সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষে শাহপরান (রহ.)মাজারের প্রস্তুতি পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক সিলেট জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত শাহজালাল (রহ.) মাজারে প্রস্তুতি, মঙ্গলবার সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি সচেতনতামূলক র‌্যালি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের কমিটি নের্তৃবৃন্দকে ব্যবসায়ীদের মিষ্টিমূখ সিলেটে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫১ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ রাষ্ট্রপতিকে সিলেট সফর ও নাগরিক সংবর্ধনার প্রস্তুতি জানালেন সিসিক প্রশাসক সিলেট ১ শিশুর মৃত্যু, প্রায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৬০ সিলেটে (এসএমপি) বিশেষ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া ৫২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন

হবিগঞ্জে দুই এমপি-মেয়রের বাসায় লুটপাট, আগুন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অগাস্ট ২০২৪ ১৭০ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. আবু জাহির এমপি ও সাবেক এমপি আব্দুল মজিদ খানের বহুতল বাসভবনে ব্যাপক লুটপাট চালানো হয়েছে। টানা দুদিন ধরে উত্তেজিত লোকজন যে যার মতো করে বাসাগুলো থেকে জিনিসপত্র লুটে নিচ্ছে। দেয়া হয়েছে আগুণও। প্রভাবশালী এই দুই নেতার বাসায় দ্বিতীয় দিনের মতো লুটপাট শেষে সোমবার দিবাগত রাতে হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিমের বাসায়ও লুটপাট চালানো হয়। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন স্থানে সরকারদলীয় জনপ্রতিনিধির বাড়িতে ভাংচুর-অগ্নিসংযোগের খবর পাওয়া গেছে।

জানা যায়, গত রবিবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংঘাত হলে এমপি আবু জাহিরের বাসভবন লুটপাট করে উত্তেজিত লোকজন। সোমবার দিনভর তাঁর বাসার পাশেই অবস্থিত সাবেক এমপি মজিদ খানের বাসাও লুটে নেওয়া হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, টাউন হল রোডস্থ সাবেক ও বর্তমান এমপির বহুতল বাসভবন থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র, গাড়ির যন্ত্রাংশ, কাপড় চোপড়, কম্পিউটার, টেলিভিশন, ফ্রিজ, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার, নানারকম আসবাবপত্র, গৃহপালিত পশুপাখি, ছাদ বাগানের গাছ, দরজা, জানালা, গ্রীল হাতে হাতে করে নিয়ে যাচ্ছিলেন লোকজন। সিএনজি অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকে করে বিলাশবহুল বাসাগুলো থেকে জানালার কাঁচ, লিফটের দরজাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা। এসময় অনেককে উল্লাস করতেও দেখা যায়।

এদিকে, সোমবার দিবাগত রাতে হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিমের বাসভবনে গিয়েও একই চিত্র দেখা গেছে। স্থানীয়রা জানান, লুটতরাজকারী লোকজন শহরতলীর বিভিন্ন গ্রাম থেকে এসেছেন। গণ লুটপাটের পর বাসাগুলোতে অবশিষ্ট বলতে কিছু থাকছে না। সাবেক এমপি মজিদ খানের বাসার ভাড়াটিয়ারাও লুটপাটের শিকার হয়েছেন। এভাবে সরকারি দলীয় নেতাদের বাড়িতে আক্রমণের ফলে জেলাজুড়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অনেকে আবার বাসা বাড়ি থেকে জিনিসপত্র সরিয়ে অন্যত্র স্থানান্তর করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হবিগঞ্জে দুই এমপি-মেয়রের বাসায় লুটপাট, আগুন

আপডেট সময় : ১০:০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অগাস্ট ২০২৪

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. আবু জাহির এমপি ও সাবেক এমপি আব্দুল মজিদ খানের বহুতল বাসভবনে ব্যাপক লুটপাট চালানো হয়েছে। টানা দুদিন ধরে উত্তেজিত লোকজন যে যার মতো করে বাসাগুলো থেকে জিনিসপত্র লুটে নিচ্ছে। দেয়া হয়েছে আগুণও। প্রভাবশালী এই দুই নেতার বাসায় দ্বিতীয় দিনের মতো লুটপাট শেষে সোমবার দিবাগত রাতে হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিমের বাসায়ও লুটপাট চালানো হয়। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন স্থানে সরকারদলীয় জনপ্রতিনিধির বাড়িতে ভাংচুর-অগ্নিসংযোগের খবর পাওয়া গেছে।

জানা যায়, গত রবিবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংঘাত হলে এমপি আবু জাহিরের বাসভবন লুটপাট করে উত্তেজিত লোকজন। সোমবার দিনভর তাঁর বাসার পাশেই অবস্থিত সাবেক এমপি মজিদ খানের বাসাও লুটে নেওয়া হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, টাউন হল রোডস্থ সাবেক ও বর্তমান এমপির বহুতল বাসভবন থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র, গাড়ির যন্ত্রাংশ, কাপড় চোপড়, কম্পিউটার, টেলিভিশন, ফ্রিজ, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার, নানারকম আসবাবপত্র, গৃহপালিত পশুপাখি, ছাদ বাগানের গাছ, দরজা, জানালা, গ্রীল হাতে হাতে করে নিয়ে যাচ্ছিলেন লোকজন। সিএনজি অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকে করে বিলাশবহুল বাসাগুলো থেকে জানালার কাঁচ, লিফটের দরজাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা। এসময় অনেককে উল্লাস করতেও দেখা যায়।

এদিকে, সোমবার দিবাগত রাতে হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিমের বাসভবনে গিয়েও একই চিত্র দেখা গেছে। স্থানীয়রা জানান, লুটতরাজকারী লোকজন শহরতলীর বিভিন্ন গ্রাম থেকে এসেছেন। গণ লুটপাটের পর বাসাগুলোতে অবশিষ্ট বলতে কিছু থাকছে না। সাবেক এমপি মজিদ খানের বাসার ভাড়াটিয়ারাও লুটপাটের শিকার হয়েছেন। এভাবে সরকারি দলীয় নেতাদের বাড়িতে আক্রমণের ফলে জেলাজুড়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অনেকে আবার বাসা বাড়ি থেকে জিনিসপত্র সরিয়ে অন্যত্র স্থানান্তর করছেন।