সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি হবিগঞ্জ বাহুবল-রাজাপুর সড়ক সংস্কারে অনিয়ম সিলেট হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু সিলেট পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ১৭১ সিলেট চোরাই পণ্য বালুর ট্রাক ও প্রাইভেট কারসহ আটক ১ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৪

চুনারুঘাটে কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৬:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫ ৯৩ বার পড়া হয়েছে

চুনারুঘাট প্রতিনিধি :

চুনারুঘাটে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলার চান্দপুর সতং সড়কে ৪ টি বিদ্যুৎ এর খুঁটি উপড়ে পড়ে গেছে। এতে বাগানসহ উপজেলার দেিণ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ আছে। একই সময়ে সাতছড়ি সড়কের চন্ডীছড়া চা বাগান এলাকায় ঝড়ের সময় গাছ ভেঙ্গে একটি নোহা গাড়ির উপর পড়ে যায়। এতে চালকসহ ৩ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া, বজ্রপাতে উপজেলার ১০নং মিরাশী ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামে কৃষি জমিতে কাজ করতে গিয়ে মর্তুজ আলী 

(৩৫) নামে এক কৃষক নিহত হযেছে। সে ওই গ্রামের ইব্রাহিম উল্লার ছেলে। অপরদিকে বজ্রপাতে গাদিশাইল গ্রামের ফারুক মিয়ার একটি গাভীসহ বাছুর মারা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেল ৩টার দিকে আকস্মিক ঝড় ও বজ্রপাত শুরু হলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ঝড়ে বেশ কিছু গাছপালা উপড়ে পড়ে এবং বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে। ফলে একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করে চুনারুঘাট থানার ওসি নুর আলম বলেন, কৃষি জমিতে বজ্রপাতে একজন মারা যাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া জানান, 

ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়েছে এবং জনসাধারণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। চুনারুঘাট উপজেলা কৃষি অফিসার মাহিদুল ইসলাম বলেন, সব সময়ই কৃষকদের বজ্রপাতের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে হাওরে যেতে বলা হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগে কৃষকের মধ্যে ধান কাটা শেষ করার তাড়া থাকায় তাঁরা ঝুঁকি নিয়ে হাওরে যান। এ কারণে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চুনারুঘাটে কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

আপডেট সময় : ০১:৪৬:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫

চুনারুঘাট প্রতিনিধি :

চুনারুঘাটে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলার চান্দপুর সতং সড়কে ৪ টি বিদ্যুৎ এর খুঁটি উপড়ে পড়ে গেছে। এতে বাগানসহ উপজেলার দেিণ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ আছে। একই সময়ে সাতছড়ি সড়কের চন্ডীছড়া চা বাগান এলাকায় ঝড়ের সময় গাছ ভেঙ্গে একটি নোহা গাড়ির উপর পড়ে যায়। এতে চালকসহ ৩ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া, বজ্রপাতে উপজেলার ১০নং মিরাশী ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামে কৃষি জমিতে কাজ করতে গিয়ে মর্তুজ আলী 

(৩৫) নামে এক কৃষক নিহত হযেছে। সে ওই গ্রামের ইব্রাহিম উল্লার ছেলে। অপরদিকে বজ্রপাতে গাদিশাইল গ্রামের ফারুক মিয়ার একটি গাভীসহ বাছুর মারা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেল ৩টার দিকে আকস্মিক ঝড় ও বজ্রপাত শুরু হলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ঝড়ে বেশ কিছু গাছপালা উপড়ে পড়ে এবং বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে। ফলে একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করে চুনারুঘাট থানার ওসি নুর আলম বলেন, কৃষি জমিতে বজ্রপাতে একজন মারা যাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া জানান, 

ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়েছে এবং জনসাধারণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। চুনারুঘাট উপজেলা কৃষি অফিসার মাহিদুল ইসলাম বলেন, সব সময়ই কৃষকদের বজ্রপাতের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে হাওরে যেতে বলা হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগে কৃষকের মধ্যে ধান কাটা শেষ করার তাড়া থাকায় তাঁরা ঝুঁকি নিয়ে হাওরে যান। এ কারণে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।