সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শ্রমিক আন্দোলনের ছবি তুললেই হামলা, কারণ কী? ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, সবচেয়ে বেশি রোগী ঢাকা বিভাগে সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিকদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ সিলেটে আরও একজনের প্রাণ হানি পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রে প্তা রি পরোয়ানা সিলেটে ৫ বছরে সব রাস্তা পাকাকরণের আশ্বাস – সিসিক প্রশাসক সিলেট জৈন্তাপুরে ৬৮ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার, আটক ৩ সিলেট ৪১ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসকনগরীর কোনো রাস্তা কাঁচা থাকবে না

ওসিকে ফোনে গালাগাল: বাহুবল উপজেলা বিএনপি সভাপতি তুষার আটক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৩:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৮৭ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম-কে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার অভিযোগে বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস চৌধুরী তুষার-কে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ ডিবির ওসি শামীম ইকবাল।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে বাহুবল থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর ও অশালীন ভাষায় কথা বলতে শোনা যায়। অডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে বিভিন্ন মহলে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি তদন্তে নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মখলিছুর রহমানের সঙ্গে ফোনালাপের এক পর্যায়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি উত্তেজিত হয়ে ওসিকে নিয়ে কটূক্তি করেন-এমন একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “উপজেলা বিএনপির সভাপতির একটি কল আমি ধরতে পারিনি। পরে তিনি অন্য একটি ফোন থেকে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং বলেন, বাহুবলে ওসির দায়িত্ব পালন করতে হলে তাকে জিজ্ঞেস করে করতে হবে।”

অন্যদিকে, আটক হওয়ার আগে ফেসবুক লাইভে ফেরদৌস চৌধুরী তুষার অভিযোগ করেন, তিনি সরাসরি কল দিয়ে এমন বক্তব্য দিয়েছেন-এমন প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে আরও দাবি করেন, বর্তমান ওসির বিরুদ্ধে অবৈধ ব্যবসা, মাদক ও জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে এবং প্রশাসন চাইলে এসব বিষয়ে তদন্ত করতে পারে।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ওসিকে ফোনে গালাগাল: বাহুবল উপজেলা বিএনপি সভাপতি তুষার আটক

আপডেট সময় : ১১:৩৩:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম-কে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার অভিযোগে বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস চৌধুরী তুষার-কে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ ডিবির ওসি শামীম ইকবাল।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে বাহুবল থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর ও অশালীন ভাষায় কথা বলতে শোনা যায়। অডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে বিভিন্ন মহলে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি তদন্তে নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মখলিছুর রহমানের সঙ্গে ফোনালাপের এক পর্যায়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি উত্তেজিত হয়ে ওসিকে নিয়ে কটূক্তি করেন-এমন একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “উপজেলা বিএনপির সভাপতির একটি কল আমি ধরতে পারিনি। পরে তিনি অন্য একটি ফোন থেকে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং বলেন, বাহুবলে ওসির দায়িত্ব পালন করতে হলে তাকে জিজ্ঞেস করে করতে হবে।”

অন্যদিকে, আটক হওয়ার আগে ফেসবুক লাইভে ফেরদৌস চৌধুরী তুষার অভিযোগ করেন, তিনি সরাসরি কল দিয়ে এমন বক্তব্য দিয়েছেন-এমন প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে আরও দাবি করেন, বর্তমান ওসির বিরুদ্ধে অবৈধ ব্যবসা, মাদক ও জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে এবং প্রশাসন চাইলে এসব বিষয়ে তদন্ত করতে পারে।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।