ইফতারে শসা খেলে পাবেন যেসব উপকার
- আপডেট সময় : ১০:৩৫:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪ ১৮২ বার পড়া হয়েছে
ভিউ নিউজ ৭১ :
একে তো গরম তার সঙ্গে রোজা। এই দুইয়ে মিলে এখনকার সময়ে আমাদের পছন্দের একটি খাবার হলো শসা। এটা কতটা উপকারী আপনি জানেন?
চলুন দেখে নিই শসা খাওয়ার উপকারিতা-
শসা দেহের পানিশূন্যতা দূর করে।শসার মাল্টি ভিটামিনস ও মাল্টি মিনারেলস প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে এবং ভিটামিন ও মিনারেলসের অভাবজনিত সমস্যা থেকে রক্ষা করে।দেহের ভেতর-বাইরের তাপ শোষণ করে।শসার পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।এর ম্যাগনেসিয়াম রক্ত চলাচল সচল করে।
শসার আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় করে।এটি মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে। শরীরের জমানো ক্ষতিকর ও বিষাক্ত উপাদানগুলো অপসারণ করে রক্তকে পরিষ্কার রাখে।শসা বুক জ্বলা, পাকস্থলীর এসিডিটি এমনকি গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি দিতে পারে।
শসাতে পানি আছে শতকরা ৯৫ভাগ। এটি শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং শরীরের ভেতরের তাপমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে। শরীর শীতল রাখতে সহায়তা করে।সৌন্দর্য চর্চায়ও আপনার সঙ্গী হতে পারে শসা। ত্বকের নানাবিধ সমস্যা, চোখের চারপাশের ফোলাভাবসহ ত্বকের সকল প্রকার ক্লান্তি দূর করে ত্বককে প্রাণবন্ত করে তুলতে শসার ভূমিকা কম নয়।
ইফতারে ইসবগুলের ভুসির শরবত খেলে পাবেন ৫ উপকার
সারাদিন রোজার পর ইফতারে ইসবগুলের ভুসির শরবত শরীরের জন্য খুবই উপকারি। বিশেষ করে যারা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন তারা ইসবগুলের ভুসির শরবত খেতে পারেন।
এছাড়া হজমসহ পেটের নানা সমস্যা থেকে বাঁচতে ইসুবগুলের ভুসি খেয়ে থাকেন রোজাদাররা। রোজা রাখলে অনেকের প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া হয়। ইসবগুলের ভুসি খেলে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমবে এবং ইউরিনের রং স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
হাতে, পায়ে জ্বালাপোড়া ও মাথা ঘোরানো রোগে আখের গুড়ের সঙ্গে ইসবগুলের ভুসি মিলিয়ে সকাল-বিকাল এক সপ্তাহ খেলে অনেক উপকার পাওয়া যাবে। এছাড়া রোজায় সুস্থ থাকতে ইফতারে খেতে পারেন ইসবগুলের ভুসির শরবত।
আসুন জেনে নেই ইফতারে কেন খাবেন ইসবগুলের ভুসির শরবত

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা পাইলস হওয়ার প্রধান কারণ। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ইসবগুলের ভুসি খেলে উপকার পাবেন।
ইসবগুল নিয়ে এক কাপ ঠাণ্ডা বা হালকা গরম পানিতে আধ ঘণ্টা ভিজিয়ে তাতে দু-তিন চামচ চিনি মিশিয়ে নিন। এরপর সেহরিতে বাসিপেটে খেলে উপকার পাবেন।
ডায়রিয়া
ডায়রিয়া হলে ইসুবগুল ভুসি খেতে পারেন। এজন্য ৭-২০ গ্রাম ভুসি দিনে দুইবার খাওয়া যেতে পারে।
প্রস্রাব হলুদ
প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া ও প্রস্রাব হলুদ হলে দিনে দুইবার এক গ্লাস শরবতের সাথে ইসবগুলের ভুসি খেলে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া ভালো হয়ে যাবে।
আমাশয়
ইসবগুল আমাশয়ের জীবাণু ধ্বংস করতে পারবে না। তবে আমাশয়ের জীবাণু পেট থেকে বের করে দিতে পারবে। আমাশয়ের রোগীরা সেহরি ও ইফতারে শরবতের সঙ্গে খেতে পারেন ইসবগুলের ভুসি।
উচ্চ রক্তচাপ
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও ওজন কমাতে খেতে পারেন ইসুবগুলের ভুসি। পাশাপাশি টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য এটা এক দারুণ পথ্য।


























