সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান নাতি-নাতনিদের সঙ্গ বাড়াতে পারে আয়ু, মানতে হবে যেসব শর্ত শনিবার থেকে সব বাসে জিপিএস বাধ্যতামূলক ইউপি নির্বাচনে এসএসসি-এইচএসসি সনদ বাধ্যতামূলক হয়েছে কিনা, যা জানা গেল এমএসএফের প্রতিবেদন জুলাইয়ে বেড়েছে ধর্ষণ ও আত্মহত্যা সিলেটে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ ফোরামের আলোচনা সভা সম্পন্ন ‘ইউথহাব সিলেট’র উদ্যোগে অসহায়দের মধ্যে খাবার বিতরণ এসপিএসের তৃতীয় জাতীয় আলোকচিত্র প্রদর্শনী সিলেট-সুনামগঞ্জ-মোহনগঞ্জ রেলপথ বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের আত্ম প্রকাশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন ‘‌জাতীয় অতিথি ও প্রশাসনের অংশগ্রহণে রথযাত্রা মহামিলনমেলায় পরিণত’ সরকারে ৫ মাসেই তারেক রহমান, দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়েছেন- সিলেটে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী

হবিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সেনা-পুলিশের টহলে পালিয়েছে দালাল চক্র

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫ ১১১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

ভোগান্তির অপর নাম হবিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস। অফিসটিতে সেবার চেয়ে ভোগান্তিই বেশি বলে অভিযোগ করেন সেবা নিতে আসা ভোক্তভূগীরা।

আর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে রয়েছে ঘুষ, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ। ফলে ভোগান্তির অপর নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে হবিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস। এ ছাড়া অফিসটিতে দালাল ও অসাধু কর্মকর্তা, কর্মচারীদের দখলে।

গতকাল এ নিয়ে স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে সেনাবাহিনী ও পুলিশ টহল দিয়েছে। যে কারণে অধিকাংশ দালাল গা ঢাকা দেয়। গ্রাহকদের অভিযোগ এখানে দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়া ভেতরে প্রবেশ করা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে।

আর ভেতরে ঢুকলেও নানা অজুহাত শুনতে হয়। পুলিশ ভেরিফিকেশন, জন্মনিবন্ধন সনদ ও সত্যায়িত করার সিল সবই এখন আছে দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে। দরকার শুধু টাকা। পকেট টাকা ঢুকিয়ে দিলেই দ্রুত হয়ে যায় পাসপোর্ট। আর না দিলে ঘুরতে হয় মাসের পর মাস।

দালাল ছাড়া সাধারণ গ্রাহকরা নিয়মানুসারে আবেদন করে মাসের পর মাস অপো করেও পাচ্ছেন না তাদের কাঙ্খিত পাসপোর্ট সেবা। হবিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের প্রতিদিনকার খুবই পরিচিত চিত্র এটি। সূত্র জানায়, দালালদের মাধ্যমে জমাকৃত প্রতিটি পাসপোর্টের গায়ে বিভিন্ন সংকেত দেওয়া থাকে যা তারা সহজেই বুঝে নিচ্ছেন এটি কার জমা। জমার পর অফিস শেষে কোনো এক সময়ে পৌঁছে দেওয়া হয় অফিস খরচ নামে কর্মকর্তাদের ভাগের টাকা। গ্রাহকরা

অভিযোগ করেন, আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রাপ্তবয়স্করা জাতীয় পরিচয়পত্র আর অপ্রাপ্তবয়স্করা জন্মনিবন্ধন দেবেন। এ রকম নানা অজুহাতে সেবা নিতে আসা লোকজনকে হয়রানি করা হচ্ছে দিনের পর দিন। আর দালালদের একটি চক্র ওই অফিসের সামনে এবং আশপাশে রীতিমতো স্থায়ী ঘাঁটি বানিয়ে বসেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একের পর এক অনিয়মের শিকার হলেও এসবের প্রতিবাদ করতে সাহস করতে পারছে না সাধারণ গ্রাহকরা। যদি কেউ ভুল করে প্রতিবাদ করেন, তবে তাকে নানা ধরনের হেনস্থা হতে হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হবিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সেনা-পুলিশের টহলে পালিয়েছে দালাল চক্র

আপডেট সময় : ০২:৩৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার :

ভোগান্তির অপর নাম হবিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস। অফিসটিতে সেবার চেয়ে ভোগান্তিই বেশি বলে অভিযোগ করেন সেবা নিতে আসা ভোক্তভূগীরা।

আর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে রয়েছে ঘুষ, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ। ফলে ভোগান্তির অপর নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে হবিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস। এ ছাড়া অফিসটিতে দালাল ও অসাধু কর্মকর্তা, কর্মচারীদের দখলে।

গতকাল এ নিয়ে স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে সেনাবাহিনী ও পুলিশ টহল দিয়েছে। যে কারণে অধিকাংশ দালাল গা ঢাকা দেয়। গ্রাহকদের অভিযোগ এখানে দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়া ভেতরে প্রবেশ করা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে।

আর ভেতরে ঢুকলেও নানা অজুহাত শুনতে হয়। পুলিশ ভেরিফিকেশন, জন্মনিবন্ধন সনদ ও সত্যায়িত করার সিল সবই এখন আছে দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে। দরকার শুধু টাকা। পকেট টাকা ঢুকিয়ে দিলেই দ্রুত হয়ে যায় পাসপোর্ট। আর না দিলে ঘুরতে হয় মাসের পর মাস।

দালাল ছাড়া সাধারণ গ্রাহকরা নিয়মানুসারে আবেদন করে মাসের পর মাস অপো করেও পাচ্ছেন না তাদের কাঙ্খিত পাসপোর্ট সেবা। হবিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের প্রতিদিনকার খুবই পরিচিত চিত্র এটি। সূত্র জানায়, দালালদের মাধ্যমে জমাকৃত প্রতিটি পাসপোর্টের গায়ে বিভিন্ন সংকেত দেওয়া থাকে যা তারা সহজেই বুঝে নিচ্ছেন এটি কার জমা। জমার পর অফিস শেষে কোনো এক সময়ে পৌঁছে দেওয়া হয় অফিস খরচ নামে কর্মকর্তাদের ভাগের টাকা। গ্রাহকরা

অভিযোগ করেন, আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রাপ্তবয়স্করা জাতীয় পরিচয়পত্র আর অপ্রাপ্তবয়স্করা জন্মনিবন্ধন দেবেন। এ রকম নানা অজুহাতে সেবা নিতে আসা লোকজনকে হয়রানি করা হচ্ছে দিনের পর দিন। আর দালালদের একটি চক্র ওই অফিসের সামনে এবং আশপাশে রীতিমতো স্থায়ী ঘাঁটি বানিয়ে বসেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একের পর এক অনিয়মের শিকার হলেও এসবের প্রতিবাদ করতে সাহস করতে পারছে না সাধারণ গ্রাহকরা। যদি কেউ ভুল করে প্রতিবাদ করেন, তবে তাকে নানা ধরনের হেনস্থা হতে হচ্ছে।