সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে দুই ফুডস দোকানে অভিযান, জরিমানা-৩০ হাজার পুলিশের গাড়ির সামনেই যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল সিলেটে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকায় আবাসিক হোটেল সিলগালা, আটক ৫ সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক মাধবপুরে পুলিশের বড় অভিযান, বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার সিলেটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিসিকের বিশেষ মশক নিধন অভিযান শুরু সিলেটের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা জিন্দাবাজারে নালায় আবর্জনা-পয়োবর্জ্য, স্বাস্থ্য ঝুঁকি সিলেট সীমান্তে ৩৫ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

পুলিশের রেশন সেন্টারে দু*র্নীতি, মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্সের রেশন সেন্টারে ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করে প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১১ জন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুদকের পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- সাবেক মেস ম্যানেজার মো. আলাউদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) আরিফ মাহমুদ, পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) মো. আল মামুন, পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) মো. রেজাউল করিম, পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) কাজী রাজিউল জামান, কনস্টেবল মো. আতিউর রহমান, কনস্টেবল মো. সাইফুল ইসলাম, কনস্টেবল মেহেদী হাসান, অফিস সহকারী মো. তৌফিক এলাহী, গুদামদার মো. জহির উদ্দিন এবং বিক্রয় সহকারী সৈয়দ জসিম উদ্দিন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্সের রেশন সেন্টারে ২০১৩ সাল থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ২৫২টি ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করা হয়। এসব কার্ডের মাধ্যমে রেশন সামগ্রী উত্তোলন করে মোট ৩ কোটি ৯৪ লাখ ৪০ হাজার ৮৮৫ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন বলেন, অভিযুক্তরা সরকারি দায়িত্বে থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে রেশন সামগ্রী উত্তোলন করে অর্থ আত্মসাৎ করেছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তদন্ত চলাকালে অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, মামলার আসামিরা বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় কর্মরত রয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয়ভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পুলিশের রেশন সেন্টারে দু*র্নীতি, মামলা

আপডেট সময় : ১২:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্সের রেশন সেন্টারে ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করে প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১১ জন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুদকের পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- সাবেক মেস ম্যানেজার মো. আলাউদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) আরিফ মাহমুদ, পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) মো. আল মামুন, পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) মো. রেজাউল করিম, পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) কাজী রাজিউল জামান, কনস্টেবল মো. আতিউর রহমান, কনস্টেবল মো. সাইফুল ইসলাম, কনস্টেবল মেহেদী হাসান, অফিস সহকারী মো. তৌফিক এলাহী, গুদামদার মো. জহির উদ্দিন এবং বিক্রয় সহকারী সৈয়দ জসিম উদ্দিন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্সের রেশন সেন্টারে ২০১৩ সাল থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ২৫২টি ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করা হয়। এসব কার্ডের মাধ্যমে রেশন সামগ্রী উত্তোলন করে মোট ৩ কোটি ৯৪ লাখ ৪০ হাজার ৮৮৫ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন বলেন, অভিযুক্তরা সরকারি দায়িত্বে থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে রেশন সামগ্রী উত্তোলন করে অর্থ আত্মসাৎ করেছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তদন্ত চলাকালে অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, মামলার আসামিরা বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় কর্মরত রয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয়ভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।