সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দলের সাক্ষাৎ সিলেট নগরীতে সড়ক ও জনপথ সব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পর্যায়ক্রমে এ গ্রেডে উন্নীত করা হবে- এমপি মুক্তাদির জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা মহোৎসবের আলোচনা সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে- ডা. শফিকুর রহমান সিলেটে বেসরকারি হাসপাতাল ও একটি হোটেলকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা সিলেটের সেফওয়ে সিলগালা, স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোক সতর্কবার্তা সিলেট র‌্যাবের অভিযানে পুলিশের টিয়ারগ্যাস গ্রেনেড উদ্ধার চীন রেললাইনকে ডুয়েলগেজ রেললাইনে রূপান্তর প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ সিলেট মহানগরীর বাদামবাগিচা এলাকা পরিদর্শনে (সিসিক)কাইয়ুম চৌধুরী সিলেটে নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ সারোয়ার

হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২০:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬ ৯৯ বার পড়া হয়েছে

মাধবপুর প্রতিনিধি :

মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার চারটি চা বাগানের শ্রমিকরা বকেয়া মজুরি, মাসিক বেতন, ভবিষ্যৎ তহবিল (পিএফ), চিকিৎসা সুবিধা ও আবাসন সংকটসহ বিভিন্ন দাবিতে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

গতকাল রবিবার সকালে দেউন্দি কোম্পানির অধীন নোয়াপাড়া, লালচান, দেউন্দি ও মৌলভীবাজারের মিরতিঙ্গা চা বাগানের শ্রমিকদের পক্ষে নোয়াপাড়া চা বাগান শ্রমিক সভাপতি কমেড নায়েক এ স্মারকলিপি জমা দেন। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে চারটি চা বাগানের শ্রমিকরা নিয়মিত মজুরি ও বিভিন্ন পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। গত (২৬ মে) শ্রমিক প্রতিনিধি, বাগান কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক ত্রিপীয় সভায় দেউন্দি কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওয়াহিদুল হক শ্রমিকদের বকেয়া পাওনার অর্ধেক ২৭ মে ও ১ জুনের মধ্যে পরিশোধের ঘোষণা দেন। এছাড়া ২ জুন ও ৪ জুন দুই সপ্তাহের মজুরি পরিশোধ করা হলেও চলতি সপ্তাহের মজুরি এখনও দেওয়া হয়নি।

শ্রমিকদের অভিযোগ, ৪৫ মাসের ভবিষ্যৎ তহবিলের (পিএফ) টাকা, এরিয়ার বিল, আবাসন মেরামত ও চিকিৎসা সুবিধার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। ফলে শ্রমিক পরিবারগুলো চরম মানবিক সংকটে দিন কাটাচ্ছে। তারা বাগানগুলোর দায়িত্ব সরকারের অধীনে নেওয়ারও দাবি জানান।
নোয়াপাড়া চা বাগান শ্রমিক সভাপতি কমেড নায়েক বলেন, “বকেয়া মজুরি ও পাওনা না পেয়ে শ্রমিকরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বারবার আশ্বাস পেলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।

এ বিষয়ে দেউন্দি কোম্পানির এক কর্মকর্তা বলেন, “চা শ্রমিকরাই বাগানের মূল প্রাণশক্তি। তবে গত পাঁচ-ছয় বছর ধরে কোম্পানির চারটি বাগান ধারাবাহিকভাবে লোকসানের মুখে রয়েছে। চায়ের বাজারমূল্য কম, উৎপাদন ব্যয় বেশি এবং ব্যাংক ঋণ সুবিধা না পাওয়ায় আর্থিক সংকট তৈরি হয়েছে। ফলে কিছু পাওনা বকেয়া রয়েছে। আমরা অর্থের সংস্থান করে ধাপে ধাপে সব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ বিন কাসেম বলেন, “শ্রমিকদের দেওয়া স্মারকলিপির বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। বাগান মালিকপ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে চলমান সমস্যার সমাধানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি

আপডেট সময় : ০৫:২০:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

মাধবপুর প্রতিনিধি :

মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার চারটি চা বাগানের শ্রমিকরা বকেয়া মজুরি, মাসিক বেতন, ভবিষ্যৎ তহবিল (পিএফ), চিকিৎসা সুবিধা ও আবাসন সংকটসহ বিভিন্ন দাবিতে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

গতকাল রবিবার সকালে দেউন্দি কোম্পানির অধীন নোয়াপাড়া, লালচান, দেউন্দি ও মৌলভীবাজারের মিরতিঙ্গা চা বাগানের শ্রমিকদের পক্ষে নোয়াপাড়া চা বাগান শ্রমিক সভাপতি কমেড নায়েক এ স্মারকলিপি জমা দেন। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে চারটি চা বাগানের শ্রমিকরা নিয়মিত মজুরি ও বিভিন্ন পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। গত (২৬ মে) শ্রমিক প্রতিনিধি, বাগান কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক ত্রিপীয় সভায় দেউন্দি কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওয়াহিদুল হক শ্রমিকদের বকেয়া পাওনার অর্ধেক ২৭ মে ও ১ জুনের মধ্যে পরিশোধের ঘোষণা দেন। এছাড়া ২ জুন ও ৪ জুন দুই সপ্তাহের মজুরি পরিশোধ করা হলেও চলতি সপ্তাহের মজুরি এখনও দেওয়া হয়নি।

শ্রমিকদের অভিযোগ, ৪৫ মাসের ভবিষ্যৎ তহবিলের (পিএফ) টাকা, এরিয়ার বিল, আবাসন মেরামত ও চিকিৎসা সুবিধার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। ফলে শ্রমিক পরিবারগুলো চরম মানবিক সংকটে দিন কাটাচ্ছে। তারা বাগানগুলোর দায়িত্ব সরকারের অধীনে নেওয়ারও দাবি জানান।
নোয়াপাড়া চা বাগান শ্রমিক সভাপতি কমেড নায়েক বলেন, “বকেয়া মজুরি ও পাওনা না পেয়ে শ্রমিকরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বারবার আশ্বাস পেলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।

এ বিষয়ে দেউন্দি কোম্পানির এক কর্মকর্তা বলেন, “চা শ্রমিকরাই বাগানের মূল প্রাণশক্তি। তবে গত পাঁচ-ছয় বছর ধরে কোম্পানির চারটি বাগান ধারাবাহিকভাবে লোকসানের মুখে রয়েছে। চায়ের বাজারমূল্য কম, উৎপাদন ব্যয় বেশি এবং ব্যাংক ঋণ সুবিধা না পাওয়ায় আর্থিক সংকট তৈরি হয়েছে। ফলে কিছু পাওনা বকেয়া রয়েছে। আমরা অর্থের সংস্থান করে ধাপে ধাপে সব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ বিন কাসেম বলেন, “শ্রমিকদের দেওয়া স্মারকলিপির বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। বাগান মালিকপ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে চলমান সমস্যার সমাধানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।