সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শ্রমিক আন্দোলনের ছবি তুললেই হামলা, কারণ কী? ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, সবচেয়ে বেশি রোগী ঢাকা বিভাগে সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিকদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ সিলেটে আরও একজনের প্রাণ হানি পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রে প্তা রি পরোয়ানা সিলেটে ৫ বছরে সব রাস্তা পাকাকরণের আশ্বাস – সিসিক প্রশাসক সিলেট জৈন্তাপুরে ৬৮ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার, আটক ৩ সিলেট ৪১ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসকনগরীর কোনো রাস্তা কাঁচা থাকবে না

আগামী নির্বাচনে আমি অংশ নেব-রেজা কিবরিয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৯:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫ ১৮০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়ার ছেলে অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়ার বলেছেন, নির্বাচন হলে আমি ভোট করবো। তবে নির্বাচন যে খুব তাড়াতাড়ি হবে- সেটা আমার মনে হয় না। ভেতরের খবর আমি যতটুকু পাচ্ছি, তাতে খুব তাড়াতাড়ি নির্বাচন দেওয়ার পরিকল্পনা অন্তর্বর্তী সরকারের নেই। সম্প্রতি সাংবাদিকদের-কে এসব কথা বলেন।

গণঅধিকার পরিষদের একাংশের সাবেক এই সভাপতি বলেন, ছাত্রনেতারা একটা নতুন দল তৈরি করতে চান এবং সেই দলটা নির্বাচন করে জিতে আসবে— এই আশায় তারা বসে আছেন। তাদের জন্য শুভকামনা। তবে এটা খুবই কঠিন একটা বিষয়। এটা মোটেও ছেলেখেলা নয়। তারা হয়তো বিষয়টাকে একটা জোকসের মত ভেবেছে। বাংলাদেশে একটা রাজনৈতিক দল গঠন করে আবার সেই দলকে ক্ষমতায় আনা অনেক কষ্টের ব্যাপার।

সমন্বয়কদের ঘিরে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিষয়ে রেজা কিবরিয়া বলেন, তাদের নিয়ে সমালোচনা তো হবে। শুধু সমালোচনা নয়, সমন্বয়কদের মধ্যেই মারামারি হবে। এটা খুব স্বাভাবিক। কেননা, যেখানে তাদের কারো কোনো বৈধ আয়ের উৎস নাই। তারা কোনোদিন চাকরি করেননি, তারা প্রতিষ্ঠিত কোনো ব্যবসায়ীর ছেলে না, তাদের কোনো টাকা নাই। এক গ্রুপের সঙ্গে যখন অন্য গ্রুপের চাঁদা নিয়ে প্রতিযোগিতা হবে তখন তো মারামারি হবেই। আমি খুব বেশি জানি না। কিন্তু আমি এসব প্রতিনিয়তই দেখতে পাচ্ছি।

ড. কিবরিয়া বলেন, আপনি দেখেন একটা মানুষের কোনো বৈধ আয়ের কোনো উৎস নাই। চাকরি করেন না। এখন তিনি যদি একটা গাড়ি কিনেন তাহলে বিষয়টা নিয়ে তো প্রশ্ন উঠবেই। আমি ৪০ বছর পর বিদেশ থেকে এসেছি। আইএমএফ, বিশ্বব্যাংকসহ বিশ্বের বড় বড় জায়গায় চাকরি করেছি। আমি পারি এমন এটা গাড়ি কিনতে। কিন্তু যে টিউশনি ছাড়া কোনো কাজ করেনি জীবনে তিনি এখন দামি দামি গাড়ি চালান, কিনেন। সাধারণ মানুষ গরিব হতে পারে, অশিক্ষিত হতে পারে কিন্তু তারা বোবা না। তারা এসব কিছুই বোঝে- কে কী করছে, কী করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আগামী নির্বাচনে আমি অংশ নেব-রেজা কিবরিয়া

আপডেট সময় : ০১:৫৯:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার :

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়ার ছেলে অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়ার বলেছেন, নির্বাচন হলে আমি ভোট করবো। তবে নির্বাচন যে খুব তাড়াতাড়ি হবে- সেটা আমার মনে হয় না। ভেতরের খবর আমি যতটুকু পাচ্ছি, তাতে খুব তাড়াতাড়ি নির্বাচন দেওয়ার পরিকল্পনা অন্তর্বর্তী সরকারের নেই। সম্প্রতি সাংবাদিকদের-কে এসব কথা বলেন।

গণঅধিকার পরিষদের একাংশের সাবেক এই সভাপতি বলেন, ছাত্রনেতারা একটা নতুন দল তৈরি করতে চান এবং সেই দলটা নির্বাচন করে জিতে আসবে— এই আশায় তারা বসে আছেন। তাদের জন্য শুভকামনা। তবে এটা খুবই কঠিন একটা বিষয়। এটা মোটেও ছেলেখেলা নয়। তারা হয়তো বিষয়টাকে একটা জোকসের মত ভেবেছে। বাংলাদেশে একটা রাজনৈতিক দল গঠন করে আবার সেই দলকে ক্ষমতায় আনা অনেক কষ্টের ব্যাপার।

সমন্বয়কদের ঘিরে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিষয়ে রেজা কিবরিয়া বলেন, তাদের নিয়ে সমালোচনা তো হবে। শুধু সমালোচনা নয়, সমন্বয়কদের মধ্যেই মারামারি হবে। এটা খুব স্বাভাবিক। কেননা, যেখানে তাদের কারো কোনো বৈধ আয়ের উৎস নাই। তারা কোনোদিন চাকরি করেননি, তারা প্রতিষ্ঠিত কোনো ব্যবসায়ীর ছেলে না, তাদের কোনো টাকা নাই। এক গ্রুপের সঙ্গে যখন অন্য গ্রুপের চাঁদা নিয়ে প্রতিযোগিতা হবে তখন তো মারামারি হবেই। আমি খুব বেশি জানি না। কিন্তু আমি এসব প্রতিনিয়তই দেখতে পাচ্ছি।

ড. কিবরিয়া বলেন, আপনি দেখেন একটা মানুষের কোনো বৈধ আয়ের কোনো উৎস নাই। চাকরি করেন না। এখন তিনি যদি একটা গাড়ি কিনেন তাহলে বিষয়টা নিয়ে তো প্রশ্ন উঠবেই। আমি ৪০ বছর পর বিদেশ থেকে এসেছি। আইএমএফ, বিশ্বব্যাংকসহ বিশ্বের বড় বড় জায়গায় চাকরি করেছি। আমি পারি এমন এটা গাড়ি কিনতে। কিন্তু যে টিউশনি ছাড়া কোনো কাজ করেনি জীবনে তিনি এখন দামি দামি গাড়ি চালান, কিনেন। সাধারণ মানুষ গরিব হতে পারে, অশিক্ষিত হতে পারে কিন্তু তারা বোবা না। তারা এসব কিছুই বোঝে- কে কী করছে, কী করে।