সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলারপ্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি

সিলেটের ডিসিসহ তিন কর্মকর্তাকে হাইকোর্টের শোকজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট নগরীর কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেটের দোকান উচ্ছেদ ও তালাবদ্ধ করার ঘটনায় আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগে জেলা প্রশাসকসহ তিন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) উচ্চ আদালতের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আশিক হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ শুনানি শেষে এই নির্দেশ জারি করেন। 

কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেট দোকান মালিক জামিল আহমেদ তাপাদার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 
জানা গেছে,  গত ১০ মার্চ কালেক্টরেট মসজিদ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে একটি নোটিশে জানানো হয়, ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মসজিদ মার্কেটের বিদ্যমান ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করা হয়েছে এবং তিন দিনের মধ্যে দোকান খালি করে বুঝিয়ে দিতে হবে। এই নোটিশের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীরা হাইকোর্টে রিট দায়ের করলে গত ১২ মার্চ আদালত দুই মাসের জন্য স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। এছাড়া পৃথক আরও দুটি রিটের প্রেক্ষিতে উচ্ছেদ নোটিশের কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, ওই আদেশ উপেক্ষা করে গত ২৬ মার্চ রাতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দোকানগুলো তালাবদ্ধ করে সিলগালা করা হয়।

আদালতের আদেশ না মানায় দোকান মালিকরা গত ১ এপ্রিল তাদের আইনজীবির মাধ্যমে আদালত অবমাননার নোটিশ প্রদান করেন। কিন্তু জেলা প্রশাসক কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় দোকান মালিকরা আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগ এনে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) আবেদনটি হাইকোর্টের কার্যতালিকায় শুনানির জন্য ওঠে। পরে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আশিক হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ শুনানি শেষে জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সৈয়দা পারভীন এবং নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) কিশোর কুমার পালকে কারণ দর্শাতে বলেছেন।  

আদালতের নোটিশে-কেন তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। 

কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেট দোকান মালিক জামিল আহমেদ তাপাদার বলেন, জেলা আদালতের আদেশ না মানায় তারা আদালতে হাজির হয়ে পূর্বের আদেশ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন এবং দোকানগুলোর দখল পুনর্বহালের আবেদনও করেছেন। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত জেলা প্রশাসকসহ তিন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শাতে বলেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটের ডিসিসহ তিন কর্মকর্তাকে হাইকোর্টের শোকজ

আপডেট সময় : ০২:৫১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট নগরীর কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেটের দোকান উচ্ছেদ ও তালাবদ্ধ করার ঘটনায় আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগে জেলা প্রশাসকসহ তিন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) উচ্চ আদালতের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আশিক হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ শুনানি শেষে এই নির্দেশ জারি করেন। 

কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেট দোকান মালিক জামিল আহমেদ তাপাদার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 
জানা গেছে,  গত ১০ মার্চ কালেক্টরেট মসজিদ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে একটি নোটিশে জানানো হয়, ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মসজিদ মার্কেটের বিদ্যমান ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করা হয়েছে এবং তিন দিনের মধ্যে দোকান খালি করে বুঝিয়ে দিতে হবে। এই নোটিশের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীরা হাইকোর্টে রিট দায়ের করলে গত ১২ মার্চ আদালত দুই মাসের জন্য স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। এছাড়া পৃথক আরও দুটি রিটের প্রেক্ষিতে উচ্ছেদ নোটিশের কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, ওই আদেশ উপেক্ষা করে গত ২৬ মার্চ রাতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দোকানগুলো তালাবদ্ধ করে সিলগালা করা হয়।

আদালতের আদেশ না মানায় দোকান মালিকরা গত ১ এপ্রিল তাদের আইনজীবির মাধ্যমে আদালত অবমাননার নোটিশ প্রদান করেন। কিন্তু জেলা প্রশাসক কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় দোকান মালিকরা আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগ এনে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) আবেদনটি হাইকোর্টের কার্যতালিকায় শুনানির জন্য ওঠে। পরে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আশিক হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ শুনানি শেষে জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সৈয়দা পারভীন এবং নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) কিশোর কুমার পালকে কারণ দর্শাতে বলেছেন।  

আদালতের নোটিশে-কেন তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। 

কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেট দোকান মালিক জামিল আহমেদ তাপাদার বলেন, জেলা আদালতের আদেশ না মানায় তারা আদালতে হাজির হয়ে পূর্বের আদেশ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন এবং দোকানগুলোর দখল পুনর্বহালের আবেদনও করেছেন। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত জেলা প্রশাসকসহ তিন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শাতে বলেছেন।