সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলারপ্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি

সুরমা নদীর তীর উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসকঐতিহ্য রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ৮৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেটকে বিশ্বে পরিচিত করেছে এমন কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার মধ্যে আলী আমজদের ঘড়ি ও চাঁদনীঘাটের সিঁড়ি অন্যতম, যা সুরমা নদীর তীরেই অবস্থিত। এই দুটি ঐতিহ্য সিলেটের প্রবাদ-প্রবচনে একাত্ম হয়ে থাকলেও দুঃখজনকভাবে সুরমা নদী এখন মৃতপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। “আমি আগামী ২ মে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই বাস্তব চিত্র দেখাব,”—বলেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে ক্বিনব্রিজ সংলগ্ন সুরমা নদীর তীরবর্তী বন্যা নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পস্থল পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরও বলেন, “সুরমা নদী আমাদের ঐতিহ্য, পরিবেশ ও অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই নদীকে রক্ষা ও পুনরুজ্জীবিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, তীর সংরক্ষণ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে সিলেটকে একটি আধুনিক ও আকর্ষণীয় নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।”

তিনি জানান, আগামী ২ মে চাঁদনীঘাট সংলগ্ন এলাকায় সিলেটের বন্যা নিয়ন্ত্রণে অবকাঠামো নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। একই দিনে তিনি সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণের খোলামাঠে সিলেটের নাগরিকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাসসহ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সুরমা নদীর তীর উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসকঐতিহ্য রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর

আপডেট সময় : ০৩:২৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেটকে বিশ্বে পরিচিত করেছে এমন কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার মধ্যে আলী আমজদের ঘড়ি ও চাঁদনীঘাটের সিঁড়ি অন্যতম, যা সুরমা নদীর তীরেই অবস্থিত। এই দুটি ঐতিহ্য সিলেটের প্রবাদ-প্রবচনে একাত্ম হয়ে থাকলেও দুঃখজনকভাবে সুরমা নদী এখন মৃতপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। “আমি আগামী ২ মে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই বাস্তব চিত্র দেখাব,”—বলেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে ক্বিনব্রিজ সংলগ্ন সুরমা নদীর তীরবর্তী বন্যা নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পস্থল পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরও বলেন, “সুরমা নদী আমাদের ঐতিহ্য, পরিবেশ ও অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই নদীকে রক্ষা ও পুনরুজ্জীবিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, তীর সংরক্ষণ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে সিলেটকে একটি আধুনিক ও আকর্ষণীয় নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।”

তিনি জানান, আগামী ২ মে চাঁদনীঘাট সংলগ্ন এলাকায় সিলেটের বন্যা নিয়ন্ত্রণে অবকাঠামো নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। একই দিনে তিনি সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণের খোলামাঠে সিলেটের নাগরিকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাসসহ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।