সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি হবিগঞ্জ বাহুবল-রাজাপুর সড়ক সংস্কারে অনিয়ম সিলেট হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু সিলেট পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ১৭১ সিলেট চোরাই পণ্য বালুর ট্রাক ও প্রাইভেট কারসহ আটক ১ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৪ প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান

বানিয়াচঙ্গে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ৯ হত্যার ঘটনায় – সাবেক এমপি মজিদ খান ১৬০ জনের মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৪ ১৪০ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ বানিয়াচং থেকে :

বানিয়াচং উপজেলায় গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৯ হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত হাসান মিয়ার পিতা মোঃ ছানু মিয়া বাদী হয়ে সাবেক এমপি ময়েজ উদ্দিন শরীফ রুয়েল ও আব্দুল মজিদ খানকে আসামী করে ১শ ৬০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ২০০/২৫০ আসামী করে বানিয়াচং থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।

বানিয়াচং থানার মামলার নাম্বার-০১, তারিখ ২২ আগস্ট ২০২৪ইং। এ মামলায় উল্লেখ যোগ্য অন্যান্য আসামীরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলা যুবলীগ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন খান, ইউপি চেয়ারম্যান হায়দারুজ্জামান খান ধন মিয়া, মিজানুর রহমান খান, শেখ সামছুল হক, আহাদ মিয়া, মোঃ আনোয়ার হোসেন, এরশাদ আলী, মঞ্জু দাস, শামরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আঙ্গুর মিয়া, মামুন খান, মাসুম খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহজাহান মিয়া, এমদাদুল হক শাহীন, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মোঃ আশিক মিয়া, আসাদুজ্জামান খান তুহিন, শাহ নেওয়াজ, ফুয়াদ উল্লা খান, সাহিবুর মিয়া, জসিম উদ্দিন, শেবুল চৌধুরী, রিপন চৌধুরী, আশরাফ বাবু, হুমায়ুন কবির রেজা, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আলমগীর হোসেন, সেজু মিয়া, মুর্শেদুজ্জামান লুকু, শাহ নেওয়াজ ফুল মিয়া, শফিকুল আলম চৌধুরী, আব্দুর রউফ, মহিবুর রহমান মাহি, কামাল উদ্দিন লাল মিয়া, নজরুল ইসলাম, এজেডএম উজ্জ্বল, সুবেদ আলী, আবুল মনসুর তুহিন, ফজল উল্লা খান, প্রিয়তোষ রঞ্জন দেব, মতিউর রহমান, আবুল হোসেন, জহির মিয়া, বিপুল মিয়া, তানভীর আহমেদ শুভ, শামীম মিয়া, হাফিজ মিয়া, আজমিরীগঞ্জ নোয়াগড় গ্রামের শাহজাহান মিয়া, খলিল মিয়া, জয়নাল আবেদীন, পুলক মিয়া, জয় চৌধুরী, আব্দুল হালীম সোহেল, দেওয়ান সাইফুর রাজা সুমন, সহিবুর মিয়া, রকি মিয়া, মওদুদু আল মাহমুদ, মাসুদ খান, মহিনুর, ফয়সল মিয়া, সাইদুল হাসান, রুবেল মিয়া, মোতালিব মিয়া, আনসার উল্বা, মিন্টু মিয়া, সাইফুল ইসলাম সেলিম, শহিদ মিয়া, মিজান মিয়া, নাজমুল ইসলাম, জিয়া উদ্দিন, রুহুল আমিন, জাহেদ মিয়া, শাহ শহিদুল, ফুল মিয়া, তুষার মিয়া, আসাদুজ্জামান আসাদ, আবিদ মিয়া, দেলোয়ার মিয়া, মোতাব্বির মিয়া, অপু খান, ইয়ামিন খান, আশরাফুজ্জামান খান রকি, হাফিজ মিয়া, রিয়াজ উদ্দিন, মোবারক মিয়া ঠিকাদার, আলমগীর মিয়া, মাহ আলম, নিয়াশা সর্দার, মোজাহিদ মেম্বার, কামরুল হাসান খান, মধুখানী গ্রামের ইকবাল হোসেন খান, গোলাম কিবরিয়া খোকন, রাশেদ মিয়া, ত্রিকর মহল্লার শাহজাহান মিয়া, ফয়সাল মিয়া, নুরফল মিয়া, হায়দর আলী, ইনাতখানীর ফয়সাল মিয়া, আলিম উদ্দিন, মফিজুর রহমান নাবিল, রেখাছ মিয়া, যাত্রাপাশা গ্রামের আরজু মিয়া, কামরুল ইসলাম, গোলাম কিবরিয়া লিলু, শাহিদুর রহমান, রাসেল মিয়া, ছায়েব আলী, জাসিদুল ইসলাম, আশিকুল ইসলাম, মাহির মিয়া, আমির হোসেন, মোস্তফা মিয়া, কাউছার মিয়া, শিলু মিয়া, আনোয়ার হোসেন আলতু, মঈন উদ্দিন, আতিক হাসান, কামাল হোসেন, ফজল মিয়া, দুলাল হোসেন, সাবাজুর রহামন, মারুফ মিয়া, আলা উদ্দিন, আশরাফ সোহেল, আরিফ বিল্লাহ, জিয়াউল হক, হৃদয় মিয়া, ইমরান মিয়া, কামরুল মিয়া, রায়হান উদ্দিন সুমন, মঞ্জিল মিয়া, লুৎফুর রহমান, মঈনুল হক, সুভাষ চন্দ্র পাল, আব্দুল মজিদ, দাবিরুল ইসলাম, শওকত আরেফীন সেলিম, আব্দুল মুহিত, শেখ মহি উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, ডিপজল মিয়া, শেখ হাবিবুল হক, আলী আহমদ সোহেল, লুৎফুর রহমান তালুকদার, বাবুল মিয়া, দোলন মেম্বার, পরিতোষ গোষ, এমদাদুল হক, গনেশ দাস, আজিজুর মিয়া, ঝন্টু দাস, নজমুল হক, আব্দুল আওয়াল, বাবুল রায়, মিলোয়ার হোসেন, আইনুর মিয়া, শাকির মামুদ তালুকদার সহ অজ্ঞাত আরো ২০০/২৫০ জনকে উল্লেখ করা হয় এ মামলাটিতে। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বানিয়াচং থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আব্দুর রহিমকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বানিয়াচঙ্গে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ৯ হত্যার ঘটনায় – সাবেক এমপি মজিদ খান ১৬০ জনের মামলা

আপডেট সময় : ০৫:১৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৪

হবিগঞ্জ বানিয়াচং থেকে :

বানিয়াচং উপজেলায় গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৯ হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত হাসান মিয়ার পিতা মোঃ ছানু মিয়া বাদী হয়ে সাবেক এমপি ময়েজ উদ্দিন শরীফ রুয়েল ও আব্দুল মজিদ খানকে আসামী করে ১শ ৬০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ২০০/২৫০ আসামী করে বানিয়াচং থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।

বানিয়াচং থানার মামলার নাম্বার-০১, তারিখ ২২ আগস্ট ২০২৪ইং। এ মামলায় উল্লেখ যোগ্য অন্যান্য আসামীরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলা যুবলীগ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন খান, ইউপি চেয়ারম্যান হায়দারুজ্জামান খান ধন মিয়া, মিজানুর রহমান খান, শেখ সামছুল হক, আহাদ মিয়া, মোঃ আনোয়ার হোসেন, এরশাদ আলী, মঞ্জু দাস, শামরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আঙ্গুর মিয়া, মামুন খান, মাসুম খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহজাহান মিয়া, এমদাদুল হক শাহীন, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মোঃ আশিক মিয়া, আসাদুজ্জামান খান তুহিন, শাহ নেওয়াজ, ফুয়াদ উল্লা খান, সাহিবুর মিয়া, জসিম উদ্দিন, শেবুল চৌধুরী, রিপন চৌধুরী, আশরাফ বাবু, হুমায়ুন কবির রেজা, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আলমগীর হোসেন, সেজু মিয়া, মুর্শেদুজ্জামান লুকু, শাহ নেওয়াজ ফুল মিয়া, শফিকুল আলম চৌধুরী, আব্দুর রউফ, মহিবুর রহমান মাহি, কামাল উদ্দিন লাল মিয়া, নজরুল ইসলাম, এজেডএম উজ্জ্বল, সুবেদ আলী, আবুল মনসুর তুহিন, ফজল উল্লা খান, প্রিয়তোষ রঞ্জন দেব, মতিউর রহমান, আবুল হোসেন, জহির মিয়া, বিপুল মিয়া, তানভীর আহমেদ শুভ, শামীম মিয়া, হাফিজ মিয়া, আজমিরীগঞ্জ নোয়াগড় গ্রামের শাহজাহান মিয়া, খলিল মিয়া, জয়নাল আবেদীন, পুলক মিয়া, জয় চৌধুরী, আব্দুল হালীম সোহেল, দেওয়ান সাইফুর রাজা সুমন, সহিবুর মিয়া, রকি মিয়া, মওদুদু আল মাহমুদ, মাসুদ খান, মহিনুর, ফয়সল মিয়া, সাইদুল হাসান, রুবেল মিয়া, মোতালিব মিয়া, আনসার উল্বা, মিন্টু মিয়া, সাইফুল ইসলাম সেলিম, শহিদ মিয়া, মিজান মিয়া, নাজমুল ইসলাম, জিয়া উদ্দিন, রুহুল আমিন, জাহেদ মিয়া, শাহ শহিদুল, ফুল মিয়া, তুষার মিয়া, আসাদুজ্জামান আসাদ, আবিদ মিয়া, দেলোয়ার মিয়া, মোতাব্বির মিয়া, অপু খান, ইয়ামিন খান, আশরাফুজ্জামান খান রকি, হাফিজ মিয়া, রিয়াজ উদ্দিন, মোবারক মিয়া ঠিকাদার, আলমগীর মিয়া, মাহ আলম, নিয়াশা সর্দার, মোজাহিদ মেম্বার, কামরুল হাসান খান, মধুখানী গ্রামের ইকবাল হোসেন খান, গোলাম কিবরিয়া খোকন, রাশেদ মিয়া, ত্রিকর মহল্লার শাহজাহান মিয়া, ফয়সাল মিয়া, নুরফল মিয়া, হায়দর আলী, ইনাতখানীর ফয়সাল মিয়া, আলিম উদ্দিন, মফিজুর রহমান নাবিল, রেখাছ মিয়া, যাত্রাপাশা গ্রামের আরজু মিয়া, কামরুল ইসলাম, গোলাম কিবরিয়া লিলু, শাহিদুর রহমান, রাসেল মিয়া, ছায়েব আলী, জাসিদুল ইসলাম, আশিকুল ইসলাম, মাহির মিয়া, আমির হোসেন, মোস্তফা মিয়া, কাউছার মিয়া, শিলু মিয়া, আনোয়ার হোসেন আলতু, মঈন উদ্দিন, আতিক হাসান, কামাল হোসেন, ফজল মিয়া, দুলাল হোসেন, সাবাজুর রহামন, মারুফ মিয়া, আলা উদ্দিন, আশরাফ সোহেল, আরিফ বিল্লাহ, জিয়াউল হক, হৃদয় মিয়া, ইমরান মিয়া, কামরুল মিয়া, রায়হান উদ্দিন সুমন, মঞ্জিল মিয়া, লুৎফুর রহমান, মঈনুল হক, সুভাষ চন্দ্র পাল, আব্দুল মজিদ, দাবিরুল ইসলাম, শওকত আরেফীন সেলিম, আব্দুল মুহিত, শেখ মহি উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, ডিপজল মিয়া, শেখ হাবিবুল হক, আলী আহমদ সোহেল, লুৎফুর রহমান তালুকদার, বাবুল মিয়া, দোলন মেম্বার, পরিতোষ গোষ, এমদাদুল হক, গনেশ দাস, আজিজুর মিয়া, ঝন্টু দাস, নজমুল হক, আব্দুল আওয়াল, বাবুল রায়, মিলোয়ার হোসেন, আইনুর মিয়া, শাকির মামুদ তালুকদার সহ অজ্ঞাত আরো ২০০/২৫০ জনকে উল্লেখ করা হয় এ মামলাটিতে। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বানিয়াচং থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আব্দুর রহিমকে।