সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষে শাহপরান (রহ.)মাজারের প্রস্তুতি পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক সিলেট জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত শাহজালাল (রহ.) মাজারে প্রস্তুতি, মঙ্গলবার সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি সচেতনতামূলক র‌্যালি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের কমিটি নের্তৃবৃন্দকে ব্যবসায়ীদের মিষ্টিমূখ সিলেটে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫১ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ রাষ্ট্রপতিকে সিলেট সফর ও নাগরিক সংবর্ধনার প্রস্তুতি জানালেন সিসিক প্রশাসক সিলেট ১ শিশুর মৃত্যু, প্রায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৬০ সিলেটে (এসএমপি) বিশেষ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া ৫২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন

বিভিন্ন ফুড কারখানাগুলোতে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের অভিযান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫ ১১৪ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন ফুড কারখানাগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার বিকালে হবিগঞ্জের ইতিহাসে প্রথমবার অভিযান পরিচালনা করেন বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ কামরুল হাসান।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দেশের চলমান খাদ্যের ভেজাল নির্মূলে বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে প্রথমে আনোয়ারপুর বাইপাস রোডস্থ এলাকায় জয়দীপ মিষ্টান্ন ভান্ডারের কারখানায় অভিযান করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে আনোয়ারপুর বাইপাস এলাকার জয়দীপ মিষ্টান্ন ভান্ডারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি ও জিলাপী উৎপাদন, মিষ্টি ও জিলাপী উপকরণ লেবেল বিহীন সংরক্ষণ করা হয়। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর ৩২ ক, ৩৩ ধারা লংঘন করায় উক্ত আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করে প্রসিকিউশন রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

পরবর্তীতে মেসার্স বিসমিল্লাহ ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরি, কামড়াপুর বাইপাস রোডস্থ বেলাল আহমেদের কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানেও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিস্কুট ও পাউরুটি উৎপাদন, বিস্কুট ও উপকরণ লেবেল বিহীন সংরক্ষণ করা হয়। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর ৩২ ক, ৩৩ ও ৩৬ ধারা লংঘন করায় উক্ত আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করে প্রসিকিউশন রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। তারপর চৌধুরী বাজার পুলিশ ফাঁড়ি রোডস্থ মেসার্স শাহজালাল ওয়েল মিল, চৌধুরী বাজারস্থ মেসার্স বিসমিল্লাহ এন্টার প্রাইজ (পাইকারী ফল বিক্রেতা), হবিগঞ্জ শহরের ঐতিহ্যবাহী মেসার্স আদি গোপাল আদি গোপাল মিষ্টান্ন ভান্ডারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই তিন প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সহ সার্বিক দিক পর্যাবেক্ষণ করে যে বিষয়টি সামান্য ত্রুটি বিচ্যুতি পরিলতি হয় সেই বিষয়ে উপস্থিত মালিকপকে সতর্ক করা হয়। মেসার্স আদি গোপাল মিষ্টান্ন ভান্ডারের বিএসটিআই এর সার্টিফিকেট নবায়ন না থাকায় সেই বিষয়ে আগামী সাত কার্য দিবসের মধ্যে নবায়ন করে লিখিতভাবে আদালতকে অবহিত করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়। এখানে উল্লেখ যে, প্রত্যেক প্রতিষ্টানের লাইসেন্স সঠিক পাওয়া যায়।

অভিযানকালে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর অপরাধ দন্ড ও পূনঃ অপরাধের দন্ড এর রঙ্গিন লিফলেট বিতরণসহ নিরাপদ খাদ্য আইনে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ প্রতিপালনে সর্তকীকরণ করা হয়। সর্তকীকরণ বিষয়ে নিরাপদ খাদ্য আদালতের পরবর্তী অভিযানে ত্রুটি বিচ্যুতি পরিলতি হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা মর্মে সতর্ক করা হয়। এ ছাড়াও অভিযানে ছিলেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিফাত উল্লাহ, র‌্যাব-০৯ (শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প) এর ডিএডি কাজী মোঃ মিজানুর রহমান ও তার সঙ্গীয় ফোর্স, নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ সাকিব হোসান, এসআই রুহুল আমিন, জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ফরিদা ইয়াসমিন সহ পুলিশ সদস্যরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিভিন্ন ফুড কারখানাগুলোতে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের অভিযান

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন ফুড কারখানাগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার বিকালে হবিগঞ্জের ইতিহাসে প্রথমবার অভিযান পরিচালনা করেন বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ কামরুল হাসান।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দেশের চলমান খাদ্যের ভেজাল নির্মূলে বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে প্রথমে আনোয়ারপুর বাইপাস রোডস্থ এলাকায় জয়দীপ মিষ্টান্ন ভান্ডারের কারখানায় অভিযান করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে আনোয়ারপুর বাইপাস এলাকার জয়দীপ মিষ্টান্ন ভান্ডারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি ও জিলাপী উৎপাদন, মিষ্টি ও জিলাপী উপকরণ লেবেল বিহীন সংরক্ষণ করা হয়। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর ৩২ ক, ৩৩ ধারা লংঘন করায় উক্ত আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করে প্রসিকিউশন রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

পরবর্তীতে মেসার্স বিসমিল্লাহ ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরি, কামড়াপুর বাইপাস রোডস্থ বেলাল আহমেদের কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানেও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিস্কুট ও পাউরুটি উৎপাদন, বিস্কুট ও উপকরণ লেবেল বিহীন সংরক্ষণ করা হয়। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর ৩২ ক, ৩৩ ও ৩৬ ধারা লংঘন করায় উক্ত আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করে প্রসিকিউশন রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। তারপর চৌধুরী বাজার পুলিশ ফাঁড়ি রোডস্থ মেসার্স শাহজালাল ওয়েল মিল, চৌধুরী বাজারস্থ মেসার্স বিসমিল্লাহ এন্টার প্রাইজ (পাইকারী ফল বিক্রেতা), হবিগঞ্জ শহরের ঐতিহ্যবাহী মেসার্স আদি গোপাল আদি গোপাল মিষ্টান্ন ভান্ডারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই তিন প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সহ সার্বিক দিক পর্যাবেক্ষণ করে যে বিষয়টি সামান্য ত্রুটি বিচ্যুতি পরিলতি হয় সেই বিষয়ে উপস্থিত মালিকপকে সতর্ক করা হয়। মেসার্স আদি গোপাল মিষ্টান্ন ভান্ডারের বিএসটিআই এর সার্টিফিকেট নবায়ন না থাকায় সেই বিষয়ে আগামী সাত কার্য দিবসের মধ্যে নবায়ন করে লিখিতভাবে আদালতকে অবহিত করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়। এখানে উল্লেখ যে, প্রত্যেক প্রতিষ্টানের লাইসেন্স সঠিক পাওয়া যায়।

অভিযানকালে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর অপরাধ দন্ড ও পূনঃ অপরাধের দন্ড এর রঙ্গিন লিফলেট বিতরণসহ নিরাপদ খাদ্য আইনে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ প্রতিপালনে সর্তকীকরণ করা হয়। সর্তকীকরণ বিষয়ে নিরাপদ খাদ্য আদালতের পরবর্তী অভিযানে ত্রুটি বিচ্যুতি পরিলতি হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা মর্মে সতর্ক করা হয়। এ ছাড়াও অভিযানে ছিলেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিফাত উল্লাহ, র‌্যাব-০৯ (শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প) এর ডিএডি কাজী মোঃ মিজানুর রহমান ও তার সঙ্গীয় ফোর্স, নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ সাকিব হোসান, এসআই রুহুল আমিন, জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ফরিদা ইয়াসমিন সহ পুলিশ সদস্যরা।