সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষে শাহপরান (রহ.)মাজারের প্রস্তুতি পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক সিলেট জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত শাহজালাল (রহ.) মাজারে প্রস্তুতি, মঙ্গলবার সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি সচেতনতামূলক র‌্যালি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের কমিটি নের্তৃবৃন্দকে ব্যবসায়ীদের মিষ্টিমূখ সিলেটে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫১ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ রাষ্ট্রপতিকে সিলেট সফর ও নাগরিক সংবর্ধনার প্রস্তুতি জানালেন সিসিক প্রশাসক সিলেট ১ শিশুর মৃত্যু, প্রায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৬০ সিলেটে (এসএমপি) বিশেষ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া ৫২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন

আজমিরীগঞ্জে সরকারি জায়গার মাটি বিক্রি, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৭:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৪১ বার পড়া হয়েছে

আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে রাতের আঁধারে ও কাকডাকা ভোরে সরকারি জায়গা অর্থাৎ কুশিয়ারার কালনী নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে মাটি কেটে নগদ টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে এলাকার একাধিক অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে। এতে করে একদিকে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, অন্যদিকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে জড়িত অসাধু চক্রের সদস্যরা। এছাড়া লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। 

জানা যায়, আজমিরীগঞ্জ পৌরসভাধীন নৌ-টার্মিনালের অদূরে কুশিয়ারার কালনী নদীর তীরের সরকারি মালিকাধীন জায়গা থেকে রাতের আঁধারে ও কাকডাকা ভোরে লোকচক্ষুর আড়ালে মাটি কেটে নগদ টাকায় বিভিন্ন লোকের নিকট বিক্রি করছে এলাকার কয়েকটি অসাধু চক্র। আবার সুযোগ বুঝে মাঝে-মধ্যে দিনের বেলায়ও মাটি কেটে ট্রলিভর্তি করে এলাকার নানা জায়গায় নিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। 

নিয়মানুযায়ী সরকারি জায়গা থেকে মাটি কেটে বিক্রি করার কোনো বিধান নেই। তবে সরকারি জায়গা থেকে মাটি কাটতে সংশ্লিষ্ট ভ‚মি প্রশাসনের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। অনুমতি পাওয়ার পর উপ-সহকারী ভ‚মি কর্মকর্তা জায়গা মাপজোক করে দেবেন। পরে প্রতি ফুট মাটির বিপরীতে রয়েলিটি পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু এসব নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এলাকার একাধিক অসাধু চক্র বেশ কিছুদিন পূর্বে চরবাজারের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের পেছনে রাতের আঁধারে ও কাকডাকা ভোরে উল্লেখিত সরকারি জায়গা থেকে ট্রলিভর্তি করে মাটি নিয়ে বসতভিটা নির্মাণ করতে দেখা গেছে। বর্তমানে ওই জায়গাসহ আরও কয়েকটি স্থানে মাটি বিক্রির খবর পাওয়া গেছে। 

এছাড়া সকালবেলা পৌরসভাধীন বাজার সংলগ্ন বিজয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানে ট্রলি দিয়ে এনয়া মাটি স্ত‚প করে রাখা হচ্ছে। পরে ওই স্থান থেকে বিভিন্ন লোকের নিকট মাটি বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে। এছারা শ্রমিক দিয়ে মাটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে স্ব স্ব গন্তব্যে। প্রতিটি ট্রলিভর্তি মাটি বিক্রি করা হচ্ছে ৫০০ টাকায়। 

নদীর তীরের ফসলি জমি থেকে মাটি কাটায় জমির উর্বরতাসহ পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য বিনষ্ট হচ্ছে। এছাড়া সরকারের মালিকাধীন জায়গা থেকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে অসাধুচক্রের লোকজন। অপরদিকে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আজমিরীগঞ্জে সরকারি জায়গার মাটি বিক্রি, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৪

আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে রাতের আঁধারে ও কাকডাকা ভোরে সরকারি জায়গা অর্থাৎ কুশিয়ারার কালনী নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে মাটি কেটে নগদ টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে এলাকার একাধিক অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে। এতে করে একদিকে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, অন্যদিকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে জড়িত অসাধু চক্রের সদস্যরা। এছাড়া লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। 

জানা যায়, আজমিরীগঞ্জ পৌরসভাধীন নৌ-টার্মিনালের অদূরে কুশিয়ারার কালনী নদীর তীরের সরকারি মালিকাধীন জায়গা থেকে রাতের আঁধারে ও কাকডাকা ভোরে লোকচক্ষুর আড়ালে মাটি কেটে নগদ টাকায় বিভিন্ন লোকের নিকট বিক্রি করছে এলাকার কয়েকটি অসাধু চক্র। আবার সুযোগ বুঝে মাঝে-মধ্যে দিনের বেলায়ও মাটি কেটে ট্রলিভর্তি করে এলাকার নানা জায়গায় নিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। 

নিয়মানুযায়ী সরকারি জায়গা থেকে মাটি কেটে বিক্রি করার কোনো বিধান নেই। তবে সরকারি জায়গা থেকে মাটি কাটতে সংশ্লিষ্ট ভ‚মি প্রশাসনের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। অনুমতি পাওয়ার পর উপ-সহকারী ভ‚মি কর্মকর্তা জায়গা মাপজোক করে দেবেন। পরে প্রতি ফুট মাটির বিপরীতে রয়েলিটি পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু এসব নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এলাকার একাধিক অসাধু চক্র বেশ কিছুদিন পূর্বে চরবাজারের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের পেছনে রাতের আঁধারে ও কাকডাকা ভোরে উল্লেখিত সরকারি জায়গা থেকে ট্রলিভর্তি করে মাটি নিয়ে বসতভিটা নির্মাণ করতে দেখা গেছে। বর্তমানে ওই জায়গাসহ আরও কয়েকটি স্থানে মাটি বিক্রির খবর পাওয়া গেছে। 

এছাড়া সকালবেলা পৌরসভাধীন বাজার সংলগ্ন বিজয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানে ট্রলি দিয়ে এনয়া মাটি স্ত‚প করে রাখা হচ্ছে। পরে ওই স্থান থেকে বিভিন্ন লোকের নিকট মাটি বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে। এছারা শ্রমিক দিয়ে মাটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে স্ব স্ব গন্তব্যে। প্রতিটি ট্রলিভর্তি মাটি বিক্রি করা হচ্ছে ৫০০ টাকায়। 

নদীর তীরের ফসলি জমি থেকে মাটি কাটায় জমির উর্বরতাসহ পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য বিনষ্ট হচ্ছে। এছাড়া সরকারের মালিকাধীন জায়গা থেকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে অসাধুচক্রের লোকজন। অপরদিকে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।