সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান নাতি-নাতনিদের সঙ্গ বাড়াতে পারে আয়ু, মানতে হবে যেসব শর্ত শনিবার থেকে সব বাসে জিপিএস বাধ্যতামূলক ইউপি নির্বাচনে এসএসসি-এইচএসসি সনদ বাধ্যতামূলক হয়েছে কিনা, যা জানা গেল এমএসএফের প্রতিবেদন জুলাইয়ে বেড়েছে ধর্ষণ ও আত্মহত্যা সিলেটে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ ফোরামের আলোচনা সভা সম্পন্ন ‘ইউথহাব সিলেট’র উদ্যোগে অসহায়দের মধ্যে খাবার বিতরণ এসপিএসের তৃতীয় জাতীয় আলোকচিত্র প্রদর্শনী সিলেট-সুনামগঞ্জ-মোহনগঞ্জ রেলপথ বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের আত্ম প্রকাশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন ‘‌জাতীয় অতিথি ও প্রশাসনের অংশগ্রহণে রথযাত্রা মহামিলনমেলায় পরিণত’ সরকারে ৫ মাসেই তারেক রহমান, দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়েছেন- সিলেটে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী

প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে স্কাউটের অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ হবিগঞ্জের প্রাপ্তি’র

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৭:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫ ৩২০ বার পড়া হয়েছে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশ স্কাউটস এর দেশব্যাপী আয়োজিত কাব কার্নিভালের উদ্বোধন করেছেন।

একইসঙ্গে তিনি বিজয়ী স্কাউট সদস্যদের হাতে শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড তুলে দিয়েছেন।

সোমবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হলে বাংলাদেশ স্কাউটস এর কাব কার্নিভালের উদ্বোধন ও শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড বিতরণ করেন।

এবার অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তদের মধ্যে ছিলো হবিগঞ্জের বাহুবলের মেয়ে প্রাপ্তি ভদ্র শারা।

বাবা সুদীপ ভদ্র ও স্কুল শিক্ষিকা মা রিপা দত্তের মেয়ে প্রাপ্তি বাহুবলের দীননাথ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, এটি সারাবিশ্বের স্কাউটস এর জন্য বিশেষ গৌরবের। স্কাউট সদস্যরা দেশ ও দেশের মানুষের জন্য আত্মাহুতি দিয়েছে। নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টির জন্যে তাদের এই আত্মাহুতি। বিশ্ব স্কাউটসের ইতিহাসে এ নজির আর নেই।

নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূস ১৯৫৫ সালে কানাডায় গ্লোবাল স্কাউটস জাম্বুরিতে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা ও স্মৃতি তুলে ধরে বলেন, ‘শৈশব ও কিশোর বয়সে স্কাউটস আমার আদর্শিক পোশাকে পরিণত হয়েছিল। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে এই যাত্রা আমার শুরু। তা আর থামেনি। স্কাউটিংয়ের সুবাদে কানাডা, ইউরোপসহ পৃথিবীর বহু দেশ দেখার সুযোগ হয়েছে।অন্য দেশের মানুষ সম্পর্কে জেনেছি।’

বর্তমান স্কাউটিং কর্মসূচিতে বিশ্বভ্রমণের সুযোগ রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বর্তমান স্কাউটিংয়ে পৃথিবীকে দেখার, অন্য দেশের মানুষকে চেনার এবং তাদের ভাষা জানার সুযোগ রাখতে হবে। বিশ্ব নাগরিকের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার সুযোগ যেন থাকে। এর মাধ্যমে একজন কিশোর নিজেকে আবিষ্কার করতে পারবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

কিশোর বয়সে দুনিয়াকে দেখা এবং ভিন দেশের মানুষ সম্পর্কে জানা প্রতিটি মানুষের জীবনে অতি মূল্যবান বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্কাউট সদস্যদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘স্কাউটিং তোমার জীবনে একটা বড় দরজা খুলে দিয়েছে। এখন তোমার দায়িত্ব হলো অন্যের জন্য দরজা খুলে দেওয়া। অন্যের দরজা তোমাকে খুলতে হবে, যেহেতু তুমি অনেক দূর এগিয়ে এসেছো তাই এই দায়িত্ব তোমাকে নিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ স্কাউটস এর এডহক কমিটির আহ্বায়ক মো. এহছানুল হক এবং সদস্য সচিব মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বক্তব্য রাখেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে স্কাউটের অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ হবিগঞ্জের প্রাপ্তি’র

আপডেট সময় : ০২:২৭:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশ স্কাউটস এর দেশব্যাপী আয়োজিত কাব কার্নিভালের উদ্বোধন করেছেন।

একইসঙ্গে তিনি বিজয়ী স্কাউট সদস্যদের হাতে শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড তুলে দিয়েছেন।

সোমবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হলে বাংলাদেশ স্কাউটস এর কাব কার্নিভালের উদ্বোধন ও শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড বিতরণ করেন।

এবার অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তদের মধ্যে ছিলো হবিগঞ্জের বাহুবলের মেয়ে প্রাপ্তি ভদ্র শারা।

বাবা সুদীপ ভদ্র ও স্কুল শিক্ষিকা মা রিপা দত্তের মেয়ে প্রাপ্তি বাহুবলের দীননাথ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, এটি সারাবিশ্বের স্কাউটস এর জন্য বিশেষ গৌরবের। স্কাউট সদস্যরা দেশ ও দেশের মানুষের জন্য আত্মাহুতি দিয়েছে। নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টির জন্যে তাদের এই আত্মাহুতি। বিশ্ব স্কাউটসের ইতিহাসে এ নজির আর নেই।

নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূস ১৯৫৫ সালে কানাডায় গ্লোবাল স্কাউটস জাম্বুরিতে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা ও স্মৃতি তুলে ধরে বলেন, ‘শৈশব ও কিশোর বয়সে স্কাউটস আমার আদর্শিক পোশাকে পরিণত হয়েছিল। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে এই যাত্রা আমার শুরু। তা আর থামেনি। স্কাউটিংয়ের সুবাদে কানাডা, ইউরোপসহ পৃথিবীর বহু দেশ দেখার সুযোগ হয়েছে।অন্য দেশের মানুষ সম্পর্কে জেনেছি।’

বর্তমান স্কাউটিং কর্মসূচিতে বিশ্বভ্রমণের সুযোগ রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বর্তমান স্কাউটিংয়ে পৃথিবীকে দেখার, অন্য দেশের মানুষকে চেনার এবং তাদের ভাষা জানার সুযোগ রাখতে হবে। বিশ্ব নাগরিকের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার সুযোগ যেন থাকে। এর মাধ্যমে একজন কিশোর নিজেকে আবিষ্কার করতে পারবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

কিশোর বয়সে দুনিয়াকে দেখা এবং ভিন দেশের মানুষ সম্পর্কে জানা প্রতিটি মানুষের জীবনে অতি মূল্যবান বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্কাউট সদস্যদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘স্কাউটিং তোমার জীবনে একটা বড় দরজা খুলে দিয়েছে। এখন তোমার দায়িত্ব হলো অন্যের জন্য দরজা খুলে দেওয়া। অন্যের দরজা তোমাকে খুলতে হবে, যেহেতু তুমি অনেক দূর এগিয়ে এসেছো তাই এই দায়িত্ব তোমাকে নিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ স্কাউটস এর এডহক কমিটির আহ্বায়ক মো. এহছানুল হক এবং সদস্য সচিব মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বক্তব্য রাখেন।