সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের কমিটি নের্তৃবৃন্দকে ব্যবসায়ীদের মিষ্টিমূখ সিলেটে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫১ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ রাষ্ট্রপতিকে সিলেট সফর ও নাগরিক সংবর্ধনার প্রস্তুতি জানালেন সিসিক প্রশাসক সিলেট ১ শিশুর মৃত্যু, প্রায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৬০ সিলেটে (এসএমপি) বিশেষ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া ৫২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন সাবেক স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা সিলেটে সংস্কার ও মেরামতের জন্য বিভিন্ন কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার ঘোষণা সিলেট সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও কনভার্সন ওয়ার্কশপ মালিকরা গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক ও হয়রানি বন্ধের দাবি জানান শাবিপ্রবিতে  সাস্ট রিসার্চ সোসাইটির সভাপতি তামিম, সম্পাদক সিনজা

মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলে এক সপ্তাহে চার অজগর উদ্ধার, এলাকায় আতঙ্ক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫ ৮১ বার পড়া হয়েছে

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি :

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এক সপ্তাহে চারটি অজগর সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। নোয়াগাঁও ও ইছবপুর গ্রামের ধানক্ষেত ও ঝোপঝাড় থেকে এসব অজগর উদ্ধার করা হয়।

গত শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলা শহর থেকে প্রায় দুই কিমি দূরে অবস্থিত নোয়াগাঁও গ্রামের ফকিরবাড়ি সংলগ্ন ধানক্ষেতে কৃষকরা ধান কাটার সময় হঠাৎ একটি অজগর দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে ফাউন্ডেশনকে খবর দেন।

পরে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন কুমার দেব সজল, পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ও রিদন গৌড় ঘটনাস্থলে গিয়ে অজগরটি উদ্ধার করেন।

এর পাঁচ দিন আগে, ২৩ নভেম্বর একই গ্রাম থেকে আরেকটি অজগর উদ্ধার করা হয়।

অন্যদিকে পার্শ্ববর্তী ইছবপুর গ্রামে ২৪ ও ২৭ নভেম্বর দুই দিনে আরও দুটি বিশাল আকৃতির অজগর উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন ।

এর মধ্যে ২৪ নভেম্বর উদ্ধার হওয়া সাপটির দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১২ ফুট এবং ওজন প্রায় ২০ কেজি।

স্থানীয় পরিবেশ সচেতনরা জানাচ্ছেন, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন চা-বাগানের ঝোপঝাড় ও জঙ্গল ও বনাঞ্চল নির্বিচারে উজাড় হওয়ায় বন্যপ্রাণীর প্রাকৃতিক আবাস সংকুচিত হচ্ছে।

এক শ্রেণী সঙ্ঘবদ্ধ প্রভাবশালী গোষ্ঠী বনাঞ্চলের বিস্তীর্ণভূমি দখল করে বসতি, বাগান ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের কারণে বন্য পশুপাখি খাদ্য সংকটে পড়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে।

ফলে প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় অজগরসহ নানা ধরনের সাপ, বণ্যপ্রাণী ও দুর্লভ পাখি মানুষের হাতের নাগালে ধরা পড়ছে। এতে বন্যপ্রাণীর জীবন যেমন হুমকির মুখে পড়ছে, তেমনি মানুষও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলে এক সপ্তাহে চার অজগর উদ্ধার, এলাকায় আতঙ্ক

আপডেট সময় : ১০:০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি :

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এক সপ্তাহে চারটি অজগর সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। নোয়াগাঁও ও ইছবপুর গ্রামের ধানক্ষেত ও ঝোপঝাড় থেকে এসব অজগর উদ্ধার করা হয়।

গত শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলা শহর থেকে প্রায় দুই কিমি দূরে অবস্থিত নোয়াগাঁও গ্রামের ফকিরবাড়ি সংলগ্ন ধানক্ষেতে কৃষকরা ধান কাটার সময় হঠাৎ একটি অজগর দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে ফাউন্ডেশনকে খবর দেন।

পরে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন কুমার দেব সজল, পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ও রিদন গৌড় ঘটনাস্থলে গিয়ে অজগরটি উদ্ধার করেন।

এর পাঁচ দিন আগে, ২৩ নভেম্বর একই গ্রাম থেকে আরেকটি অজগর উদ্ধার করা হয়।

অন্যদিকে পার্শ্ববর্তী ইছবপুর গ্রামে ২৪ ও ২৭ নভেম্বর দুই দিনে আরও দুটি বিশাল আকৃতির অজগর উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন ।

এর মধ্যে ২৪ নভেম্বর উদ্ধার হওয়া সাপটির দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১২ ফুট এবং ওজন প্রায় ২০ কেজি।

স্থানীয় পরিবেশ সচেতনরা জানাচ্ছেন, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন চা-বাগানের ঝোপঝাড় ও জঙ্গল ও বনাঞ্চল নির্বিচারে উজাড় হওয়ায় বন্যপ্রাণীর প্রাকৃতিক আবাস সংকুচিত হচ্ছে।

এক শ্রেণী সঙ্ঘবদ্ধ প্রভাবশালী গোষ্ঠী বনাঞ্চলের বিস্তীর্ণভূমি দখল করে বসতি, বাগান ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের কারণে বন্য পশুপাখি খাদ্য সংকটে পড়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে।

ফলে প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় অজগরসহ নানা ধরনের সাপ, বণ্যপ্রাণী ও দুর্লভ পাখি মানুষের হাতের নাগালে ধরা পড়ছে। এতে বন্যপ্রাণীর জীবন যেমন হুমকির মুখে পড়ছে, তেমনি মানুষও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।