সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শিশুকে যৌ’ন নি’র্যাতন ও হ’ত্যার ঘটনায় চাচা গ্রে’প্তার মাজারে আসা প্রতিবন্ধী তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩ সিলেট পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৫৮ সিলেটে হাম উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু সিলেটে ওসমানীতে হাম রোগীদের জন্য নতুন ইউনিট ও আইসিইউ চালু সিলেটে ‘হবিগঞ্জ এক্সপ্রেসের যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগ ও দগ্ধ হয়ে এক যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার সকল আসামী খালাস প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি- জনগণ এমন রাষ্ট্র চায়, যেখানে অবিচার অনাচার থাকবে না হবিগঞ্জে ৪ থানার ওসি বদলী নবীগঞ্জে র‌্যাবের অভিযান ৪৫ কেজি গাঁজাসহ আটক ২ চুনারুঘাটে বিজিবি’র অভিযান ভারতীয় গাঁজা ও বিয়ার উদ্ধার

সিলেটে ‘হবিগঞ্জ এক্সপ্রেসের যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগ ও দগ্ধ হয়ে এক যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার সকল আসামী খালাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৪:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার বদিকোনায় হবিগঞ্জ এক্সপ্রেসের যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগ ও দগ্ধ হয়ে এক যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার সকল আসামী খালাস পেয়েছেন।

প্রায় ১৪ বছর পর মঙ্গলবার মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ রায় প্রদান করেন। বিচারক মামলার ৩৮ আসামীর সবাইকে খালাস প্রদান করেন।
অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহত কাজী নাসির (৭০) চিত্রনায়িকা শাবনূরের বাবা বলে ওই সময় প্রচার হয়। জোস্ন্যা আক্তার নামের এক নারী কাজী নাসিরের দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি কওে এ তথ্য জানান।

ওই মামলার আসামীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বিএনপির তৎকালীন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এম. ইলিয়াস আলী, সহ-স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান, বিএনপি নেতা এটিএম ফয়েজ, মহানগর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত সাদেক, সিলেট জেলা যুবদলের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক শাকিল মোর্শেদ, নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনার, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কোহিনুর আহমদ ও বিএনপি নেতা ফখরুল ইসলাম ফারুক।

আসামী পক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত ও অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলা সূত্র জানায়, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তৎকালীন সরকার বিরোধী আন্দোলন চলাকালে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমার বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ এক্সপ্রেসের একটি বাসে আগুন দেয়া হয়। এ ঘটনায় বাসের যাত্রী এক বৃদ্ধ নিহত হন। পরিচয় সনাক্ত করতে না পারায় বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় দক্ষিণ সুরমা থানায় হত্যা ও নাশকতার অভিযোগে দুটি মামলা দায়ের হয়।

দাফনের ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি জ্যোস্না আক্তার নামের এক নারী এসে নিহত ওই ব্যক্তিকে নিজের স্বামী দাবি করেন। তিনি দাবি করেন ওই ব্যক্তির নাম কাজী নাসির। তিনি চিত্রনায়িকা শাবনুরের বাবা। কাজী নাসিরের দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে নিজেকে দাবি করেন জ্যোস্না।

জোৎস্না পুলিশকে জানিয়েছিলেন, নাসির তিনটি বিয়ে করেছেন। তার প্রথম স্ত্রী শাবনুরের মা। সর্বশেষ মৌলভীবাজারে স্বপ্না বেগম নামে এক জনকে বিয়ে করেন নাসির।

জোৎস্না বেগম জানান, মৌলভীবাজার ও সিলেটে একটি গানের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গত ১৪ ডিসেম্বর নাসির বাড়ি থেকে রওনা হন। ১৮ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারের অনুষ্ঠান শেষে তিনি সিলেটে আসছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে ‘হবিগঞ্জ এক্সপ্রেসের যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগ ও দগ্ধ হয়ে এক যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার সকল আসামী খালাস

আপডেট সময় : ০৪:১৪:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার বদিকোনায় হবিগঞ্জ এক্সপ্রেসের যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগ ও দগ্ধ হয়ে এক যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার সকল আসামী খালাস পেয়েছেন।

প্রায় ১৪ বছর পর মঙ্গলবার মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ রায় প্রদান করেন। বিচারক মামলার ৩৮ আসামীর সবাইকে খালাস প্রদান করেন।
অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহত কাজী নাসির (৭০) চিত্রনায়িকা শাবনূরের বাবা বলে ওই সময় প্রচার হয়। জোস্ন্যা আক্তার নামের এক নারী কাজী নাসিরের দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি কওে এ তথ্য জানান।

ওই মামলার আসামীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বিএনপির তৎকালীন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এম. ইলিয়াস আলী, সহ-স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান, বিএনপি নেতা এটিএম ফয়েজ, মহানগর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত সাদেক, সিলেট জেলা যুবদলের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক শাকিল মোর্শেদ, নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনার, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কোহিনুর আহমদ ও বিএনপি নেতা ফখরুল ইসলাম ফারুক।

আসামী পক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত ও অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলা সূত্র জানায়, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তৎকালীন সরকার বিরোধী আন্দোলন চলাকালে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমার বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ এক্সপ্রেসের একটি বাসে আগুন দেয়া হয়। এ ঘটনায় বাসের যাত্রী এক বৃদ্ধ নিহত হন। পরিচয় সনাক্ত করতে না পারায় বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় দক্ষিণ সুরমা থানায় হত্যা ও নাশকতার অভিযোগে দুটি মামলা দায়ের হয়।

দাফনের ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি জ্যোস্না আক্তার নামের এক নারী এসে নিহত ওই ব্যক্তিকে নিজের স্বামী দাবি করেন। তিনি দাবি করেন ওই ব্যক্তির নাম কাজী নাসির। তিনি চিত্রনায়িকা শাবনুরের বাবা। কাজী নাসিরের দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে নিজেকে দাবি করেন জ্যোস্না।

জোৎস্না পুলিশকে জানিয়েছিলেন, নাসির তিনটি বিয়ে করেছেন। তার প্রথম স্ত্রী শাবনুরের মা। সর্বশেষ মৌলভীবাজারে স্বপ্না বেগম নামে এক জনকে বিয়ে করেন নাসির।

জোৎস্না বেগম জানান, মৌলভীবাজার ও সিলেটে একটি গানের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গত ১৪ ডিসেম্বর নাসির বাড়ি থেকে রওনা হন। ১৮ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারের অনুষ্ঠান শেষে তিনি সিলেটে আসছিলেন।