সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দলের সাক্ষাৎ সিলেট নগরীতে সড়ক ও জনপথ সব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পর্যায়ক্রমে এ গ্রেডে উন্নীত করা হবে- এমপি মুক্তাদির জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা মহোৎসবের আলোচনা সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে- ডা. শফিকুর রহমান সিলেটে বেসরকারি হাসপাতাল ও একটি হোটেলকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা সিলেটের সেফওয়ে সিলগালা, স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোক সতর্কবার্তা সিলেট র‌্যাবের অভিযানে পুলিশের টিয়ারগ্যাস গ্রেনেড উদ্ধার চীন রেললাইনকে ডুয়েলগেজ রেললাইনে রূপান্তর প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ সিলেট মহানগরীর বাদামবাগিচা এলাকা পরিদর্শনে (সিসিক)কাইয়ুম চৌধুরী সিলেটে নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ সারোয়ার

বয়স পঞ্চাশের পরও ফিট থাকতে হলে যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১০৩ বার পড়া হয়েছে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

৫০ বছর পার হওয়ার পর শরীরে স্বাভাবিকভাবেই কিছু পরিবর্তন আসে। হজম ক্ষমতা কমে যায়, মেটাবলিজম ধীর হয় এবং নানা ধরনের দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এ সময় অনেকেই হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা বাতের সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন। তাই সুস্থ থাকতে হলে খাদ্যাভ্যাসে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

পুষ্টিবিদদের মতে, এই বয়সে শুধু কী খাবেন তা নয়, বরং কী খাবেন না—সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কিছু খাবার নিয়মিত খেলে শরীরে প্রদাহ, কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ বাড়তে পারে, যা বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

প্রক্রিয়াজাত খাবার

প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেটজাত খাবারে সাধারণত অতিরিক্ত চিনি, লবণ, কৃত্রিম রং, প্রিজারভেটিভ ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। এসব উপাদান শরীরে চর্বি জমাতে সাহায্য করে এবং হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ায়। পাশাপাশি এগুলো হজমে সমস্যা ও মানসিক চাপও বাড়াতে পারে।

রেড মিট

গরু বা খাসির মাংসের মতো রেড মিটে স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে নিয়মিত বেশি খেলে হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া এতে ফাইবারের অভাব থাকায় শরীরের পুষ্টির ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো।

পরিশোধিত ময়দার তৈরি খাবার

ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার যেমন—পাউরুটি, কেক, বিস্কুট বা ফাস্টফুডে ফাইবার কম থাকে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হজম ক্ষমতা কমে যাওয়ায় এসব খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করে। এছাড়া অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেটের কারণে ওজন বাড়া, কোলেস্টেরল বৃদ্ধি ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তৈরি হয়।  

ভাজা ও তেলযুক্ত খাবার

ভাজাপোড়া খাবারে তেল ও চর্বির পরিমাণ বেশি থাকে, যা কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং রক্তনালিতে ব্লক তৈরি করতে পারে। এসব খাবার নিয়মিত খেলে ওজন বৃদ্ধি, হজমের সমস্যা এবং শরীরে প্রদাহের মাত্রা বাড়ে। এমনকি ঘুমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

অতিরিক্ত লবণ

অতিরিক্ত লবণ বা সোডিয়াম গ্রহণ করলে রক্তচাপ বেড়ে যায়, যা হৃদরোগের বড় কারণ। এছাড়া এটি কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করে এবং হাড়ের ক্যালসিয়াম কমিয়ে দিতে পারে। বেশি লবণ খেলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি ও শরীরে ফোলাভাবের সমস্যাও হতে পারে।

সব মিলিয়ে, ৫০ বছরের পর সুস্থ থাকতে হলে খাদ্যতালিকায় সুষম ও পুষ্টিকর খাবার রাখা জরুরি এবং ক্ষতিকর খাবারগুলো যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসই এই বয়সে ভালো থাকার সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বয়স পঞ্চাশের পরও ফিট থাকতে হলে যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক

৫০ বছর পার হওয়ার পর শরীরে স্বাভাবিকভাবেই কিছু পরিবর্তন আসে। হজম ক্ষমতা কমে যায়, মেটাবলিজম ধীর হয় এবং নানা ধরনের দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এ সময় অনেকেই হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা বাতের সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন। তাই সুস্থ থাকতে হলে খাদ্যাভ্যাসে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

পুষ্টিবিদদের মতে, এই বয়সে শুধু কী খাবেন তা নয়, বরং কী খাবেন না—সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কিছু খাবার নিয়মিত খেলে শরীরে প্রদাহ, কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ বাড়তে পারে, যা বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

প্রক্রিয়াজাত খাবার

প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেটজাত খাবারে সাধারণত অতিরিক্ত চিনি, লবণ, কৃত্রিম রং, প্রিজারভেটিভ ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। এসব উপাদান শরীরে চর্বি জমাতে সাহায্য করে এবং হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ায়। পাশাপাশি এগুলো হজমে সমস্যা ও মানসিক চাপও বাড়াতে পারে।

রেড মিট

গরু বা খাসির মাংসের মতো রেড মিটে স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে নিয়মিত বেশি খেলে হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া এতে ফাইবারের অভাব থাকায় শরীরের পুষ্টির ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো।

পরিশোধিত ময়দার তৈরি খাবার

ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার যেমন—পাউরুটি, কেক, বিস্কুট বা ফাস্টফুডে ফাইবার কম থাকে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হজম ক্ষমতা কমে যাওয়ায় এসব খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করে। এছাড়া অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেটের কারণে ওজন বাড়া, কোলেস্টেরল বৃদ্ধি ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তৈরি হয়।  

ভাজা ও তেলযুক্ত খাবার

ভাজাপোড়া খাবারে তেল ও চর্বির পরিমাণ বেশি থাকে, যা কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং রক্তনালিতে ব্লক তৈরি করতে পারে। এসব খাবার নিয়মিত খেলে ওজন বৃদ্ধি, হজমের সমস্যা এবং শরীরে প্রদাহের মাত্রা বাড়ে। এমনকি ঘুমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

অতিরিক্ত লবণ

অতিরিক্ত লবণ বা সোডিয়াম গ্রহণ করলে রক্তচাপ বেড়ে যায়, যা হৃদরোগের বড় কারণ। এছাড়া এটি কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করে এবং হাড়ের ক্যালসিয়াম কমিয়ে দিতে পারে। বেশি লবণ খেলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি ও শরীরে ফোলাভাবের সমস্যাও হতে পারে।

সব মিলিয়ে, ৫০ বছরের পর সুস্থ থাকতে হলে খাদ্যতালিকায় সুষম ও পুষ্টিকর খাবার রাখা জরুরি এবং ক্ষতিকর খাবারগুলো যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসই এই বয়সে ভালো থাকার সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি।