সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শ্রমিক আন্দোলনের ছবি তুললেই হামলা, কারণ কী? ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, সবচেয়ে বেশি রোগী ঢাকা বিভাগে সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিকদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ সিলেটে আরও একজনের প্রাণ হানি পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রে প্তা রি পরোয়ানা সিলেটে ৫ বছরে সব রাস্তা পাকাকরণের আশ্বাস – সিসিক প্রশাসক সিলেট জৈন্তাপুরে ৬৮ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার, আটক ৩ সিলেট ৪১ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসকনগরীর কোনো রাস্তা কাঁচা থাকবে না

মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ফার্মাসিস্ট নেই ৩০ বছর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫ ১১৪ বার পড়া হয়েছে

মাধবপুর প্রতিনিধি :

১৯৯৬ সালে সেই সময়ে কর্মরত ফার্সাসিস্ট মরতুজ আলীর মৃত্যুর পর আজ পর্যন্ত এই পদে কাউকে পদায়ন করেনি কর্তৃপক্ষ।পাশাপাশি এ কেন্দ্রে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা,আয়া এবং এমএলএসএস পদগুলোও বছরের পর বছর ধরে শুন্য থাকায় কার্যক্রমে একধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়ন  স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে ৩০ বছর ধরে ফার্মাসিস্টের পদটি শুন্য থাকায় প্রতিদিন এখানে স্বাস্থ্য সেবা নিতে আসা কর্তব্যরত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে।

উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মরত তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র জানিয়েছে, প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ রোগী এখানে চিকিৎসা সেবা পাওয়ার আশায় আসেন।

রোগীদের প্রতি যথেষ্ট আন্তরিক ও সহমর্মি হওয়ার পরেও উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার  জাহিদুল ইসলামের পক্ষে সবাইকে সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে।রোগী দেখা আবার ডিসপেনসারিতে গিয়ে রোগীকে প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ দেওয়ার কাজটিও তাকেই করতে হয়।ফলে সময় নষ্ট হয়।সবাইকে প্রয়োজনীয় ট্রিটমেন্ট করা তার জন্য কঠিন হয়ে যায়।

২০২১ সাল থেকে এখানে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা ও আয়ার পদটি শুন্য।বর্তমানে নোয়াপাড়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভিজিটর শিখা রানী বনিক সপ্তাহে একদিন প্রতি মঙ্গলবার ছাতিয়াইনে এসে দায়িত্ব পালন করেন।এসব কারনে কাজকর্মে সমন্বয়হীনতা ও স্থবিরতা বিরাজ করছে বলে জানায় সূত্রটি।জানা যায় ২০১৯ সালে এ কেন্দ্রে কর্মরত এমএলএসএসএস আব্দুল কাইয়ুম সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন।এরপর থেকে এ পদটিও শুন্য।

উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার জাহিদুল ইসলাম জানান, ‘অনেক কষ্টে সবকিছু ম্যানেজ করতে হচ্ছে।আমাকে আবার সপ্তাহে একদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও দায়িত্ব পালন করতে হয়।তবু রোগীদের সর্বোচ্চ সাপোর্ট দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

যোগাযোগ করা হলে হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডাঃ রত্নদ্বীপ বিশ্বাস জানান, ‘এসব বিষয়ে আমরা সচেতন রয়েছি।শুন্যপদ পূরনের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে রিকুইজিশন দেওয়া আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ফার্মাসিস্ট নেই ৩০ বছর

আপডেট সময় : ০২:১৭:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

মাধবপুর প্রতিনিধি :

১৯৯৬ সালে সেই সময়ে কর্মরত ফার্সাসিস্ট মরতুজ আলীর মৃত্যুর পর আজ পর্যন্ত এই পদে কাউকে পদায়ন করেনি কর্তৃপক্ষ।পাশাপাশি এ কেন্দ্রে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা,আয়া এবং এমএলএসএস পদগুলোও বছরের পর বছর ধরে শুন্য থাকায় কার্যক্রমে একধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়ন  স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে ৩০ বছর ধরে ফার্মাসিস্টের পদটি শুন্য থাকায় প্রতিদিন এখানে স্বাস্থ্য সেবা নিতে আসা কর্তব্যরত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে।

উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মরত তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র জানিয়েছে, প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ রোগী এখানে চিকিৎসা সেবা পাওয়ার আশায় আসেন।

রোগীদের প্রতি যথেষ্ট আন্তরিক ও সহমর্মি হওয়ার পরেও উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার  জাহিদুল ইসলামের পক্ষে সবাইকে সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে।রোগী দেখা আবার ডিসপেনসারিতে গিয়ে রোগীকে প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ দেওয়ার কাজটিও তাকেই করতে হয়।ফলে সময় নষ্ট হয়।সবাইকে প্রয়োজনীয় ট্রিটমেন্ট করা তার জন্য কঠিন হয়ে যায়।

২০২১ সাল থেকে এখানে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা ও আয়ার পদটি শুন্য।বর্তমানে নোয়াপাড়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভিজিটর শিখা রানী বনিক সপ্তাহে একদিন প্রতি মঙ্গলবার ছাতিয়াইনে এসে দায়িত্ব পালন করেন।এসব কারনে কাজকর্মে সমন্বয়হীনতা ও স্থবিরতা বিরাজ করছে বলে জানায় সূত্রটি।জানা যায় ২০১৯ সালে এ কেন্দ্রে কর্মরত এমএলএসএসএস আব্দুল কাইয়ুম সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন।এরপর থেকে এ পদটিও শুন্য।

উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার জাহিদুল ইসলাম জানান, ‘অনেক কষ্টে সবকিছু ম্যানেজ করতে হচ্ছে।আমাকে আবার সপ্তাহে একদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও দায়িত্ব পালন করতে হয়।তবু রোগীদের সর্বোচ্চ সাপোর্ট দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

যোগাযোগ করা হলে হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডাঃ রত্নদ্বীপ বিশ্বাস জানান, ‘এসব বিষয়ে আমরা সচেতন রয়েছি।শুন্যপদ পূরনের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে রিকুইজিশন দেওয়া আছে।