সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষে শাহপরান (রহ.)মাজারের প্রস্তুতি পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক সিলেট জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত শাহজালাল (রহ.) মাজারে প্রস্তুতি, মঙ্গলবার সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি সচেতনতামূলক র‌্যালি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের কমিটি নের্তৃবৃন্দকে ব্যবসায়ীদের মিষ্টিমূখ সিলেটে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫১ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ রাষ্ট্রপতিকে সিলেট সফর ও নাগরিক সংবর্ধনার প্রস্তুতি জানালেন সিসিক প্রশাসক সিলেট ১ শিশুর মৃত্যু, প্রায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৬০ সিলেটে (এসএমপি) বিশেষ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া ৫২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন

হবিগঞ্জ বাহুবলের তিন রত্ন এবার মেডিকেলে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ২১৬ বার পড়া হয়েছে

বাহুবল প্রতিনিধি :

বাহুবলের তিন রত্ন ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিকেলে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জন করেছে।

গতকাল রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিকালে প্রকাশিত ফলাফলে ৬৬.৫৭ শতাংশ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। এবার পরীক্ষায় অংশ নেয়া এক লাখ ২০ হাজার ৪৪০ জনের মধ্যে পাস করেছেন ৮১ হাজার ৬৪২ জন। এ বছর ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ প্রাপ্ত নম্বর ৯১.২৫। গত ১২ ডিসেম্বর (শুক্রবার) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী বাহুবল উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা তিন কৃতি শিক্ষার্থী এবারের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জন করেছে।

তার মধ্যে এম. মাহমুদুল হাসান শান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ৮১.২৫, সে সম্বিলিত মেধাতালিকায় ৯৯৩তম স্থান অধিকার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য মনোনিত হয়েছে। তার পিতার মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং মা রোকেয়া খাতুন একজন গৃহিনী। তার বাড়ি অত্র উপজেলার লামাতাসী ইউনিয়নের কাজীহাটা গ্রামে। সে জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসিতে জিপিএ ৫ ও মুরারী চাদ কলেজ (এমসি কলেজ) থেকে এইচএসসি-তে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়।

সাবিকুন্নাহার অর্পি এবার এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ৮০.০০। সে সম্বিলিত মেধাতালিকায় ১৪২৯তম স্থান অধিকার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য মনোনিত হয়েছে। তার পিতা হুমায়ূন কবির দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার বাহুবল প্রতিনিধি এবং মিরপুর বাজারের হক ফার্মেসীর স্বত্বাধিকারী এবং মা মনোয়ারা বেগম স্বপ্না একজন গৃহিনী। তার বাড়ি অত্র উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের কালুটোলা গ্রামে। সে মিরপুর সানশাইন মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসিতে জিপিএ ৫ ও সিলেট মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি-তে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়।

মোহাম্মদ রায়হান এবার এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ৭৯.৭৫। সে সম্বিলিত মেধাতালিকায় ১৫১৬তম স্থান অধিকার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য মনোনিত হয়েছে। তার পিতা মোঃ ফুল মিয়া প্রবাসী এবং মা আলেয়া সুলতানা একজন গৃহিনী। তার বাড়ি অত্র উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের পূর্ব জয়পুর গ্রামে। সে মিরপুর সানশাইন মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসিতে জিপিএ ৫ ও ঢাকাস্থ নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি-তে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হবিগঞ্জ বাহুবলের তিন রত্ন এবার মেডিকেলে

আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

বাহুবল প্রতিনিধি :

বাহুবলের তিন রত্ন ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিকেলে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জন করেছে।

গতকাল রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিকালে প্রকাশিত ফলাফলে ৬৬.৫৭ শতাংশ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। এবার পরীক্ষায় অংশ নেয়া এক লাখ ২০ হাজার ৪৪০ জনের মধ্যে পাস করেছেন ৮১ হাজার ৬৪২ জন। এ বছর ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ প্রাপ্ত নম্বর ৯১.২৫। গত ১২ ডিসেম্বর (শুক্রবার) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী বাহুবল উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা তিন কৃতি শিক্ষার্থী এবারের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জন করেছে।

তার মধ্যে এম. মাহমুদুল হাসান শান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ৮১.২৫, সে সম্বিলিত মেধাতালিকায় ৯৯৩তম স্থান অধিকার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য মনোনিত হয়েছে। তার পিতার মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং মা রোকেয়া খাতুন একজন গৃহিনী। তার বাড়ি অত্র উপজেলার লামাতাসী ইউনিয়নের কাজীহাটা গ্রামে। সে জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসিতে জিপিএ ৫ ও মুরারী চাদ কলেজ (এমসি কলেজ) থেকে এইচএসসি-তে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়।

সাবিকুন্নাহার অর্পি এবার এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ৮০.০০। সে সম্বিলিত মেধাতালিকায় ১৪২৯তম স্থান অধিকার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য মনোনিত হয়েছে। তার পিতা হুমায়ূন কবির দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার বাহুবল প্রতিনিধি এবং মিরপুর বাজারের হক ফার্মেসীর স্বত্বাধিকারী এবং মা মনোয়ারা বেগম স্বপ্না একজন গৃহিনী। তার বাড়ি অত্র উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের কালুটোলা গ্রামে। সে মিরপুর সানশাইন মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসিতে জিপিএ ৫ ও সিলেট মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি-তে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়।

মোহাম্মদ রায়হান এবার এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ৭৯.৭৫। সে সম্বিলিত মেধাতালিকায় ১৫১৬তম স্থান অধিকার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য মনোনিত হয়েছে। তার পিতা মোঃ ফুল মিয়া প্রবাসী এবং মা আলেয়া সুলতানা একজন গৃহিনী। তার বাড়ি অত্র উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের পূর্ব জয়পুর গ্রামে। সে মিরপুর সানশাইন মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসিতে জিপিএ ৫ ও ঢাকাস্থ নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি-তে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়।