সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষে শাহপরান (রহ.)মাজারের প্রস্তুতি পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক সিলেট জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত শাহজালাল (রহ.) মাজারে প্রস্তুতি, মঙ্গলবার সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি সচেতনতামূলক র‌্যালি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের কমিটি নের্তৃবৃন্দকে ব্যবসায়ীদের মিষ্টিমূখ সিলেটে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫১ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ রাষ্ট্রপতিকে সিলেট সফর ও নাগরিক সংবর্ধনার প্রস্তুতি জানালেন সিসিক প্রশাসক সিলেট ১ শিশুর মৃত্যু, প্রায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৬০ সিলেটে (এসএমপি) বিশেষ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া ৫২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন

ভুয়া জামিন নামা দিয়ে ৪ আসামি বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনার মূলহোতা আরিফের স্বীকারোক্তি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জ কারাগার থেকে ভুয়া জামিননামা দিয়ে ৪ আসামি বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনার মূলহোতা জিআরও’র সহযোগী আটক হোসাইন মোঃ আরিফ (২৫) দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এদিকে এ মামলায় আরও যারা জড়িত তাদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। তাছাড়া আমল আদালত-৬ এর জিআরও এএসআই মোঃ মীর কাশেম বাদি হয়ে আরিফকে প্রধান করে আরও ৬ জনের নাম উল্লেখ করে জালিয়াতির মামলা করেছেন সদর থানায়। এরই প্রেক্ষিতে পুলিশ আরিফকে আদালতে পাঠালে সে দীর্ঘ স্বীকারোক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। যা যাচাই বাছাই করা হচ্ছে।

জানা যায়, প্রায় ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আরিফ ও তার সহযোগিরা জালিয়াতির মাধ্যমে জামিন নামা তৈরি করে কারাগারে পাঠিয়ে আসামিদের ছাড়িয়ে নেয়।
কারাগার থেকে বের হয়ে যাওয়া মাদক ব্যবসায়ীরা হল, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার শিমুলগঞ্জ গ্রামের আব্দুল কদ্দুছ মিয়ার পুত্র রুয়েল মিয়া, একই উপজেলার কিরণ মিয়ার পুত্র আলী হোসেন, জগন্নাথপুর উপজেলার পাগলা গ্রামের সজলু মিয়ার পুত্র আজাদ মিয়া ও শান্তিগঞ্জ উপজেলার কিরগাও গ্রামের লেবু মিয়ার পুত্র সুয়েব মিয়া।

জানা যায়- গত ৬ জানুয়ারি মাধবপুর থানার মামলায় (নং-১০, তাং-০৬/০১/২০২৫ইং জিআর ১০/২৫) উল্লেখিত ৪ জনকে মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া থেকে প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১২-৬৬১৮) গ্রেফতার করা হয়। তখন তাদের কাছ থেকে ৩৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এরপর তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

মাদক কারবারিদের আইনজীবি এডভোকেট ফয়সল আদালতে বেশ কয়েকবার তাদের জামিন আবেদন প্রার্থনা করেন। কিন্তু আদালত তাদেরকে জামিন দেননি। সবশেষ তিনি বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে গত ২৬ জানুয়ারিও তাদের জামিন আবদেন করলে সেখানে না মঞ্জুর হয়। এদিকে হঠাৎ করে গত বুধবার (২৯ জানুয়ারি) আসামিরা জামিনে বের হয়ে যায়। বিষয়টি জানতে পেরে গত ৩০ জানুয়ারি এডভোকেট ফয়সল আদালতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি নিশ্চিত হন তার আসামিরা ভূয়া জামিন নামা তৈরী করে জিআরও অফিসের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করেছে। পরে সেখান থেকে তারা ছাড়া পেয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ জানায়, ভূয়া জামিনে বেরিয়ে যাওয়া পলাতক আসামিদেরও ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভুয়া জামিন নামা দিয়ে ৪ আসামি বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনার মূলহোতা আরিফের স্বীকারোক্তি

আপডেট সময় : ০৪:৫৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জ কারাগার থেকে ভুয়া জামিননামা দিয়ে ৪ আসামি বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনার মূলহোতা জিআরও’র সহযোগী আটক হোসাইন মোঃ আরিফ (২৫) দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এদিকে এ মামলায় আরও যারা জড়িত তাদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। তাছাড়া আমল আদালত-৬ এর জিআরও এএসআই মোঃ মীর কাশেম বাদি হয়ে আরিফকে প্রধান করে আরও ৬ জনের নাম উল্লেখ করে জালিয়াতির মামলা করেছেন সদর থানায়। এরই প্রেক্ষিতে পুলিশ আরিফকে আদালতে পাঠালে সে দীর্ঘ স্বীকারোক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। যা যাচাই বাছাই করা হচ্ছে।

জানা যায়, প্রায় ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আরিফ ও তার সহযোগিরা জালিয়াতির মাধ্যমে জামিন নামা তৈরি করে কারাগারে পাঠিয়ে আসামিদের ছাড়িয়ে নেয়।
কারাগার থেকে বের হয়ে যাওয়া মাদক ব্যবসায়ীরা হল, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার শিমুলগঞ্জ গ্রামের আব্দুল কদ্দুছ মিয়ার পুত্র রুয়েল মিয়া, একই উপজেলার কিরণ মিয়ার পুত্র আলী হোসেন, জগন্নাথপুর উপজেলার পাগলা গ্রামের সজলু মিয়ার পুত্র আজাদ মিয়া ও শান্তিগঞ্জ উপজেলার কিরগাও গ্রামের লেবু মিয়ার পুত্র সুয়েব মিয়া।

জানা যায়- গত ৬ জানুয়ারি মাধবপুর থানার মামলায় (নং-১০, তাং-০৬/০১/২০২৫ইং জিআর ১০/২৫) উল্লেখিত ৪ জনকে মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া থেকে প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১২-৬৬১৮) গ্রেফতার করা হয়। তখন তাদের কাছ থেকে ৩৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এরপর তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

মাদক কারবারিদের আইনজীবি এডভোকেট ফয়সল আদালতে বেশ কয়েকবার তাদের জামিন আবেদন প্রার্থনা করেন। কিন্তু আদালত তাদেরকে জামিন দেননি। সবশেষ তিনি বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে গত ২৬ জানুয়ারিও তাদের জামিন আবদেন করলে সেখানে না মঞ্জুর হয়। এদিকে হঠাৎ করে গত বুধবার (২৯ জানুয়ারি) আসামিরা জামিনে বের হয়ে যায়। বিষয়টি জানতে পেরে গত ৩০ জানুয়ারি এডভোকেট ফয়সল আদালতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি নিশ্চিত হন তার আসামিরা ভূয়া জামিন নামা তৈরী করে জিআরও অফিসের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করেছে। পরে সেখান থেকে তারা ছাড়া পেয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ জানায়, ভূয়া জামিনে বেরিয়ে যাওয়া পলাতক আসামিদেরও ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।