সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান লণ্ডভণ্ড ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্প সিলেটের সংবাদপত্র এজেন্ট এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইসমাইলের মৃত্যুতে শোকবার্তা সিলেটে জলাবদ্ধতা নিরসনে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ – বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে ১৩ সদস্যের কমিটি গঠন সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে ডিসির দেয়া ৫ লাখ টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ১২ সদস্যের কমিটি গঠন কারবালার যুদ্ধে ইমাম হুসাইন (রাঃ) ও মাওলা আবুল ফজল আব্বাস আলামদার (আঃ)-এর শাহাদাত হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দানবাক্স বিতর্ক আর এক রহস্যময় বার্তা দিলেন সাবেক সিটি মেয়র ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমের বিত্তান্ত তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট মহানগর শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন,আরিফ সামাদ সভাপতি, মাহমুদুর রহমান সাধারণ সম্পাদক

সংকটে দেশের ব্যান্ড সংগীত,জেমস-বাচ্চুদের উত্তরসূরিরা নীরব কেন?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৯:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫ ৮৫ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

বাংলাদেশে ব্যান্ড সংগীতের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭০-এর দশকে। পশ্চিমা সংগীতের অনুপ্রেরণায় শুরু হলেও এ দেশের ব্যান্ডগুলো ধীরে ধীরে তৈরি করে নেয় নিজস্ব ধারা, লোকজ, রক, ফিউশন, এমনকি ক্লাসিক্যাল ধাঁচেও। ১৯৮০ থেকে ৯০-এর দশককে বলা হয় ব্যান্ড সংগীতের স্বর্ণযুগ। এলআরবি, মাইলস, ফিডব্যাক, নগরবাউল, সোলস, অবসকিওর, আর্ক, ডিফারেন্ট টাচ্-এসব ব্যান্ড শুধু গান করেনি, একটা প্রজন্মকে গানের উন্মাদনায় ভাসিয়ে রেখেছিল। ব্যান্ডের গান মানেই বিদ্রোহ, প্রেম, বাস্তবতা আর পথের খোঁজ। আইয়ুব বাচ্চুর ‘চলো বদলে যাই’, জেমসের ‘দুঃখিনী দুঃখ করোনা’, মাইলসের ‘ফিরিয়ে দাও’-এগুলো একেকটি কালজয়ী গান।

কিন্তু সেদিন আর নেই। ঝিমিয়ে পড়েছে ব্যান্ডগুলো। নকীব খান, আইয়ুব বাচ্চু, জেমসরা ব্যান্ড সংগীত দিয়ে দেশের সব শ্রেণির মানুষের মনে স্থায়ী আসন গড়লেও তাদের উত্তরসূরিরা সে ধারা ধরে রাখতে পারেননি। পুরোনো দলগুলোর মধ্যে একমাত্র নগরবাউল নিয়ে কনসার্টে ব্যস্ত রয়েছেন জেমস। এ ছাড়া অন্য দলগুলোর খুব একটা ব্যস্ততা নেই। এদিকে মাইলস ব্যান্ডের অন্যতম সদস্য প্রয়াত শাফিন আহমেদ এখনো শ্রোতা-ভক্তের হৃদয়ে আছেন। তার মৃত্যুর পর দলে তার শূন্যতা এখনো বিরাজমান। অন্য দলগুলোও কনসার্টে নিয়মিত নেই। সারা দেশের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে পড়া ব্যান্ডের সেই জৌলুস আজ চোখে পড়ে না। কেন হারিয়ে গেল সেই গৌরব? সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শ্রোতার রুচির পরিবর্তন, ব্যান্ড ভাঙন ও একক ক্যারিয়ার, মিডিয়া ও স্পন্সরের বিমুখতা, নতুন প্রজন্মে দলগত চর্চার অভাবেই হারিয়ে যাচ্ছে জৌলুস।

তবে ব্যতিক্রমও রয়েছে। ব্যান্ড সংগীত একেবারে শেষ হয়ে গেছে এটিও বলা যাবে না। কিছু ব্যান্ড আজও নিষ্ঠার সঙ্গে গান করে যাচ্ছে। পুরোনো দলগুলোর সঙ্গে নতুন যুক্ত হওয়া দলগুলোও তাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। নগরবাউল, অবসকিউর, সোলস, অর্থহীন, শিরোনামহীন, নেমেসিস, ক্রিপটিক ফেইট, চিরকুট, আর্টসেল, দলছুট, মাইলস, ওয়ারফেইজ, ডিফারেন্ট টাচ, আর্ক প্রভৃতি ব্যান্ডগুলো এখনো সরব। ইউটিউব কনটেন্ট ও মিউজিক ভিডিওয়ের মাধ্যমেও কিছু ব্যান্ড আবার ফোক ফিউশন, অল্টারনেটিভ রক ও এক্সপেরিমেন্টাল ঘরানায় কাজ করছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যান্ডের স্বর্ণযুগের অধিকাংশ শিল্পী এখন নতুন গান সৃষ্টি করা থেকে বিরত রয়েছেন। তাদের সৃষ্টি বিমুখতা ব্যান্ডের জৌলুস হারানোর অন্যতম কারণ। আর যারা নতুন ব্যান্ড গঠন করে কাজ করছে, তাদের গান সেভাবে সাড়া জাগাতে পারছে না। তবে হারানো জৌলুস ফিরেয়ে আনা সম্ভব, এতে মেধা ও পরিশ্রমের সমন্বয় করে কাজ করা খুব প্রয়োজন। যা এখনকার ব্যান্ডগুলোতে দেখা যাচ্ছে না।

আর্ক ব্যান্ডের ভোকাল হাসান বলেন, ‘আমরা যখন গান করেছিলাম, তখন অডিও ইন্ডাস্ট্রির একটা বড় বাজার ছিল। গান নিয়ে সবার মধ্যে সুন্দর একটি প্রতিযোগিতা হতো। এতে অনেক ভালো গান আসত। কিন্তু অডিওর সেই বাজার শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যান্ড গানেরও কদর কমে গেছে। এখন পেশাগতভাবে কেউ গানে লগ্নি করতে চাচ্ছে না। তাতেই গান নিয়ে প্রতিযোগিতার ব্যাপারটা কমেছে। তা ছাড়া আমরা গান নিয়ে অনেক চর্চা করতাম। সাধনা করতাম। কিন্তু এখন সেভাবে হয়তো কেউ গানের পেছনে সময় দিচ্ছে না। এটিও একটি কারণ হতে পারে। সব মিলিয়েই ব্যান্ডের সেই রমরমা বাজার আর নেই, এটিকেও আর ফিরিয়ে আনাও যাচ্ছে না।’

সংকটের কথা তুলে ধরে ফিডব্যাক ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা ফোয়াদ নাসের বাবু বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে আমরা যখন শুরু করি তখন অডিও ইন্ডাস্ট্রির যে রমরমা বাজার ছিল এটি এখন নেই। বর্তমানে মানুষের ভরসা অনলাইনে। গান এখন চোখে দেখা যায়, হাতে ধরা যায় না। আগে ধরা যেত, ক্যাসেট সিডি নিয়ে আলোচনা হত। এ সবকিছুই সহজলভ্য। এত বেশি গান মানুষ শুনতে পায় যে, মানুষের জীবনের ধারা পরিবর্তন হয়ে গেছে। আজ থেকে ৩০ বছর আগে মানুষ যেভাবে জীবন যাপন করত সেটা আর নেই। ইউটিউবে এখন গান রিলিজ হলেও সেটি মানুষ পুরোটা শোনে না।’

অবসকিউর ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা সাইদ হাসান টিপু বলেন, ‘ব্যান্ডের গানের খুব খারাপ অবস্থা আমাদের দেশে। মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা খারাপ। যারা টিকে আছে এরা নিজেদের চেষ্টায় টিকে আছে। আর কোনো উপায় নেই, কী করবে? আগে তো প্রোডাকশন কোম্পানি ছিল, সেটার জন্য কিছু টাকা হলেও পাওয়া যেত। এখন তো স্টেজ শো ছাড়া আর কোনো গতি নেই। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গান রিলিজ পেলে যে টাকা আসে, তা খুবই সামান্য। সেটার সিংহভাগ প্রোডাকশন কোম্পানিগুলোই নিয়ে নিচ্ছে।’

ব্যান্ড সংগীত ছিল বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বিকাশের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। যদিও সময়ের স্রোতে অনেক কিছু হারিয়ে গেছে, তবে সেই গৌরব ফিরিয়ে আনার সুযোগ এখনো আছে। দরকার শুধু ইচ্ছা, উদ্যোগ আর ভালোবাসা। একটা প্রজন্ম যেমন ব্যান্ড গানে বেঁচে ছিল, নতুন প্রজন্মও আবার গাইতে পারে সেই গান, যদি তারা গিটারটা হাতে তুলে নেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সংকটে দেশের ব্যান্ড সংগীত,জেমস-বাচ্চুদের উত্তরসূরিরা নীরব কেন?

আপডেট সময় : ০৩:১৯:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

বাংলাদেশে ব্যান্ড সংগীতের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭০-এর দশকে। পশ্চিমা সংগীতের অনুপ্রেরণায় শুরু হলেও এ দেশের ব্যান্ডগুলো ধীরে ধীরে তৈরি করে নেয় নিজস্ব ধারা, লোকজ, রক, ফিউশন, এমনকি ক্লাসিক্যাল ধাঁচেও। ১৯৮০ থেকে ৯০-এর দশককে বলা হয় ব্যান্ড সংগীতের স্বর্ণযুগ। এলআরবি, মাইলস, ফিডব্যাক, নগরবাউল, সোলস, অবসকিওর, আর্ক, ডিফারেন্ট টাচ্-এসব ব্যান্ড শুধু গান করেনি, একটা প্রজন্মকে গানের উন্মাদনায় ভাসিয়ে রেখেছিল। ব্যান্ডের গান মানেই বিদ্রোহ, প্রেম, বাস্তবতা আর পথের খোঁজ। আইয়ুব বাচ্চুর ‘চলো বদলে যাই’, জেমসের ‘দুঃখিনী দুঃখ করোনা’, মাইলসের ‘ফিরিয়ে দাও’-এগুলো একেকটি কালজয়ী গান।

কিন্তু সেদিন আর নেই। ঝিমিয়ে পড়েছে ব্যান্ডগুলো। নকীব খান, আইয়ুব বাচ্চু, জেমসরা ব্যান্ড সংগীত দিয়ে দেশের সব শ্রেণির মানুষের মনে স্থায়ী আসন গড়লেও তাদের উত্তরসূরিরা সে ধারা ধরে রাখতে পারেননি। পুরোনো দলগুলোর মধ্যে একমাত্র নগরবাউল নিয়ে কনসার্টে ব্যস্ত রয়েছেন জেমস। এ ছাড়া অন্য দলগুলোর খুব একটা ব্যস্ততা নেই। এদিকে মাইলস ব্যান্ডের অন্যতম সদস্য প্রয়াত শাফিন আহমেদ এখনো শ্রোতা-ভক্তের হৃদয়ে আছেন। তার মৃত্যুর পর দলে তার শূন্যতা এখনো বিরাজমান। অন্য দলগুলোও কনসার্টে নিয়মিত নেই। সারা দেশের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে পড়া ব্যান্ডের সেই জৌলুস আজ চোখে পড়ে না। কেন হারিয়ে গেল সেই গৌরব? সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শ্রোতার রুচির পরিবর্তন, ব্যান্ড ভাঙন ও একক ক্যারিয়ার, মিডিয়া ও স্পন্সরের বিমুখতা, নতুন প্রজন্মে দলগত চর্চার অভাবেই হারিয়ে যাচ্ছে জৌলুস।

তবে ব্যতিক্রমও রয়েছে। ব্যান্ড সংগীত একেবারে শেষ হয়ে গেছে এটিও বলা যাবে না। কিছু ব্যান্ড আজও নিষ্ঠার সঙ্গে গান করে যাচ্ছে। পুরোনো দলগুলোর সঙ্গে নতুন যুক্ত হওয়া দলগুলোও তাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। নগরবাউল, অবসকিউর, সোলস, অর্থহীন, শিরোনামহীন, নেমেসিস, ক্রিপটিক ফেইট, চিরকুট, আর্টসেল, দলছুট, মাইলস, ওয়ারফেইজ, ডিফারেন্ট টাচ, আর্ক প্রভৃতি ব্যান্ডগুলো এখনো সরব। ইউটিউব কনটেন্ট ও মিউজিক ভিডিওয়ের মাধ্যমেও কিছু ব্যান্ড আবার ফোক ফিউশন, অল্টারনেটিভ রক ও এক্সপেরিমেন্টাল ঘরানায় কাজ করছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যান্ডের স্বর্ণযুগের অধিকাংশ শিল্পী এখন নতুন গান সৃষ্টি করা থেকে বিরত রয়েছেন। তাদের সৃষ্টি বিমুখতা ব্যান্ডের জৌলুস হারানোর অন্যতম কারণ। আর যারা নতুন ব্যান্ড গঠন করে কাজ করছে, তাদের গান সেভাবে সাড়া জাগাতে পারছে না। তবে হারানো জৌলুস ফিরেয়ে আনা সম্ভব, এতে মেধা ও পরিশ্রমের সমন্বয় করে কাজ করা খুব প্রয়োজন। যা এখনকার ব্যান্ডগুলোতে দেখা যাচ্ছে না।

আর্ক ব্যান্ডের ভোকাল হাসান বলেন, ‘আমরা যখন গান করেছিলাম, তখন অডিও ইন্ডাস্ট্রির একটা বড় বাজার ছিল। গান নিয়ে সবার মধ্যে সুন্দর একটি প্রতিযোগিতা হতো। এতে অনেক ভালো গান আসত। কিন্তু অডিওর সেই বাজার শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যান্ড গানেরও কদর কমে গেছে। এখন পেশাগতভাবে কেউ গানে লগ্নি করতে চাচ্ছে না। তাতেই গান নিয়ে প্রতিযোগিতার ব্যাপারটা কমেছে। তা ছাড়া আমরা গান নিয়ে অনেক চর্চা করতাম। সাধনা করতাম। কিন্তু এখন সেভাবে হয়তো কেউ গানের পেছনে সময় দিচ্ছে না। এটিও একটি কারণ হতে পারে। সব মিলিয়েই ব্যান্ডের সেই রমরমা বাজার আর নেই, এটিকেও আর ফিরিয়ে আনাও যাচ্ছে না।’

সংকটের কথা তুলে ধরে ফিডব্যাক ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা ফোয়াদ নাসের বাবু বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে আমরা যখন শুরু করি তখন অডিও ইন্ডাস্ট্রির যে রমরমা বাজার ছিল এটি এখন নেই। বর্তমানে মানুষের ভরসা অনলাইনে। গান এখন চোখে দেখা যায়, হাতে ধরা যায় না। আগে ধরা যেত, ক্যাসেট সিডি নিয়ে আলোচনা হত। এ সবকিছুই সহজলভ্য। এত বেশি গান মানুষ শুনতে পায় যে, মানুষের জীবনের ধারা পরিবর্তন হয়ে গেছে। আজ থেকে ৩০ বছর আগে মানুষ যেভাবে জীবন যাপন করত সেটা আর নেই। ইউটিউবে এখন গান রিলিজ হলেও সেটি মানুষ পুরোটা শোনে না।’

অবসকিউর ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা সাইদ হাসান টিপু বলেন, ‘ব্যান্ডের গানের খুব খারাপ অবস্থা আমাদের দেশে। মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা খারাপ। যারা টিকে আছে এরা নিজেদের চেষ্টায় টিকে আছে। আর কোনো উপায় নেই, কী করবে? আগে তো প্রোডাকশন কোম্পানি ছিল, সেটার জন্য কিছু টাকা হলেও পাওয়া যেত। এখন তো স্টেজ শো ছাড়া আর কোনো গতি নেই। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গান রিলিজ পেলে যে টাকা আসে, তা খুবই সামান্য। সেটার সিংহভাগ প্রোডাকশন কোম্পানিগুলোই নিয়ে নিচ্ছে।’

ব্যান্ড সংগীত ছিল বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বিকাশের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। যদিও সময়ের স্রোতে অনেক কিছু হারিয়ে গেছে, তবে সেই গৌরব ফিরিয়ে আনার সুযোগ এখনো আছে। দরকার শুধু ইচ্ছা, উদ্যোগ আর ভালোবাসা। একটা প্রজন্ম যেমন ব্যান্ড গানে বেঁচে ছিল, নতুন প্রজন্মও আবার গাইতে পারে সেই গান, যদি তারা গিটারটা হাতে তুলে নেয়।