সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষে শাহপরান (রহ.)মাজারের প্রস্তুতি পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক সিলেট জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত শাহজালাল (রহ.) মাজারে প্রস্তুতি, মঙ্গলবার সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি সচেতনতামূলক র‌্যালি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের কমিটি নের্তৃবৃন্দকে ব্যবসায়ীদের মিষ্টিমূখ সিলেটে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫১ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ রাষ্ট্রপতিকে সিলেট সফর ও নাগরিক সংবর্ধনার প্রস্তুতি জানালেন সিসিক প্রশাসক সিলেট ১ শিশুর মৃত্যু, প্রায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৬০ সিলেটে (এসএমপি) বিশেষ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া ৫২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষায় অন্যের হয়ে অংশগ্রহণ, যুবকের কারাদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৯:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫ ৩৭২ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

অন্যের হয়ে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে আটক হয়েছেন প্রনব চন্দ্র দেব নামের এক যুবক। শুক্রবার (২০ জুন) হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রারিক পদে পরীক্ষা দিতে শহরের একটি কেন্দ্র থেকে আটক হন তিনি।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়। দণ্ডাদেশের পর তাকে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জানা যায়, প্রনব চন্দ্র দেব বানিয়াচং উপজেলার যাত্রাপাশা মহল্লার বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে লাখাই উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে অফিস সহকারী পদে কর্মরত রয়েছেন। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রারিক পদে নিয়োগের জন্য সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

এতে ১ হাজার ৯১৫ জন প্রার্থী আবেদন করেন। শুক্রবার পরীক্ষার দিন ‘আশীষ দেব’ নামের এক পরীক্ষার্থীর হয়ে পরীক্ষা দিতে আসেন প্রনব। পরীক্ষা কক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার প্রকৃত পরিচয় উদঘাটন হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ উল্যা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে কারাদণ্ড দেন। ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ উল্যা বলেন, একজন সরকারি কর্মচারী হয়েও তিনি পরীক্ষায় অন্যের হয়ে অংশ নিয়ে চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন।

দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে আমরা কঠোর নজরদারিতে রয়েছি। কেউ অনিয়ম করলে ছাড় নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষায় অন্যের হয়ে অংশগ্রহণ, যুবকের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৪:৪৯:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

অন্যের হয়ে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে আটক হয়েছেন প্রনব চন্দ্র দেব নামের এক যুবক। শুক্রবার (২০ জুন) হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রারিক পদে পরীক্ষা দিতে শহরের একটি কেন্দ্র থেকে আটক হন তিনি।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়। দণ্ডাদেশের পর তাকে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জানা যায়, প্রনব চন্দ্র দেব বানিয়াচং উপজেলার যাত্রাপাশা মহল্লার বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে লাখাই উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে অফিস সহকারী পদে কর্মরত রয়েছেন। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রারিক পদে নিয়োগের জন্য সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

এতে ১ হাজার ৯১৫ জন প্রার্থী আবেদন করেন। শুক্রবার পরীক্ষার দিন ‘আশীষ দেব’ নামের এক পরীক্ষার্থীর হয়ে পরীক্ষা দিতে আসেন প্রনব। পরীক্ষা কক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার প্রকৃত পরিচয় উদঘাটন হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ উল্যা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে কারাদণ্ড দেন। ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ উল্যা বলেন, একজন সরকারি কর্মচারী হয়েও তিনি পরীক্ষায় অন্যের হয়ে অংশ নিয়ে চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন।

দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে আমরা কঠোর নজরদারিতে রয়েছি। কেউ অনিয়ম করলে ছাড় নেই।