সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫১ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ রাষ্ট্রপতিকে সিলেট সফর ও নাগরিক সংবর্ধনার প্রস্তুতি জানালেন সিসিক প্রশাসক সিলেট ১ শিশুর মৃত্যু, প্রায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৬০ সিলেটে (এসএমপি) বিশেষ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া ৫২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন সাবেক স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা সিলেটে সংস্কার ও মেরামতের জন্য বিভিন্ন কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার ঘোষণা সিলেট সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও কনভার্সন ওয়ার্কশপ মালিকরা গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক ও হয়রানি বন্ধের দাবি জানান শাবিপ্রবিতে  সাস্ট রিসার্চ সোসাইটির সভাপতি তামিম, সম্পাদক সিনজা সিলেট রাষ্ট্রপতির আগমনে বিশেষ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

সাবেক স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৬:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

কানাডায় পাঠানোর নামে প্রতারণা, ভুয়া ভিসা-পাসপোর্ট তৈরি, অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে মানবপাচারের অভিযোগে সাবেক স্পিকার সিলেটের মরহুম হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিজ্ঞ মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে (মোহাম্মদপুর আমলী আদালত) মামলাটি দায়ের করেন ডেমরা থানার হাজীনগর এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ মমিনুল হক।

মামলার আসামিরা হলেন- হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর স্ত্রী মেহজাবিন রশীদ চৌধুরী, ছেলে নোমান রশীদ চৌধুরী, তার স্ত্রী সাদিয়া বিলকিস চৌধুরী এবং ছেলে মাসুন নোমান রশীদ চৌধুরী ও মিনাল নোমান রশীদ চৌধুরী। তারা সবাই বর্তমানে রাজধানীর ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার বাসিন্দা।
 

মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ- ১৯৯৮ সালে নোমান রশীদ চৌধুরী তার তৎকালীন রাজনৈতিক ক্ষমতা ও প্রভাবের কথা জানিয়ে বাদীর ছোট ভাই মো. মাসুদুল হককে অল্প খরচে কানাডায় পাঠানোর আশ্বাস দেন। পরবর্তীতে পাসপোর্ট, ভিসা ও অন্যান্য খরচ বাবদ আসামিরা কয়েক দফায় বাদীর কাছ থেকে মোট ৪ লাখ টাকা নগদ গ্রহণ করেন এবং মানি রসিদ প্রদান করেন।

পরবর্তীতে অনিয়ম ও প্রতারণার মাধ্যমে জাল মালয়েশিয়ান পাসপোর্টের সাহায্যে বাদীকে না জানিয়ে তার ছোট ভাইকে হংকং হয়ে কানাডায় পাঠানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্তরা। ফলে হংকং ইমিগ্রেশন কর্তৃক মাসুদুল হক আটক হন এবং সেখানে তিনি দীর্ঘ ৪ মাস কারাদণ্ড ভোগ করেন। পরে বাংলাদেশ হংকং কনস্যুলেট অফিসের মাধ্যমে বাদী নিজ খরচে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনেন।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়- ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা ও পরবর্তী ক্ষতিপূরণসহ অর্থ ফেরত চাওয়ায় বাদীকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি, প্রাণনাশের হুমকি ও শারীরিক-মানসিক নির্যাতন চালান অভিযুক্তরা তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে তখন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি বলে বাদী জানান।
 

বাদী অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর দেশে ফিরে চলতি বছরের ২৯ জুলাই টাকা ফেরত চাইতে গেলে আসামিরা পুনরায় একযোগে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেন। ফলে সর্বশেষ এ বিষয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন মোহাম্মদ মমিনুল হক। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডাভোকেট মো. আবুল কালাম খান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সাবেক স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ০১:০৬:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

কানাডায় পাঠানোর নামে প্রতারণা, ভুয়া ভিসা-পাসপোর্ট তৈরি, অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে মানবপাচারের অভিযোগে সাবেক স্পিকার সিলেটের মরহুম হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিজ্ঞ মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে (মোহাম্মদপুর আমলী আদালত) মামলাটি দায়ের করেন ডেমরা থানার হাজীনগর এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ মমিনুল হক।

মামলার আসামিরা হলেন- হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর স্ত্রী মেহজাবিন রশীদ চৌধুরী, ছেলে নোমান রশীদ চৌধুরী, তার স্ত্রী সাদিয়া বিলকিস চৌধুরী এবং ছেলে মাসুন নোমান রশীদ চৌধুরী ও মিনাল নোমান রশীদ চৌধুরী। তারা সবাই বর্তমানে রাজধানীর ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার বাসিন্দা।
 

মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ- ১৯৯৮ সালে নোমান রশীদ চৌধুরী তার তৎকালীন রাজনৈতিক ক্ষমতা ও প্রভাবের কথা জানিয়ে বাদীর ছোট ভাই মো. মাসুদুল হককে অল্প খরচে কানাডায় পাঠানোর আশ্বাস দেন। পরবর্তীতে পাসপোর্ট, ভিসা ও অন্যান্য খরচ বাবদ আসামিরা কয়েক দফায় বাদীর কাছ থেকে মোট ৪ লাখ টাকা নগদ গ্রহণ করেন এবং মানি রসিদ প্রদান করেন।

পরবর্তীতে অনিয়ম ও প্রতারণার মাধ্যমে জাল মালয়েশিয়ান পাসপোর্টের সাহায্যে বাদীকে না জানিয়ে তার ছোট ভাইকে হংকং হয়ে কানাডায় পাঠানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্তরা। ফলে হংকং ইমিগ্রেশন কর্তৃক মাসুদুল হক আটক হন এবং সেখানে তিনি দীর্ঘ ৪ মাস কারাদণ্ড ভোগ করেন। পরে বাংলাদেশ হংকং কনস্যুলেট অফিসের মাধ্যমে বাদী নিজ খরচে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনেন।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়- ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা ও পরবর্তী ক্ষতিপূরণসহ অর্থ ফেরত চাওয়ায় বাদীকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি, প্রাণনাশের হুমকি ও শারীরিক-মানসিক নির্যাতন চালান অভিযুক্তরা তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে তখন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি বলে বাদী জানান।
 

বাদী অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর দেশে ফিরে চলতি বছরের ২৯ জুলাই টাকা ফেরত চাইতে গেলে আসামিরা পুনরায় একযোগে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেন। ফলে সর্বশেষ এ বিষয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন মোহাম্মদ মমিনুল হক। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডাভোকেট মো. আবুল কালাম খান।