সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে দুই ফুডস দোকানে অভিযান, জরিমানা-৩০ হাজার পুলিশের গাড়ির সামনেই যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল সিলেটে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকায় আবাসিক হোটেল সিলগালা, আটক ৫ সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক মাধবপুরে পুলিশের বড় অভিযান, বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার সিলেটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিসিকের বিশেষ মশক নিধন অভিযান শুরু সিলেটের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা জিন্দাবাজারে নালায় আবর্জনা-পয়োবর্জ্য, স্বাস্থ্য ঝুঁকি সিলেট সীমান্তে ৩৫ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

সিলেটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিসিকের বিশেষ মশক নিধন অভিযান শুরু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সিসিক অত্যন্ত সতর্ক -সিসিক প্রশাসক

স্টাফ রিপোর্টার :

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসসহ মশক নিধনে বিশেষ অভিযান (ক্রাশ প্রোগ্রাম) শুরু করেছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)।

বুধবার (২৮ আগস্ট) সকালে নগরীর ১ নম্বর ওয়ার্ডের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

কার্যক্রম উদ্বোধনের পর সিসিক প্রশাসক নিজে ফগার মেশিন হাতে নিয়ে মশক নিধন কার্যক্রমে অংশ নেন এবং কর্মীদের উৎসাহিত করেন। এ সময় তিনি কর্মীদের আন্তরিকতার সাথে নগরীর প্রতিটি এলাকায় মশক নিধন ও লার্ভা ধ্বংসের নির্দেশ দেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং মশক নিধন কর্মীরা।

অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সিসিক অত্যন্ত সতর্ক। সম্প্রতি নগরীতে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা এই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছি। যদিও সিলেটে এ পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া ডেঙ্গু রোগীরা বাইরে থেকে সংক্রমিত হয়ে এসেছেন, তবুও আমরা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।”

তিনি আরও জানান, নগরীর ৪২টি ওয়ার্ডেই পর্যায়ক্রমে এই অভিযান চালানো হবে। প্রথম ধাপে ১০টি ওয়ার্ডে কাজ শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রকৌশল বিভাগের যৌথ সমন্বয়ে এই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সিসিকের কাছে পর্যাপ্ত ওষুধ সংরক্ষিত রয়েছে এবং আশা করা যাচ্ছে এক মাসের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।

মশক নিধনের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, বাসাবাড়ি বা আঙিনায় যাতে জমে থাকা পানি না থাকে, সে বিষয়ে মসজিদ, মার্কেট ও মহল্লায় লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং করা হচ্ছে। মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে তিনি নগরবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিসিকের বিশেষ মশক নিধন অভিযান শুরু

আপডেট সময় : ১২:২১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সিসিক অত্যন্ত সতর্ক -সিসিক প্রশাসক

স্টাফ রিপোর্টার :

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসসহ মশক নিধনে বিশেষ অভিযান (ক্রাশ প্রোগ্রাম) শুরু করেছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)।

বুধবার (২৮ আগস্ট) সকালে নগরীর ১ নম্বর ওয়ার্ডের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

কার্যক্রম উদ্বোধনের পর সিসিক প্রশাসক নিজে ফগার মেশিন হাতে নিয়ে মশক নিধন কার্যক্রমে অংশ নেন এবং কর্মীদের উৎসাহিত করেন। এ সময় তিনি কর্মীদের আন্তরিকতার সাথে নগরীর প্রতিটি এলাকায় মশক নিধন ও লার্ভা ধ্বংসের নির্দেশ দেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং মশক নিধন কর্মীরা।

অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সিসিক অত্যন্ত সতর্ক। সম্প্রতি নগরীতে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা এই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছি। যদিও সিলেটে এ পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া ডেঙ্গু রোগীরা বাইরে থেকে সংক্রমিত হয়ে এসেছেন, তবুও আমরা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।”

তিনি আরও জানান, নগরীর ৪২টি ওয়ার্ডেই পর্যায়ক্রমে এই অভিযান চালানো হবে। প্রথম ধাপে ১০টি ওয়ার্ডে কাজ শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রকৌশল বিভাগের যৌথ সমন্বয়ে এই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সিসিকের কাছে পর্যাপ্ত ওষুধ সংরক্ষিত রয়েছে এবং আশা করা যাচ্ছে এক মাসের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।

মশক নিধনের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, বাসাবাড়ি বা আঙিনায় যাতে জমে থাকা পানি না থাকে, সে বিষয়ে মসজিদ, মার্কেট ও মহল্লায় লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং করা হচ্ছে। মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে তিনি নগরবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।