সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান হবিগঞ্জ বহুলায় ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মায়ের প্রতি অবহেলার অভিযোগে যুগ্ম সচিব আনিসুর রহমানকে প্রত্যাহার বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চায় যু’ক্তরাষ্ট্র সিলেটে হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ করবে চীন- আরিফ জরুরী মুহুর্তসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা নিতে আসা রোগীদের দ্রুত ও নিরবিচ্ছিন্ন সেবা প্রদানের নির্দেশ- এমপি লুনা সিলেট বিভিন্ন অপরাধে অপরাধে গ্রেফতার ৬২, ১৪৫টি যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা বিয়ানীবাজারে শিশুকে বলাৎকার অভিযোগে আটক ১ সিলেট ডায়াবেটিক হাসপাতাল এই অঞ্চলের সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের ডায়াবেটিস চিকিৎসার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল- মন্ত্রী আরিফ

বয়স পঞ্চাশের পরও ফিট থাকতে হলে যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ৪২ বার পড়া হয়েছে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

৫০ বছর পার হওয়ার পর শরীরে স্বাভাবিকভাবেই কিছু পরিবর্তন আসে। হজম ক্ষমতা কমে যায়, মেটাবলিজম ধীর হয় এবং নানা ধরনের দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এ সময় অনেকেই হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা বাতের সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন। তাই সুস্থ থাকতে হলে খাদ্যাভ্যাসে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

পুষ্টিবিদদের মতে, এই বয়সে শুধু কী খাবেন তা নয়, বরং কী খাবেন না—সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কিছু খাবার নিয়মিত খেলে শরীরে প্রদাহ, কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ বাড়তে পারে, যা বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

প্রক্রিয়াজাত খাবার

প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেটজাত খাবারে সাধারণত অতিরিক্ত চিনি, লবণ, কৃত্রিম রং, প্রিজারভেটিভ ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। এসব উপাদান শরীরে চর্বি জমাতে সাহায্য করে এবং হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ায়। পাশাপাশি এগুলো হজমে সমস্যা ও মানসিক চাপও বাড়াতে পারে।

রেড মিট

গরু বা খাসির মাংসের মতো রেড মিটে স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে নিয়মিত বেশি খেলে হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া এতে ফাইবারের অভাব থাকায় শরীরের পুষ্টির ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো।

পরিশোধিত ময়দার তৈরি খাবার

ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার যেমন—পাউরুটি, কেক, বিস্কুট বা ফাস্টফুডে ফাইবার কম থাকে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হজম ক্ষমতা কমে যাওয়ায় এসব খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করে। এছাড়া অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেটের কারণে ওজন বাড়া, কোলেস্টেরল বৃদ্ধি ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তৈরি হয়।  

ভাজা ও তেলযুক্ত খাবার

ভাজাপোড়া খাবারে তেল ও চর্বির পরিমাণ বেশি থাকে, যা কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং রক্তনালিতে ব্লক তৈরি করতে পারে। এসব খাবার নিয়মিত খেলে ওজন বৃদ্ধি, হজমের সমস্যা এবং শরীরে প্রদাহের মাত্রা বাড়ে। এমনকি ঘুমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

অতিরিক্ত লবণ

অতিরিক্ত লবণ বা সোডিয়াম গ্রহণ করলে রক্তচাপ বেড়ে যায়, যা হৃদরোগের বড় কারণ। এছাড়া এটি কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করে এবং হাড়ের ক্যালসিয়াম কমিয়ে দিতে পারে। বেশি লবণ খেলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি ও শরীরে ফোলাভাবের সমস্যাও হতে পারে।

সব মিলিয়ে, ৫০ বছরের পর সুস্থ থাকতে হলে খাদ্যতালিকায় সুষম ও পুষ্টিকর খাবার রাখা জরুরি এবং ক্ষতিকর খাবারগুলো যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসই এই বয়সে ভালো থাকার সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বয়স পঞ্চাশের পরও ফিট থাকতে হলে যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক

৫০ বছর পার হওয়ার পর শরীরে স্বাভাবিকভাবেই কিছু পরিবর্তন আসে। হজম ক্ষমতা কমে যায়, মেটাবলিজম ধীর হয় এবং নানা ধরনের দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এ সময় অনেকেই হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা বাতের সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন। তাই সুস্থ থাকতে হলে খাদ্যাভ্যাসে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

পুষ্টিবিদদের মতে, এই বয়সে শুধু কী খাবেন তা নয়, বরং কী খাবেন না—সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কিছু খাবার নিয়মিত খেলে শরীরে প্রদাহ, কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ বাড়তে পারে, যা বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

প্রক্রিয়াজাত খাবার

প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেটজাত খাবারে সাধারণত অতিরিক্ত চিনি, লবণ, কৃত্রিম রং, প্রিজারভেটিভ ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। এসব উপাদান শরীরে চর্বি জমাতে সাহায্য করে এবং হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ায়। পাশাপাশি এগুলো হজমে সমস্যা ও মানসিক চাপও বাড়াতে পারে।

রেড মিট

গরু বা খাসির মাংসের মতো রেড মিটে স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে নিয়মিত বেশি খেলে হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া এতে ফাইবারের অভাব থাকায় শরীরের পুষ্টির ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো।

পরিশোধিত ময়দার তৈরি খাবার

ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার যেমন—পাউরুটি, কেক, বিস্কুট বা ফাস্টফুডে ফাইবার কম থাকে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হজম ক্ষমতা কমে যাওয়ায় এসব খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করে। এছাড়া অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেটের কারণে ওজন বাড়া, কোলেস্টেরল বৃদ্ধি ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তৈরি হয়।  

ভাজা ও তেলযুক্ত খাবার

ভাজাপোড়া খাবারে তেল ও চর্বির পরিমাণ বেশি থাকে, যা কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং রক্তনালিতে ব্লক তৈরি করতে পারে। এসব খাবার নিয়মিত খেলে ওজন বৃদ্ধি, হজমের সমস্যা এবং শরীরে প্রদাহের মাত্রা বাড়ে। এমনকি ঘুমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

অতিরিক্ত লবণ

অতিরিক্ত লবণ বা সোডিয়াম গ্রহণ করলে রক্তচাপ বেড়ে যায়, যা হৃদরোগের বড় কারণ। এছাড়া এটি কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করে এবং হাড়ের ক্যালসিয়াম কমিয়ে দিতে পারে। বেশি লবণ খেলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি ও শরীরে ফোলাভাবের সমস্যাও হতে পারে।

সব মিলিয়ে, ৫০ বছরের পর সুস্থ থাকতে হলে খাদ্যতালিকায় সুষম ও পুষ্টিকর খাবার রাখা জরুরি এবং ক্ষতিকর খাবারগুলো যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসই এই বয়সে ভালো থাকার সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি।