সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি হবিগঞ্জ বাহুবল-রাজাপুর সড়ক সংস্কারে অনিয়ম সিলেট হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু সিলেট পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ১৭১ সিলেট চোরাই পণ্য বালুর ট্রাক ও প্রাইভেট কারসহ আটক ১ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৪

ওসিকে ফোনে গালাগাল: বাহুবল উপজেলা বিএনপি সভাপতি তুষার আটক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৩:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৭৮ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম-কে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার অভিযোগে বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস চৌধুরী তুষার-কে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ ডিবির ওসি শামীম ইকবাল।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে বাহুবল থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর ও অশালীন ভাষায় কথা বলতে শোনা যায়। অডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে বিভিন্ন মহলে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি তদন্তে নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মখলিছুর রহমানের সঙ্গে ফোনালাপের এক পর্যায়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি উত্তেজিত হয়ে ওসিকে নিয়ে কটূক্তি করেন-এমন একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “উপজেলা বিএনপির সভাপতির একটি কল আমি ধরতে পারিনি। পরে তিনি অন্য একটি ফোন থেকে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং বলেন, বাহুবলে ওসির দায়িত্ব পালন করতে হলে তাকে জিজ্ঞেস করে করতে হবে।”

অন্যদিকে, আটক হওয়ার আগে ফেসবুক লাইভে ফেরদৌস চৌধুরী তুষার অভিযোগ করেন, তিনি সরাসরি কল দিয়ে এমন বক্তব্য দিয়েছেন-এমন প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে আরও দাবি করেন, বর্তমান ওসির বিরুদ্ধে অবৈধ ব্যবসা, মাদক ও জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে এবং প্রশাসন চাইলে এসব বিষয়ে তদন্ত করতে পারে।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ওসিকে ফোনে গালাগাল: বাহুবল উপজেলা বিএনপি সভাপতি তুষার আটক

আপডেট সময় : ১১:৩৩:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম-কে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার অভিযোগে বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস চৌধুরী তুষার-কে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ ডিবির ওসি শামীম ইকবাল।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে বাহুবল থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর ও অশালীন ভাষায় কথা বলতে শোনা যায়। অডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে বিভিন্ন মহলে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি তদন্তে নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মখলিছুর রহমানের সঙ্গে ফোনালাপের এক পর্যায়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি উত্তেজিত হয়ে ওসিকে নিয়ে কটূক্তি করেন-এমন একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “উপজেলা বিএনপির সভাপতির একটি কল আমি ধরতে পারিনি। পরে তিনি অন্য একটি ফোন থেকে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং বলেন, বাহুবলে ওসির দায়িত্ব পালন করতে হলে তাকে জিজ্ঞেস করে করতে হবে।”

অন্যদিকে, আটক হওয়ার আগে ফেসবুক লাইভে ফেরদৌস চৌধুরী তুষার অভিযোগ করেন, তিনি সরাসরি কল দিয়ে এমন বক্তব্য দিয়েছেন-এমন প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে আরও দাবি করেন, বর্তমান ওসির বিরুদ্ধে অবৈধ ব্যবসা, মাদক ও জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে এবং প্রশাসন চাইলে এসব বিষয়ে তদন্ত করতে পারে।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।