সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে দুই ফুডস দোকানে অভিযান, জরিমানা-৩০ হাজার পুলিশের গাড়ির সামনেই যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল সিলেটে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকায় আবাসিক হোটেল সিলগালা, আটক ৫ সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক মাধবপুরে পুলিশের বড় অভিযান, বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার সিলেটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিসিকের বিশেষ মশক নিধন অভিযান শুরু সিলেটের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা জিন্দাবাজারে নালায় আবর্জনা-পয়োবর্জ্য, স্বাস্থ্য ঝুঁকি সিলেট সীমান্তে ৩৫ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

বঙ্গবন্ধু ভবনে সোহেল তাজ, আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের বিচার দাবি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৪ ১৪৪ বার পড়া হয়েছে
বঙ্গবন্ধু ভবনে সোহেল তাজ, আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের বিচার দাবি

ভিউ নিউজ ৭১ : অনলাইন সংস্করণ

ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু জাদুঘর ও বঙ্গবন্ধু ভবনে আগুন দেওয়ার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমদ সোহেল তাজ। 

তিনি বলেছেন, ছাত্র-জনতার সম্মিলনে বাংলাদেশে একটি গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। এই আন্দোলনের মধ্যে কিছু লোক জঘন্যতম ঘটনাটি ঘটিয়েছে। আমি এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দাবি জানাই, অতিসত্বর এই দুষ্কৃতকারীদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে।

মঙ্গলবার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবন পরিদর্শন শেষে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। সোহেল তাজ বলেন, আমি দুঃখভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বরের বাসার সামনে আমি। এটি বঙ্গবন্ধু জাদুঘর ছিল। এই বাড়িতেই ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

বিবেকের তাড়নায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আসার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমি বিবেক দিয়ে পরিচালিত হই। আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি, আমার অবস্থান থেকে যতটুকু পারি করি। সেই আবেগের কারণেই আমি এখানে এসেছি। আমি এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না যে, আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য, স্বাধীনতার প্রতীক ধ্বংস করে দিতে হবে।

বঙ্গবন্ধুর অসম্মানের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের আগের ২৩ বছরের গণআন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের কথা উল্লে­খ করে সোহেল তাজ বলেন, আজ ছাত্র-জনতা যে আন্দোলন করেছে, তাদের উদ্দেশ্য কিন্তু একটা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। যেখানে সবার অধিকার নিশ্চিত করা হবে, যেখানে সবার বাকস্বাধীনতা থাকবে, যেখানে মেধাই হবে মাপকাঠি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই কিন্তু সেই চেতনা। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা এই আদর্শটাকে বাস্তবায়ন করতে পারিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বঙ্গবন্ধু ভবনে সোহেল তাজ, আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের বিচার দাবি

আপডেট সময় : ০৪:০২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৪
বঙ্গবন্ধু ভবনে সোহেল তাজ, আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের বিচার দাবি

ভিউ নিউজ ৭১ : অনলাইন সংস্করণ

ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু জাদুঘর ও বঙ্গবন্ধু ভবনে আগুন দেওয়ার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমদ সোহেল তাজ। 

তিনি বলেছেন, ছাত্র-জনতার সম্মিলনে বাংলাদেশে একটি গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। এই আন্দোলনের মধ্যে কিছু লোক জঘন্যতম ঘটনাটি ঘটিয়েছে। আমি এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দাবি জানাই, অতিসত্বর এই দুষ্কৃতকারীদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে।

মঙ্গলবার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবন পরিদর্শন শেষে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। সোহেল তাজ বলেন, আমি দুঃখভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বরের বাসার সামনে আমি। এটি বঙ্গবন্ধু জাদুঘর ছিল। এই বাড়িতেই ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

বিবেকের তাড়নায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আসার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমি বিবেক দিয়ে পরিচালিত হই। আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি, আমার অবস্থান থেকে যতটুকু পারি করি। সেই আবেগের কারণেই আমি এখানে এসেছি। আমি এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না যে, আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য, স্বাধীনতার প্রতীক ধ্বংস করে দিতে হবে।

বঙ্গবন্ধুর অসম্মানের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের আগের ২৩ বছরের গণআন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের কথা উল্লে­খ করে সোহেল তাজ বলেন, আজ ছাত্র-জনতা যে আন্দোলন করেছে, তাদের উদ্দেশ্য কিন্তু একটা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। যেখানে সবার অধিকার নিশ্চিত করা হবে, যেখানে সবার বাকস্বাধীনতা থাকবে, যেখানে মেধাই হবে মাপকাঠি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই কিন্তু সেই চেতনা। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা এই আদর্শটাকে বাস্তবায়ন করতে পারিনি।