সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষে শাহপরান (রহ.)মাজারের প্রস্তুতি পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক সিলেট জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত শাহজালাল (রহ.) মাজারে প্রস্তুতি, মঙ্গলবার সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি সচেতনতামূলক র‌্যালি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের কমিটি নের্তৃবৃন্দকে ব্যবসায়ীদের মিষ্টিমূখ সিলেটে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫১ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ রাষ্ট্রপতিকে সিলেট সফর ও নাগরিক সংবর্ধনার প্রস্তুতি জানালেন সিসিক প্রশাসক সিলেট ১ শিশুর মৃত্যু, প্রায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৬০ সিলেটে (এসএমপি) বিশেষ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া ৫২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন

ব্যারিস্টার সুমনকে হত্যা নয়, প্রতারণাই ছিল উদ্দেশ্য

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪ ১৯৫ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে হত্যা নয়, প্রতারণার মাধ্যমে তার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়াই ছিল গ্রেফতারকৃত সোহাগ মিয়ার মূল উদ্দেশ্য। সে পেশায় একজন প্রতারক। তার বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার মামলাও রয়েছে। ইতিপূর্বে সে প্রতারণার মামলা গ্রেফতারও হয়। এসব তথ্য জানিয়েছেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. আক্তার হোসেন।

বুধবার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এসব তথ্য জানান। পুলিশ সুপার মো. আক্তার হোসেন বলেন, মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার হিংগাজিয়া (মোবারকপুর) গ্রামের মন্তাজ মিয়ার ছেলে সোহাগ মিয়া ওরফে মো. সুমেল মিয়া চুনারুঘাট থানার ওসির মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে জানায় তার জীবনের ঝুঁকি আছে এমন তথ্য তার কাছে রয়েছে।

এ বিষয়ে ২৮ জুন চুনারুঘাট থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করা হয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়। এর প্রেক্ষিতে হবিগঞ্জ পুলিশ ও ঢাকার কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সমন্বয়ে পুলিশের একাধিক টিম এর রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে নামে। মঙ্গলবার রাতে তাকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, অনুসন্ধানে জানা গেছে সে একজন পেশাদার প্রতারক। ইন্টারনেটে ভারতীয় একটি প্রতারণার গল্প দেখে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্রতারণার কৌশল শিখে। তার অংশ হিসেবেই সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে। কিন্তু যেহেতু সংসদ সদস্যের মোবাইল ফোন নাম্বার তার কাছে ছিলনা তাই সে ওসির মোবাইল ফোন নাম্বারটি ব্যবহার করেছে। তার উদ্দেশ্য ছিল সংসদ সদস্য হুমকির কথা শুনলেই হয়তো বলবেন কারা হত্যা করতে চায় তাদের নাম বলো। তখন সে টাকা চাইবে। কিন্তু তার পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। উল্টো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়েছে। থানায় সাধারণ ডায়রি হয়েছে। এরপর সে পালাতে চেয়েছিল। বার বার স্থান বদলিয়েছে। অবশেষে তাকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখন তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্যারিস্টার সুমনকে হত্যা নয়, প্রতারণাই ছিল উদ্দেশ্য

আপডেট সময় : ০৪:২৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে হত্যা নয়, প্রতারণার মাধ্যমে তার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়াই ছিল গ্রেফতারকৃত সোহাগ মিয়ার মূল উদ্দেশ্য। সে পেশায় একজন প্রতারক। তার বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার মামলাও রয়েছে। ইতিপূর্বে সে প্রতারণার মামলা গ্রেফতারও হয়। এসব তথ্য জানিয়েছেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. আক্তার হোসেন।

বুধবার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এসব তথ্য জানান। পুলিশ সুপার মো. আক্তার হোসেন বলেন, মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার হিংগাজিয়া (মোবারকপুর) গ্রামের মন্তাজ মিয়ার ছেলে সোহাগ মিয়া ওরফে মো. সুমেল মিয়া চুনারুঘাট থানার ওসির মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে জানায় তার জীবনের ঝুঁকি আছে এমন তথ্য তার কাছে রয়েছে।

এ বিষয়ে ২৮ জুন চুনারুঘাট থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করা হয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়। এর প্রেক্ষিতে হবিগঞ্জ পুলিশ ও ঢাকার কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সমন্বয়ে পুলিশের একাধিক টিম এর রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে নামে। মঙ্গলবার রাতে তাকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, অনুসন্ধানে জানা গেছে সে একজন পেশাদার প্রতারক। ইন্টারনেটে ভারতীয় একটি প্রতারণার গল্প দেখে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্রতারণার কৌশল শিখে। তার অংশ হিসেবেই সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে। কিন্তু যেহেতু সংসদ সদস্যের মোবাইল ফোন নাম্বার তার কাছে ছিলনা তাই সে ওসির মোবাইল ফোন নাম্বারটি ব্যবহার করেছে। তার উদ্দেশ্য ছিল সংসদ সদস্য হুমকির কথা শুনলেই হয়তো বলবেন কারা হত্যা করতে চায় তাদের নাম বলো। তখন সে টাকা চাইবে। কিন্তু তার পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। উল্টো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়েছে। থানায় সাধারণ ডায়রি হয়েছে। এরপর সে পালাতে চেয়েছিল। বার বার স্থান বদলিয়েছে। অবশেষে তাকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখন তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হবে।