মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ফার্মাসিস্ট নেই ৩০ বছর
- আপডেট সময় : ০২:১৭:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫ ৮৫ বার পড়া হয়েছে
মাধবপুর প্রতিনিধি :
১৯৯৬ সালে সেই সময়ে কর্মরত ফার্সাসিস্ট মরতুজ আলীর মৃত্যুর পর আজ পর্যন্ত এই পদে কাউকে পদায়ন করেনি কর্তৃপক্ষ।পাশাপাশি এ কেন্দ্রে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা,আয়া এবং এমএলএসএস পদগুলোও বছরের পর বছর ধরে শুন্য থাকায় কার্যক্রমে একধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে ৩০ বছর ধরে ফার্মাসিস্টের পদটি শুন্য থাকায় প্রতিদিন এখানে স্বাস্থ্য সেবা নিতে আসা কর্তব্যরত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে।
উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মরত তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র জানিয়েছে, প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ রোগী এখানে চিকিৎসা সেবা পাওয়ার আশায় আসেন।
রোগীদের প্রতি যথেষ্ট আন্তরিক ও সহমর্মি হওয়ার পরেও উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার জাহিদুল ইসলামের পক্ষে সবাইকে সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে।রোগী দেখা আবার ডিসপেনসারিতে গিয়ে রোগীকে প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ দেওয়ার কাজটিও তাকেই করতে হয়।ফলে সময় নষ্ট হয়।সবাইকে প্রয়োজনীয় ট্রিটমেন্ট করা তার জন্য কঠিন হয়ে যায়।
২০২১ সাল থেকে এখানে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা ও আয়ার পদটি শুন্য।বর্তমানে নোয়াপাড়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভিজিটর শিখা রানী বনিক সপ্তাহে একদিন প্রতি মঙ্গলবার ছাতিয়াইনে এসে দায়িত্ব পালন করেন।এসব কারনে কাজকর্মে সমন্বয়হীনতা ও স্থবিরতা বিরাজ করছে বলে জানায় সূত্রটি।জানা যায় ২০১৯ সালে এ কেন্দ্রে কর্মরত এমএলএসএসএস আব্দুল কাইয়ুম সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন।এরপর থেকে এ পদটিও শুন্য।
উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার জাহিদুল ইসলাম জানান, ‘অনেক কষ্টে সবকিছু ম্যানেজ করতে হচ্ছে।আমাকে আবার সপ্তাহে একদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও দায়িত্ব পালন করতে হয়।তবু রোগীদের সর্বোচ্চ সাপোর্ট দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
যোগাযোগ করা হলে হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডাঃ রত্নদ্বীপ বিশ্বাস জানান, ‘এসব বিষয়ে আমরা সচেতন রয়েছি।শুন্যপদ পূরনের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে রিকুইজিশন দেওয়া আছে।

























