সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষে শাহপরান (রহ.)মাজারের প্রস্তুতি পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক সিলেট জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত শাহজালাল (রহ.) মাজারে প্রস্তুতি, মঙ্গলবার সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি সচেতনতামূলক র‌্যালি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের কমিটি নের্তৃবৃন্দকে ব্যবসায়ীদের মিষ্টিমূখ সিলেটে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫১ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ রাষ্ট্রপতিকে সিলেট সফর ও নাগরিক সংবর্ধনার প্রস্তুতি জানালেন সিসিক প্রশাসক সিলেট ১ শিশুর মৃত্যু, প্রায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৬০ সিলেটে (এসএমপি) বিশেষ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া ৫২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন

হবীগঞ্জ নবীগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনে “বাস্তুভিটাহীন” দুটি পরিবারকে ঘর বানিয়ে দিলো সেনাবাহিনী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫ ৯৮ বার পড়া হয়েছে

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি :

এটিএম সালাম, নবীগঞ্জ থেকে ॥ নবীগঞ্জে সেনাবাহিনীর একটি মানবিক কর্মকান্ডে হাসি ফুটেছে দুটি পরিবারের মুখে। কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনে “বাস্তুভিটাহীন” দুটি পরিবার পেয়েছে মাথা গুজার টাই।

অসহায় দুটি পরিবার নতুন ঘর পেয়ে অনেক খুশি। সেনাবাহিনীর মানবিক সেবা নিয়ে এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছে। গতকাল সোমবার (২৮ জুলাই) দুপুরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাদের নির্মিত ঘর দুটি “বাস্তুভিটাহীন” দুটি পরিবারকে হস্তান্তর করেন।

এতে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সেনাকর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় দুটি পরিবারকে ঘরের চাবি ও ঘরের বাকি সংস্কারের জন্য নগদ কিছু টাকা প্রদান করেন নবীগঞ্জ ও বানিয়াচং সেনা ক্যাম্পের দায়িত্ব প্রাপ্ত ইনচার্জ মেজর আশরাফুল ইসলাম তামিম। যে দুটি পরিবারকে ঘর প্রদান করা হয়।

তারা হলেন বন্যায় বাস্তুভিটাহীন পরিবার দীঘলবাক ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামের অর্জুন বিস্বাস (৪৮) এর পরিবারে ৩ মেয়ে ১ ছেলে মোট ৬ জন। ও একই গ্রামের আব্দুর রহিম (৪২) এর ছেলে ১ মেয়েসহ মোট সদস্য ৫জন। এই দুটি পরিবারকে সোমবার সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নতুন নির্মিত ঘর দুটি বুঝিয়ে দেয়া হয়। এ সময় স্থানীয় মেম্বার আকুল মিয়া সহ গ্রামের বিশিষ্ট গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, কিছু দিন আগে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ কুশিয়ারার ডাইকের পাশে গালিম পুর গ্রামের নদী ভাঙ্গনে কয়েকটি অসহায় গরীব পরিবার ভিটা বাড়িহীন হয়ে পড়ে। সেনাবাহিনীর বিশেষ টহল টিম কুশিয়ারা ডাইক পরিদর্শনে গেলে এই দুটি পরিবারের চিত্র চোখে ধরা পড়ে। ফলে তাদেরকে নতুন বাড়ি ও ঘর করে দিলেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হবীগঞ্জ নবীগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনে “বাস্তুভিটাহীন” দুটি পরিবারকে ঘর বানিয়ে দিলো সেনাবাহিনী

আপডেট সময় : ০৩:১২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি :

এটিএম সালাম, নবীগঞ্জ থেকে ॥ নবীগঞ্জে সেনাবাহিনীর একটি মানবিক কর্মকান্ডে হাসি ফুটেছে দুটি পরিবারের মুখে। কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনে “বাস্তুভিটাহীন” দুটি পরিবার পেয়েছে মাথা গুজার টাই।

অসহায় দুটি পরিবার নতুন ঘর পেয়ে অনেক খুশি। সেনাবাহিনীর মানবিক সেবা নিয়ে এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছে। গতকাল সোমবার (২৮ জুলাই) দুপুরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাদের নির্মিত ঘর দুটি “বাস্তুভিটাহীন” দুটি পরিবারকে হস্তান্তর করেন।

এতে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সেনাকর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় দুটি পরিবারকে ঘরের চাবি ও ঘরের বাকি সংস্কারের জন্য নগদ কিছু টাকা প্রদান করেন নবীগঞ্জ ও বানিয়াচং সেনা ক্যাম্পের দায়িত্ব প্রাপ্ত ইনচার্জ মেজর আশরাফুল ইসলাম তামিম। যে দুটি পরিবারকে ঘর প্রদান করা হয়।

তারা হলেন বন্যায় বাস্তুভিটাহীন পরিবার দীঘলবাক ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামের অর্জুন বিস্বাস (৪৮) এর পরিবারে ৩ মেয়ে ১ ছেলে মোট ৬ জন। ও একই গ্রামের আব্দুর রহিম (৪২) এর ছেলে ১ মেয়েসহ মোট সদস্য ৫জন। এই দুটি পরিবারকে সোমবার সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নতুন নির্মিত ঘর দুটি বুঝিয়ে দেয়া হয়। এ সময় স্থানীয় মেম্বার আকুল মিয়া সহ গ্রামের বিশিষ্ট গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, কিছু দিন আগে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ কুশিয়ারার ডাইকের পাশে গালিম পুর গ্রামের নদী ভাঙ্গনে কয়েকটি অসহায় গরীব পরিবার ভিটা বাড়িহীন হয়ে পড়ে। সেনাবাহিনীর বিশেষ টহল টিম কুশিয়ারা ডাইক পরিদর্শনে গেলে এই দুটি পরিবারের চিত্র চোখে ধরা পড়ে। ফলে তাদেরকে নতুন বাড়ি ও ঘর করে দিলেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা।