের অভিযানে আটক ৩০০,মুক্ত ১৭০,১৩০ জনের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা সিলেটে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু সিলেট সোতোকান কারাতে সেমিনারে সিসিক প্রশাসক উৎসব মুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব নিশ্চিতে কাজ করবে সিলেট আনসার ও ভিডিপি সিলেট ঝরনারপাড়ে উৎপাদক নলকূপ স্থাপনকাজ উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক সিলেট সর্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক আলোচনা সভা ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসকধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের ঐতিহ্য ও শক্তির জায়গাসিলেটের ধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে সব ধর্মের মানুষ এখানে শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন। এই সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য অটুট রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।সর্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষেআলোচনা সভা ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসকধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের ঐতিহ্য ও শক্তির জায়গাসিলেটের ধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে সব ধর্মের মানুষ এখানে শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন। এই সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য অটুট রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

আল-আকসার ইসলামি পরিচয় মুছে ফেলার পাঁয়তারা করছে ইসরাইল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩২:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬ ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

আল-আকসা মসজিদের ওপর জর্ডানের দীর্ঘদিনের অভিভাবকত্ব বাতিলের পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে এমন একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে, যার মাধ্যমে জর্ডান-সমর্থিত ইসলামি ওয়াকফের কর্তৃত্ব সরিয়ে দেওয়া হতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-আকসা মসজিদের বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামোর পরিবর্তে ইসরাইল সরকারের অধীনে নতুন একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করা হতে পারে। এই প্রতিষ্ঠান আল-আকসাকে ‘বহুধর্মীয় কেন্দ্র’ হিসেবে ঘোষণা করবে। সেখানে ইহুদিদের ‘সমান প্রবেশাধিকার’ দেওয়ার কথাও বলা হচ্ছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইমাম ও ধর্মীয় কর্মকর্তাদের নিয়োগেও ইসরাইলের ভূমিকা থাকবে। এমনকি জুমার খুতবার বিষয়বস্তুর ওপরও ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ব্যবস্থা রাখা হতে পারে।

সমালোচকদের মতে, এটি শুধু প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়। বরং জেরুজালেমের ইসলামি পরিচয় দুর্বল করার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়ার অংশ। তাদের দাবি, আল-আকসাকে ইসলামি পবিত্র স্থান থেকে ধীরে ধীরে একটি পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা চলছে।

ইসরাইলি পর্যবেক্ষক সংস্থা ইর আমিমের ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-আকসা প্রাঙ্গণে ইহুদি প্রবেশের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এসব প্রবেশের সময় ইসরাইলি পুলিশ নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। গবেষক আভিভ তাতারস্কি বলেন, ‘ইহুদি ধর্মীয় সম্পর্কের আড়ালে ইসরাইল ধীরে ধীরে পবিত্র এই স্থানের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে।’

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অতীতে শুক্রবারের নামাজে লাখো মুসল্লি অংশ নিলেও বর্তমানে ইসরাইলি বিধিনিষেধের কারণে সেই সংখ্যা অনেক কমে গেছে। এ বছরই ৬০০-র বেশি ফিলিস্তিনিকে আল-আকসায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ওয়াকফের ৩০ জন কর্মীর প্রবেশ অনুমতিও বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ছয়জন ইমামকে খুতবা দেওয়া থেকে বিরত রাখা হয়েছে।

আল-আকসার জ্যেষ্ঠ ইমাম ইকরিমা সাবরি এসব পদক্ষেপকে ‘অভূতপূর্ব কর্মকাণ্ড’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, এগুলোর উদ্দেশ্য হলো আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা।

গত মাসে ইসরাইলি মন্ত্রী ও পার্লামেন্ট সদস্যদের আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। একজন ইসরাইলি আইনপ্রণেতা প্রকাশ্যে আল-আকসা ভেঙে সেখানে একটি ইহুদি মন্দির নির্মাণের আহ্বান জানান। একই সময়ে পুরোনো জেরুজালেমের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ চেইন গেটের আশপাশে ফিলিস্তিনিদের সম্পত্তি অধিগ্রহণের কার্যক্রমও এগিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আল-আকসা শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়। এটি মুসলিম বিশ্বের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই এর প্রশাসনিক ও ধর্মীয় অবস্থান পরিবর্তনের যেকোনো উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে নতুন উত্তেজনার কারণ হতে পারে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, আল-আকসা ঘিরে চলমান ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও গভীর মনোযোগ দাবি করে। তাদের মতে, নীরবতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আলোচনা সভা ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসকধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের ঐতিহ্য ও শক্তির জায়গাসিলেটের ধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে সব ধর্মের মানুষ এখানে শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন। এই সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য অটুট রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।সর্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষেআলোচনা সভা ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসকধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের ঐতিহ্য ও শক্তির জায়গাসিলেটের ধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে সব ধর্মের মানুষ এখানে শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন। এই সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য অটুট রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

আল-আকসার ইসলামি পরিচয় মুছে ফেলার পাঁয়তারা করছে ইসরাইল

আপডেট সময় : ১০:৩২:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

আল-আকসা মসজিদের ওপর জর্ডানের দীর্ঘদিনের অভিভাবকত্ব বাতিলের পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে এমন একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে, যার মাধ্যমে জর্ডান-সমর্থিত ইসলামি ওয়াকফের কর্তৃত্ব সরিয়ে দেওয়া হতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-আকসা মসজিদের বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামোর পরিবর্তে ইসরাইল সরকারের অধীনে নতুন একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করা হতে পারে। এই প্রতিষ্ঠান আল-আকসাকে ‘বহুধর্মীয় কেন্দ্র’ হিসেবে ঘোষণা করবে। সেখানে ইহুদিদের ‘সমান প্রবেশাধিকার’ দেওয়ার কথাও বলা হচ্ছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইমাম ও ধর্মীয় কর্মকর্তাদের নিয়োগেও ইসরাইলের ভূমিকা থাকবে। এমনকি জুমার খুতবার বিষয়বস্তুর ওপরও ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ব্যবস্থা রাখা হতে পারে।

সমালোচকদের মতে, এটি শুধু প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়। বরং জেরুজালেমের ইসলামি পরিচয় দুর্বল করার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়ার অংশ। তাদের দাবি, আল-আকসাকে ইসলামি পবিত্র স্থান থেকে ধীরে ধীরে একটি পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা চলছে।

ইসরাইলি পর্যবেক্ষক সংস্থা ইর আমিমের ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-আকসা প্রাঙ্গণে ইহুদি প্রবেশের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এসব প্রবেশের সময় ইসরাইলি পুলিশ নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। গবেষক আভিভ তাতারস্কি বলেন, ‘ইহুদি ধর্মীয় সম্পর্কের আড়ালে ইসরাইল ধীরে ধীরে পবিত্র এই স্থানের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে।’

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অতীতে শুক্রবারের নামাজে লাখো মুসল্লি অংশ নিলেও বর্তমানে ইসরাইলি বিধিনিষেধের কারণে সেই সংখ্যা অনেক কমে গেছে। এ বছরই ৬০০-র বেশি ফিলিস্তিনিকে আল-আকসায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ওয়াকফের ৩০ জন কর্মীর প্রবেশ অনুমতিও বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ছয়জন ইমামকে খুতবা দেওয়া থেকে বিরত রাখা হয়েছে।

আল-আকসার জ্যেষ্ঠ ইমাম ইকরিমা সাবরি এসব পদক্ষেপকে ‘অভূতপূর্ব কর্মকাণ্ড’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, এগুলোর উদ্দেশ্য হলো আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা।

গত মাসে ইসরাইলি মন্ত্রী ও পার্লামেন্ট সদস্যদের আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। একজন ইসরাইলি আইনপ্রণেতা প্রকাশ্যে আল-আকসা ভেঙে সেখানে একটি ইহুদি মন্দির নির্মাণের আহ্বান জানান। একই সময়ে পুরোনো জেরুজালেমের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ চেইন গেটের আশপাশে ফিলিস্তিনিদের সম্পত্তি অধিগ্রহণের কার্যক্রমও এগিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আল-আকসা শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়। এটি মুসলিম বিশ্বের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই এর প্রশাসনিক ও ধর্মীয় অবস্থান পরিবর্তনের যেকোনো উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে নতুন উত্তেজনার কারণ হতে পারে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, আল-আকসা ঘিরে চলমান ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও গভীর মনোযোগ দাবি করে। তাদের মতে, নীরবতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।