সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সুরমা নদীর তীর উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসকঐতিহ্য রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর কুলাউড়া উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে কুলাউড়া গোগালী ছড়া বাঁধ ভেঙে ১৫ গ্রাম প্লাবিত সিলেট ভারতীয় মসলার চালান উদ্ধার সিলেটের পীরমহল্লা থেকে অস্ত্রসহ আটক ১ সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ১, ভর্তি ৪৩ সিলেটের ডিসিসহ তিন কর্মকর্তাকে হাইকোর্টের শোকজ সিলেট জেলা ডিবি ও জকিগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ২ কদমতলীতে পরিবহন শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ: সিসিক প্রশাসকের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত এসএমপি ট্রাফিক বিভাগের অভিযানে অবৈধ ভারতীয় কম্বল উদ্ধার সিলেটে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস- ২০২৬ উদযাপিত

হবিগঞ্জ বন্যায় ১৬৯ কিলোমিটার রাস্তা ও ৬টি ব্রীজ ক্ষতিগ্রস্থ,,খরচ হবে ১৪১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১২৮ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

এবারের বন্যায় হবিগঞ্জে ৭ উপজেলায় ১৬৯ কিলোমিটার রাস্তা ও ৬ ব্রীজ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এসব রাস্তা ও ব্রীজ মেরামতে প্রয়োজন ১৪১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।


জেলায় এ ক্ষতি শুধুমাত্র স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মাধ্যমে নির্মিত ৬২টি রাস্তা ৬টি ব্রীজের। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর ৬২টি রাস্তার প্রায় ১৬৯ কিলোমিটার ক্ষত ভেসে উঠে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা। এ উপজেলার ২৪টি রাস্তায় ৫৯ কিলোমিটারে ছোটবড় গর্ত ও অনেক স্থানে বড় বড় ভাঙ্গন দেখা গেছে। সদর উপজেলার রাস্তা মেরামতে প্রয়োজন ৪০ কোটি টাকা।
এছাড়াও বানিয়াচং উপজেলায় ৪০ কিলোমিটার, আজমিরীগঞ্জে ৩২ কিলোমিটার, চুনারুঘাটে ১৪ কিলোমিটার, বাহুবলে ৪টি ব্রীজ ও ১২ কিলোমিটার, মাধবপুরে ৭ কিলোমিটার ও লাখাই উপজেলায় ২টি ব্রীজ ও ৫ কিলোমিটার রাস্তা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।


সরেজমিনে দেখা যায়, সদর উপজেলায় খোয়াই নদীর বাঁধে এলজিইডির ২১ কিলোমিটার রাস্তা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এতে রিচি ও লোকড়া ইউনিয়নের লোকজন চলাফেরায় দুর্ভোগে পড়েছেন। সদর উপজেলার রিচি ইউনিয়নের জালালাবাদ অংশে খোয়াই নদীর বাঁধে প্রায় ৫০ ফুট প্রশস্ত ভাঙন দেখা গেছে। সেখানে নদী ও হাওড় যুক্ত হয়ে গেছে। ফলে মানুষ ও যান চলাচল অচল হয়ে পড়েছে। মাছুলিয়া-মশাজান এলাকায়ও নদীর দু’পাড়ের বাঁধে নির্মিত এলজিইডির রাস্তা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।


বন্যার পানিতে অন্য ৬ উপজেলার ব্রীজ ও রাস্তাগুলোর ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ১৬৯ কিলোমিটার রাস্তা মেরামতের জন্য প্রায় ১৪১ কোটি ৪৬ লাখ টাকার চাহিদা পাঠানো হয়েছে। এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলাম জানান, চেষ্টা করছি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তা ও ব্রীজগুলো খুব শীঘ্রই মেরামত করার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হবিগঞ্জ বন্যায় ১৬৯ কিলোমিটার রাস্তা ও ৬টি ব্রীজ ক্ষতিগ্রস্থ,,খরচ হবে ১৪১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

এবারের বন্যায় হবিগঞ্জে ৭ উপজেলায় ১৬৯ কিলোমিটার রাস্তা ও ৬ ব্রীজ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এসব রাস্তা ও ব্রীজ মেরামতে প্রয়োজন ১৪১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।


জেলায় এ ক্ষতি শুধুমাত্র স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মাধ্যমে নির্মিত ৬২টি রাস্তা ৬টি ব্রীজের। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর ৬২টি রাস্তার প্রায় ১৬৯ কিলোমিটার ক্ষত ভেসে উঠে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা। এ উপজেলার ২৪টি রাস্তায় ৫৯ কিলোমিটারে ছোটবড় গর্ত ও অনেক স্থানে বড় বড় ভাঙ্গন দেখা গেছে। সদর উপজেলার রাস্তা মেরামতে প্রয়োজন ৪০ কোটি টাকা।
এছাড়াও বানিয়াচং উপজেলায় ৪০ কিলোমিটার, আজমিরীগঞ্জে ৩২ কিলোমিটার, চুনারুঘাটে ১৪ কিলোমিটার, বাহুবলে ৪টি ব্রীজ ও ১২ কিলোমিটার, মাধবপুরে ৭ কিলোমিটার ও লাখাই উপজেলায় ২টি ব্রীজ ও ৫ কিলোমিটার রাস্তা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।


সরেজমিনে দেখা যায়, সদর উপজেলায় খোয়াই নদীর বাঁধে এলজিইডির ২১ কিলোমিটার রাস্তা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এতে রিচি ও লোকড়া ইউনিয়নের লোকজন চলাফেরায় দুর্ভোগে পড়েছেন। সদর উপজেলার রিচি ইউনিয়নের জালালাবাদ অংশে খোয়াই নদীর বাঁধে প্রায় ৫০ ফুট প্রশস্ত ভাঙন দেখা গেছে। সেখানে নদী ও হাওড় যুক্ত হয়ে গেছে। ফলে মানুষ ও যান চলাচল অচল হয়ে পড়েছে। মাছুলিয়া-মশাজান এলাকায়ও নদীর দু’পাড়ের বাঁধে নির্মিত এলজিইডির রাস্তা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।


বন্যার পানিতে অন্য ৬ উপজেলার ব্রীজ ও রাস্তাগুলোর ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ১৬৯ কিলোমিটার রাস্তা মেরামতের জন্য প্রায় ১৪১ কোটি ৪৬ লাখ টাকার চাহিদা পাঠানো হয়েছে। এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলাম জানান, চেষ্টা করছি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তা ও ব্রীজগুলো খুব শীঘ্রই মেরামত করার।