সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান হবিগঞ্জ বহুলায় ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মায়ের প্রতি অবহেলার অভিযোগে যুগ্ম সচিব আনিসুর রহমানকে প্রত্যাহার বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চায় যু’ক্তরাষ্ট্র সিলেটে হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ করবে চীন- আরিফ জরুরী মুহুর্তসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা নিতে আসা রোগীদের দ্রুত ও নিরবিচ্ছিন্ন সেবা প্রদানের নির্দেশ- এমপি লুনা সিলেট বিভিন্ন অপরাধে অপরাধে গ্রেফতার ৬২, ১৪৫টি যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা বিয়ানীবাজারে শিশুকে বলাৎকার অভিযোগে আটক ১ সিলেট ডায়াবেটিক হাসপাতাল এই অঞ্চলের সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের ডায়াবেটিস চিকিৎসার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল- মন্ত্রী আরিফ

হার্ট ভালো রাখতে বাদ দেবেন ৪ খাবার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ৩৭ বার পড়া হয়েছে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

সুস্থ থাকতে হলে শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ—হৃদ্‌যন্ত্রের যত্ন নেওয়া জরুরি। আর হার্ট ভালো রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের কোনো বিকল্প নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু খাবার নিয়মিত খেলে হৃদরোগসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

কার্ডিওথোরাসিক সার্জন ডা. জেরেমি লন্ডন জানিয়েছেন, বর্তমানে অনেকের খাদ্যাভ্যাস ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ছে, যা হৃদরোগ, মেটাবলিক সমস্যা এমনকি ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়ায়। তাই দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে কিছু খাবার কম খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

১. অ্যালকোহল

অতিরিক্ত অ্যালকোহল হার্টের জন্য ক্ষতিকর। এটি রক্তচাপ বাড়ায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

২. প্রসেসড মাংস

হট ডগ, সসেজ ও ডেলি মিটসের মতো প্রসেসড মাংসে অতিরিক্ত লবণ ও প্রিজারভেটিভ থাকে, যা হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

৩. চিনিযুক্ত পানীয়

সফট ড্রিংকসহ নানা চিনিযুক্ত পানীয়তে থাকে ‘ফাঁকা ক্যালরি’। এগুলো পেট ভরায় না, বরং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা বাড়ায় এবং ওজন বৃদ্ধি করে—যা হার্টের জন্য ক্ষতিকর।  

৪. স্যাচুরেটেড ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার

অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস, মাখন ও ফুল-ফ্যাট দুগ্ধজাত খাবারে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকে, যা কোলেস্টেরল বাড়িয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি তৈরি করে।

বিশেষজ্ঞের মতে, সবসময় কঠোর ডায়েট মেনে চলা বাস্তবসম্মত নয়। তাই একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলাই সবচেয়ে কার্যকর। ডা. জেরেমি লন্ডন বলেন, ৮০ শতাংশ সময় স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পারলেই সেটি সফলতা হিসেবে ধরা যায়।

সবশেষে বলা যায়, সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন পেতে প্রয়োজন সচেতনতা ও পরিমিতি। কোনো খাবার পুরোপুরি বাদ না দিয়ে, বরং ক্ষতিকর খাবার কমিয়ে এবং খাদ্যতালিকায় ভারসাম্য বজায় রাখাই হার্ট ভালো রাখার মূল চাবিকাঠি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হার্ট ভালো রাখতে বাদ দেবেন ৪ খাবার

আপডেট সময় : ০৩:৩৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক

সুস্থ থাকতে হলে শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ—হৃদ্‌যন্ত্রের যত্ন নেওয়া জরুরি। আর হার্ট ভালো রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের কোনো বিকল্প নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু খাবার নিয়মিত খেলে হৃদরোগসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

কার্ডিওথোরাসিক সার্জন ডা. জেরেমি লন্ডন জানিয়েছেন, বর্তমানে অনেকের খাদ্যাভ্যাস ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ছে, যা হৃদরোগ, মেটাবলিক সমস্যা এমনকি ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়ায়। তাই দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে কিছু খাবার কম খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

১. অ্যালকোহল

অতিরিক্ত অ্যালকোহল হার্টের জন্য ক্ষতিকর। এটি রক্তচাপ বাড়ায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

২. প্রসেসড মাংস

হট ডগ, সসেজ ও ডেলি মিটসের মতো প্রসেসড মাংসে অতিরিক্ত লবণ ও প্রিজারভেটিভ থাকে, যা হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

৩. চিনিযুক্ত পানীয়

সফট ড্রিংকসহ নানা চিনিযুক্ত পানীয়তে থাকে ‘ফাঁকা ক্যালরি’। এগুলো পেট ভরায় না, বরং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা বাড়ায় এবং ওজন বৃদ্ধি করে—যা হার্টের জন্য ক্ষতিকর।  

৪. স্যাচুরেটেড ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার

অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস, মাখন ও ফুল-ফ্যাট দুগ্ধজাত খাবারে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকে, যা কোলেস্টেরল বাড়িয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি তৈরি করে।

বিশেষজ্ঞের মতে, সবসময় কঠোর ডায়েট মেনে চলা বাস্তবসম্মত নয়। তাই একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলাই সবচেয়ে কার্যকর। ডা. জেরেমি লন্ডন বলেন, ৮০ শতাংশ সময় স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পারলেই সেটি সফলতা হিসেবে ধরা যায়।

সবশেষে বলা যায়, সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন পেতে প্রয়োজন সচেতনতা ও পরিমিতি। কোনো খাবার পুরোপুরি বাদ না দিয়ে, বরং ক্ষতিকর খাবার কমিয়ে এবং খাদ্যতালিকায় ভারসাম্য বজায় রাখাই হার্ট ভালো রাখার মূল চাবিকাঠি।