ঢাকা ১০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট নগরীর আম্বরখানা চায়না মার্কেটে সন্ত্রাসী হামলা সত্বাধীকারী হাজেরা বেগম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন বয়স পঞ্চাশের পরও ফিট থাকতে হলে যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন হার্ট ভালো রাখতে বাদ দেবেন ৪ খাবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ‘মনস্তাত্ত্বিক অপারেশন’ চালাচ্ছে রয়টার্স: ইরান ‘সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, যুদ্ধের চিরস্থায়ী অবসান চায় ইরান’ ‘শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়টি বিবেচনা করছে ভারত’ হবিগঞ্জ মাধবপুরে বিজিবির অভিযান ২২ লাখ টাকার জিরা জব্দ হবিগঞ্জ মাধবপুরে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর, এলাকায় উত্তেজনা বাড়ছে লোডশেডিং, উৎপাদন ঘাটতি ২ হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশে পাশে থাকবে সিসিক: প্রশাসক

সিলেট নগরীর আম্বরখানা চায়না মার্কেটে সন্ত্রাসী হামলা সত্বাধীকারী হাজেরা বেগম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৭:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

১৭ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিঃ শুক্রবার

সিলেট নগরীর আম্বরখানা চায়না মার্কেটের সত্বাধীকার নিয়ে মার্কেটে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের লুটরাজ,আইনী সহায়তা চেয়ে সত্বাধীকারী,মরহুম আলহাজ্ব নুর ইসলাম খানের স্ত্রী হাজেরা বেগম গত ১৫ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিঃ বুধবার নিজে হাজির হয়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে আভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ দায়েরে পর সন্ত্রাসীর ক্ষিপ্ত হয়ে তার উপর আরো বেশী নির্যাতন শুরু করেছে। তাহারা মার্কেটের ২ ও ৩ তলার আবাসিক হোটেল বন্ধ করে খারাপ যুবতী মেয়েদের বিভিন্ন রোমে এনে অনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করেছে।এ ব্যাপারে মার্কেটের সত্বাধীকারী মহিলা হাজেরা বেগম বলেন,২ টি নাবালক পূত্র সন্তান নিয়ে আমি আমার বাসা চায়না মার্কেটের ৫ তলায় সন্ত্রাসীদ্বারা অবরুদ্ধ আছি, মার্কেটের কোন ইনকাম না পাওয়ায় ও হাটবাজারে না যাইতে পারায় অর্ধাহারে অনাহারে দিন যাচ্ছে। গত ১৫ এপ্রিল বাচ্চাদের পরীক্ষার কথা বলে বের হয়ে আমার এক আতীয়কে সাথে নিয়ে সন্ত্রাসীদের বিরোদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছি।কিন্তু এ এপর্যন্ত কোন প্রতিকার পাইনি।বরং এখন সন্ত্রাসীর ব্যাপরোয়া হয়ে উঠেছে।

লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন,মাননীয় পরিচালক দুর্নিতী দমন কমিশন,দুধক,জেলা প্রশাসক সিলেট,পুলিশ কমিশনার এস এম পি সিলেট, কমান্ডেন্ট র্য্যব ৯ সিলেট, জেলা পরিষদ প্রশাসক, সিসিক প্রশাসক, এবং জেলা পরিষদ প্রশাসকের সুপারিশ ক্রমে ১৬ এপ্রিল এয়ারপোর্ট থানার ওসি সাহেবের কাছে।

দরখাস্তে বর্ণিত ঘটনা স্হল বাদীনির বাসা ৫ তলা চায়না মার্কেট, সুনামগঞ্জ রোড,আম্বরখানা, থানা: এয়ারপোর্ট,ডাক: সিলেট ৩১০০,জেলা:সিলেট। সময় ও তারিখ ৭ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিঃ রোজ মঙ্গলবার,বিকেল অনুমান ৫ ঘটিকা।

দরখাস্তে উল্লেখ, মার্কেটের স্বত্বাধীকারী ও স্বত্বাধিকারীর পক্ষে, মোছাঃ হাজেরা বেগম, স্বামীঃ মরহুম আলহাজ্ব নুর ইসলাম খান,পিতাঃ মোঃ হাসান মিয়া,মাতাঃ নুরজাহান বেগম,জন্ম তারিখ: ০৮/০৯/১৯৯৩ ইং,ধর্মঃ ইসলাম,জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী,পেশাঃ গৃহিণী, গ্রামঃ দৌলত পুর,থানা ও উপজেলাঃ বিশ্বনাথ, হাংসাং চায়না মার্কেট, সুনামগঞ্জ রোড,আম্বরখানা, থানাঃ এয়ারপোর্ট ,এসএমপি,ডাক: সিলেট ৩১০০।জেলাঃ সিলেট। মোবাইল নং ০১৮৫৪৬৪৮৭৬৩।

স্বামীর তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী ১। মোছাঃ রুনা বেগম,পিতা মৃত আসকর আলী,সাং আব্দুল্লাহ চর,থানা: ছাতক,জেলা: সুনামগঞ্জ। হাংসাং নেহারি পাড়া, মদিনা মার্কেট ,থানা: জালালাবাদ, ডাক: সিলেট ৩১০০। জেলাঃ সিলেট, মোবাইল নং ০১৭০৭৫৪৬৫৭৯, গং।স্বামীর আরেক তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী ২। মোছাঃ বাবলী বেগম,পিতাঃ মরহুম জমসেদ আলী,সাং বিবিদইল,ডাকঃপশ্চিমভাগ ৩১০০।থানাঃ দক্ষিণ সুরমা, জেলাঃ সিলেট,মোবাইল নং ০১৩০৭১৪৭০৯৬, গং। মেয়ে ৩। আমেনা খানম হেপি (৩৪),পিতা: মৃত নুরুল ইসলাম খান,মাতা: সুফিয়া খানম,স্বামী; খালেদ আহমদ,সাং হায়দরপুর,ডাক : গহরপুর ৩১২৮,থানা : বালাগন্জ, জেলা : সিলেট।হাংসাং গোটাটিকর, ডাক: কদমতলী,থানা: মোগলা বাজার, জেলা: সিলেট, মোবাইল নং ০১৩৪১৭৮৭৬৪৬, গং। শালা ৪।আলমাছ উদ্দিন, পিতা: মরহুম জমসেদ আলী, সাং বিবিদইল, ডাক: পশ্চিম পাড়া ৩১০০,থানা;দক্ষিণ সুরমা, জেলা: সিলেট, মোবাইল নং ০১৭৮৪৯৬৭৭৯৫, সহ ৩৫/৪০ জনের দেশীয় অস্রসস্রে সজ্জিত পুরুষ ও মহিলা সন্ত্রাসী গণ।

সবিনয় নিবেদন,এই যে আমি ১ জন বিধবা এতিম ২ পূত্র সন্তানের জননী। একজন নিরীহ গৃহীনি ও আইন মান্যকারী মহিলা হই। পক্ষান্তরে বিবাদীগণ পরধন লোভী, আইন অমান্য কারী,দাঙ্গাবাদ,চাঁদাবাজ, খুবই খারাপ প্রকৃতির লোক বটে।আমার স্বামী বিগত ০১/০২/২০২৫ খ্রিঃ, দুরারোগে আক্রান্ত হয়ে মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।বিশ্বনাথ গ্রামের বাড়িতে লাশ দাপন কাপন হয়েছে।স্বামী সুস্থ থাকাকালীন থেকে অদ্যবদি স্বামীর অছিয়ত নামা ১৪/২০২২ ও ১৫/২০২২ দলিল মূলে মার্কেট ও ভুমির সত্ববান হয়ে
আমি আমার সন্তানদের নিয়ে আমার স্বামীর দেয়া চতুর্থ তলার ৫ তলার একটি প্লাটে শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করিয়া অংশভাটে ভোগদখল করিয়া আসিতেছি।এমতাবস্থায় আমার স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে বিবাদিগণ অন্যায় ভাবে হত্যা মামলা সহ একাধিক মিথ্যামামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করে মার্কেট থেকে বিতাড়িত করার আপ্রাণ চেষ্টা করছে।হত্যা মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছে। বিগত ৭ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিঃ রোজ মঙ্গলবার বিকেল অনুমানিক ৫ ঘটিকার সময় সমূহ পূর্বপরিকল্পিত ভাবে ১ হইতে ৪ নং বিবাদির নেতৃত্বে ৩৫/৪০ জনের একটি সংঘবদ্ধ, পেশাদার সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজ চক্র দেশীয় অস্রসস্রে সজ্জিত হয়ে মার্কেটের গেইট তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে ব্যাবসায়ীদের জিম্মি করে দোকানপাটে হামলা চালিয়ে জনমনে আতংক তৈরী করে। নীচ তলা থেকে উপর তালা পর্যন্ত ব্যাপক ভাংচুর করে এবং আলামত লোকানোর জন্য সকল সিসি ক্যামেরা ভেঙ্গে নিয়ে যায়।তারা মার্কেটের ৩ য় ও ৪ র্থ তালায় আবাসিক হোটেলে আক্রমণ চালিয়ে নগদ কমবেশি ৩ লাখ টাকা, কম্পিউটার ও লেপটক সহ মূল্যবান জিনিষ পত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়।এদের মধ্যে ১৫ জন অজ্ঞাত নামা সন্ত্রাসী ৩ তলার ১০১ ও ১১৩ নং রোমের তালা ভেংগে দখল করে এখন পর্যন্ত আছে,তারা গ্যাস সিলিন্ডার এনে রান্নাবাড়া করে আমোদ ফুর্তি করে খায়।

১ নং বিবাদী তিনির বিভিন্ন আতীয় পরিচয় দিয়ে ৫ ম তলার তালাবন্ধ আমার স্বামীর দেয়া একটি প্লাটের তালা ভেঙ্গে জোর পূর্বক দখলে নিয়ে ১০/১৫ জন শিশু মহিলা ও পূরুষ নিয়ে অবৈধ বসবাস করিতেছে।আর সব সময় ৫/৭ জন সন্ত্রাসী সহস্রবস্তায় আসা যাওয়া করিতেছে।তাহার মার্কেটের দোকান ভাড়া সহ সকল ইনকাম আমাকে না দিয়ে তাদের কাছে দেয়ার জন্য ব্যাবসায়ীদের চাপ দিচ্ছে। আমি সন্তান নিয়ে চলে যাওয়ার জন্য চাপ দিয়ে বলতেছে নতুবা তোদের মেরে ফেলবো।তাই আতংকের মধ্যে আমি ২ টি সন্তান নিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছি। ঠিকমত হাটবাজার করতে পারি না।তারা সব সময় আমার গতিবিধি ফলো করে। অনেকে তাদের চিনলেও ভয়ে নাম প্রকাশ করছে না।ঘটনার সময় আমি ৯৯৯ নং কলদিলে পুলিশ আসে কিন্তু সন্ত্রাসীদের বিরোদ্ধে কোন ব্যাবস্তা না নিয়ে চলে যায়।সন্ত্রাসীর আমার মার্কেটের সকল সিসি ক্যামেরা ভাংচুর করে আলামত নষ্ট করে আরো খতিসাধন করেছে।বিবাদিগণ আমাকে অপদস্থ করার জন্য হত্যা মামলা, নির্যাতন, ভুমি আত্বসাত, বাটোয়ারা মামলা সহ একাধিক মামলা দায়ের করেছে।

পরেরদিন এয়ারপোর্ট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে আমাকে রিসিব কপি না দিয়ে অসৌজন্য আচরণ করে তাড়িয়ে দেয়া হয়। তাই বাধ্য হয়ে ন্যায় বিচারের সার্থে বিবাদিগণের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্তা গ্রহনের জন্য আপনার দপ্তরে নিজে হাজির হয়ে অত্র অভিযোগ দায়ের করিলাম। সরজমিনে তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যাবে এবং বিবাদী দের জিজ্ঞাসাবাদ করলে অজ্ঞাত সমূহ আসামীদের পরিচয় পাওয়া যাবে।

অতএব প্রার্থনা এই যে আমি অসহায় মহিলার আবেদন খানা বিবেচনা করে আইনানুগ ব্যাবস্তা গ্রহনে আপানার মর্জি হয়।

ভুমি ও মার্কেটের তপশীলঃ

জেলা সিলেট, মৌজা আম্বরখানা, জেএল ৯২,বিএস ৭৪ স্তিত এসএ ১৫৪,খতিয়ান, নামজারী ২০৩৬ ও ২৩১৮ খতিয়ান, এবং বিএস নুজারত ৪৪০১ ও ২১৮২ নং খতিয়ানের অন্তরগত এস এ ৪১৩ নং দাগ বিএস ৪৩২৩ দাগে বাড়ীরকম ০,০০৫০ একর এবং তদউপস্তিত ভবনের ৫ ম তলার ৬৮’৬” ও ২০’-৬” ফ্ল্যাট বটে।
২য় তপশীল অংশীদারঃ
জেলা সিলেট, মৌজা আম্বরখানা, জেএল,এসএ ৯২ বিএস ৭৪ স্তিত এসএ ডিপি ১/১৫৬ এবং এসএ ছাপা ১৫৪ নং খতিয়ান এবং নামজারী ২০৩৬ ও ২৩১৮ এবং ডিপি ২১৮২ নং খতিয়ানের অন্তরগত এসএ ৪১৩,নং দাগ,বিএস ৪৩২৩ দাগে বাড়িরকম মোয়াজী ০,০৭০৬ একর ভুমি এবং এস এ ডিপি ১/১৫৬ এবং এসএ ছাপা ১৫৪ নং খতিয়ানের অন্তরগত এসএ ৪১৩ নং দাগে বাড়িরকম মোয়াজী ০,০৩৭১ একর ভুমি সহ মোট ০,১০৭৭ একর ভূমি এবং তদউপস্তিত ৬ তলা ভবন বটে।

হাজেরা বেগম এব্যাপারে তাড়াতাড়ি আইনানুগ ব্যাবস্তা নেয়ার জন্য সর্বমহলের সূদৃষ্টি কামনা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট নগরীর আম্বরখানা চায়না মার্কেটে সন্ত্রাসী হামলা সত্বাধীকারী হাজেরা বেগম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন

আপডেট সময় : ০৪:০৭:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

১৭ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিঃ শুক্রবার

সিলেট নগরীর আম্বরখানা চায়না মার্কেটের সত্বাধীকার নিয়ে মার্কেটে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের লুটরাজ,আইনী সহায়তা চেয়ে সত্বাধীকারী,মরহুম আলহাজ্ব নুর ইসলাম খানের স্ত্রী হাজেরা বেগম গত ১৫ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিঃ বুধবার নিজে হাজির হয়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে আভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ দায়েরে পর সন্ত্রাসীর ক্ষিপ্ত হয়ে তার উপর আরো বেশী নির্যাতন শুরু করেছে। তাহারা মার্কেটের ২ ও ৩ তলার আবাসিক হোটেল বন্ধ করে খারাপ যুবতী মেয়েদের বিভিন্ন রোমে এনে অনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করেছে।এ ব্যাপারে মার্কেটের সত্বাধীকারী মহিলা হাজেরা বেগম বলেন,২ টি নাবালক পূত্র সন্তান নিয়ে আমি আমার বাসা চায়না মার্কেটের ৫ তলায় সন্ত্রাসীদ্বারা অবরুদ্ধ আছি, মার্কেটের কোন ইনকাম না পাওয়ায় ও হাটবাজারে না যাইতে পারায় অর্ধাহারে অনাহারে দিন যাচ্ছে। গত ১৫ এপ্রিল বাচ্চাদের পরীক্ষার কথা বলে বের হয়ে আমার এক আতীয়কে সাথে নিয়ে সন্ত্রাসীদের বিরোদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছি।কিন্তু এ এপর্যন্ত কোন প্রতিকার পাইনি।বরং এখন সন্ত্রাসীর ব্যাপরোয়া হয়ে উঠেছে।

লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন,মাননীয় পরিচালক দুর্নিতী দমন কমিশন,দুধক,জেলা প্রশাসক সিলেট,পুলিশ কমিশনার এস এম পি সিলেট, কমান্ডেন্ট র্য্যব ৯ সিলেট, জেলা পরিষদ প্রশাসক, সিসিক প্রশাসক, এবং জেলা পরিষদ প্রশাসকের সুপারিশ ক্রমে ১৬ এপ্রিল এয়ারপোর্ট থানার ওসি সাহেবের কাছে।

দরখাস্তে বর্ণিত ঘটনা স্হল বাদীনির বাসা ৫ তলা চায়না মার্কেট, সুনামগঞ্জ রোড,আম্বরখানা, থানা: এয়ারপোর্ট,ডাক: সিলেট ৩১০০,জেলা:সিলেট। সময় ও তারিখ ৭ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিঃ রোজ মঙ্গলবার,বিকেল অনুমান ৫ ঘটিকা।

দরখাস্তে উল্লেখ, মার্কেটের স্বত্বাধীকারী ও স্বত্বাধিকারীর পক্ষে, মোছাঃ হাজেরা বেগম, স্বামীঃ মরহুম আলহাজ্ব নুর ইসলাম খান,পিতাঃ মোঃ হাসান মিয়া,মাতাঃ নুরজাহান বেগম,জন্ম তারিখ: ০৮/০৯/১৯৯৩ ইং,ধর্মঃ ইসলাম,জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী,পেশাঃ গৃহিণী, গ্রামঃ দৌলত পুর,থানা ও উপজেলাঃ বিশ্বনাথ, হাংসাং চায়না মার্কেট, সুনামগঞ্জ রোড,আম্বরখানা, থানাঃ এয়ারপোর্ট ,এসএমপি,ডাক: সিলেট ৩১০০।জেলাঃ সিলেট। মোবাইল নং ০১৮৫৪৬৪৮৭৬৩।

স্বামীর তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী ১। মোছাঃ রুনা বেগম,পিতা মৃত আসকর আলী,সাং আব্দুল্লাহ চর,থানা: ছাতক,জেলা: সুনামগঞ্জ। হাংসাং নেহারি পাড়া, মদিনা মার্কেট ,থানা: জালালাবাদ, ডাক: সিলেট ৩১০০। জেলাঃ সিলেট, মোবাইল নং ০১৭০৭৫৪৬৫৭৯, গং।স্বামীর আরেক তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী ২। মোছাঃ বাবলী বেগম,পিতাঃ মরহুম জমসেদ আলী,সাং বিবিদইল,ডাকঃপশ্চিমভাগ ৩১০০।থানাঃ দক্ষিণ সুরমা, জেলাঃ সিলেট,মোবাইল নং ০১৩০৭১৪৭০৯৬, গং। মেয়ে ৩। আমেনা খানম হেপি (৩৪),পিতা: মৃত নুরুল ইসলাম খান,মাতা: সুফিয়া খানম,স্বামী; খালেদ আহমদ,সাং হায়দরপুর,ডাক : গহরপুর ৩১২৮,থানা : বালাগন্জ, জেলা : সিলেট।হাংসাং গোটাটিকর, ডাক: কদমতলী,থানা: মোগলা বাজার, জেলা: সিলেট, মোবাইল নং ০১৩৪১৭৮৭৬৪৬, গং। শালা ৪।আলমাছ উদ্দিন, পিতা: মরহুম জমসেদ আলী, সাং বিবিদইল, ডাক: পশ্চিম পাড়া ৩১০০,থানা;দক্ষিণ সুরমা, জেলা: সিলেট, মোবাইল নং ০১৭৮৪৯৬৭৭৯৫, সহ ৩৫/৪০ জনের দেশীয় অস্রসস্রে সজ্জিত পুরুষ ও মহিলা সন্ত্রাসী গণ।

সবিনয় নিবেদন,এই যে আমি ১ জন বিধবা এতিম ২ পূত্র সন্তানের জননী। একজন নিরীহ গৃহীনি ও আইন মান্যকারী মহিলা হই। পক্ষান্তরে বিবাদীগণ পরধন লোভী, আইন অমান্য কারী,দাঙ্গাবাদ,চাঁদাবাজ, খুবই খারাপ প্রকৃতির লোক বটে।আমার স্বামী বিগত ০১/০২/২০২৫ খ্রিঃ, দুরারোগে আক্রান্ত হয়ে মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।বিশ্বনাথ গ্রামের বাড়িতে লাশ দাপন কাপন হয়েছে।স্বামী সুস্থ থাকাকালীন থেকে অদ্যবদি স্বামীর অছিয়ত নামা ১৪/২০২২ ও ১৫/২০২২ দলিল মূলে মার্কেট ও ভুমির সত্ববান হয়ে
আমি আমার সন্তানদের নিয়ে আমার স্বামীর দেয়া চতুর্থ তলার ৫ তলার একটি প্লাটে শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করিয়া অংশভাটে ভোগদখল করিয়া আসিতেছি।এমতাবস্থায় আমার স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে বিবাদিগণ অন্যায় ভাবে হত্যা মামলা সহ একাধিক মিথ্যামামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করে মার্কেট থেকে বিতাড়িত করার আপ্রাণ চেষ্টা করছে।হত্যা মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছে। বিগত ৭ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিঃ রোজ মঙ্গলবার বিকেল অনুমানিক ৫ ঘটিকার সময় সমূহ পূর্বপরিকল্পিত ভাবে ১ হইতে ৪ নং বিবাদির নেতৃত্বে ৩৫/৪০ জনের একটি সংঘবদ্ধ, পেশাদার সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজ চক্র দেশীয় অস্রসস্রে সজ্জিত হয়ে মার্কেটের গেইট তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে ব্যাবসায়ীদের জিম্মি করে দোকানপাটে হামলা চালিয়ে জনমনে আতংক তৈরী করে। নীচ তলা থেকে উপর তালা পর্যন্ত ব্যাপক ভাংচুর করে এবং আলামত লোকানোর জন্য সকল সিসি ক্যামেরা ভেঙ্গে নিয়ে যায়।তারা মার্কেটের ৩ য় ও ৪ র্থ তালায় আবাসিক হোটেলে আক্রমণ চালিয়ে নগদ কমবেশি ৩ লাখ টাকা, কম্পিউটার ও লেপটক সহ মূল্যবান জিনিষ পত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়।এদের মধ্যে ১৫ জন অজ্ঞাত নামা সন্ত্রাসী ৩ তলার ১০১ ও ১১৩ নং রোমের তালা ভেংগে দখল করে এখন পর্যন্ত আছে,তারা গ্যাস সিলিন্ডার এনে রান্নাবাড়া করে আমোদ ফুর্তি করে খায়।

১ নং বিবাদী তিনির বিভিন্ন আতীয় পরিচয় দিয়ে ৫ ম তলার তালাবন্ধ আমার স্বামীর দেয়া একটি প্লাটের তালা ভেঙ্গে জোর পূর্বক দখলে নিয়ে ১০/১৫ জন শিশু মহিলা ও পূরুষ নিয়ে অবৈধ বসবাস করিতেছে।আর সব সময় ৫/৭ জন সন্ত্রাসী সহস্রবস্তায় আসা যাওয়া করিতেছে।তাহার মার্কেটের দোকান ভাড়া সহ সকল ইনকাম আমাকে না দিয়ে তাদের কাছে দেয়ার জন্য ব্যাবসায়ীদের চাপ দিচ্ছে। আমি সন্তান নিয়ে চলে যাওয়ার জন্য চাপ দিয়ে বলতেছে নতুবা তোদের মেরে ফেলবো।তাই আতংকের মধ্যে আমি ২ টি সন্তান নিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছি। ঠিকমত হাটবাজার করতে পারি না।তারা সব সময় আমার গতিবিধি ফলো করে। অনেকে তাদের চিনলেও ভয়ে নাম প্রকাশ করছে না।ঘটনার সময় আমি ৯৯৯ নং কলদিলে পুলিশ আসে কিন্তু সন্ত্রাসীদের বিরোদ্ধে কোন ব্যাবস্তা না নিয়ে চলে যায়।সন্ত্রাসীর আমার মার্কেটের সকল সিসি ক্যামেরা ভাংচুর করে আলামত নষ্ট করে আরো খতিসাধন করেছে।বিবাদিগণ আমাকে অপদস্থ করার জন্য হত্যা মামলা, নির্যাতন, ভুমি আত্বসাত, বাটোয়ারা মামলা সহ একাধিক মামলা দায়ের করেছে।

পরেরদিন এয়ারপোর্ট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে আমাকে রিসিব কপি না দিয়ে অসৌজন্য আচরণ করে তাড়িয়ে দেয়া হয়। তাই বাধ্য হয়ে ন্যায় বিচারের সার্থে বিবাদিগণের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্তা গ্রহনের জন্য আপনার দপ্তরে নিজে হাজির হয়ে অত্র অভিযোগ দায়ের করিলাম। সরজমিনে তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যাবে এবং বিবাদী দের জিজ্ঞাসাবাদ করলে অজ্ঞাত সমূহ আসামীদের পরিচয় পাওয়া যাবে।

অতএব প্রার্থনা এই যে আমি অসহায় মহিলার আবেদন খানা বিবেচনা করে আইনানুগ ব্যাবস্তা গ্রহনে আপানার মর্জি হয়।

ভুমি ও মার্কেটের তপশীলঃ

জেলা সিলেট, মৌজা আম্বরখানা, জেএল ৯২,বিএস ৭৪ স্তিত এসএ ১৫৪,খতিয়ান, নামজারী ২০৩৬ ও ২৩১৮ খতিয়ান, এবং বিএস নুজারত ৪৪০১ ও ২১৮২ নং খতিয়ানের অন্তরগত এস এ ৪১৩ নং দাগ বিএস ৪৩২৩ দাগে বাড়ীরকম ০,০০৫০ একর এবং তদউপস্তিত ভবনের ৫ ম তলার ৬৮’৬” ও ২০’-৬” ফ্ল্যাট বটে।
২য় তপশীল অংশীদারঃ
জেলা সিলেট, মৌজা আম্বরখানা, জেএল,এসএ ৯২ বিএস ৭৪ স্তিত এসএ ডিপি ১/১৫৬ এবং এসএ ছাপা ১৫৪ নং খতিয়ান এবং নামজারী ২০৩৬ ও ২৩১৮ এবং ডিপি ২১৮২ নং খতিয়ানের অন্তরগত এসএ ৪১৩,নং দাগ,বিএস ৪৩২৩ দাগে বাড়িরকম মোয়াজী ০,০৭০৬ একর ভুমি এবং এস এ ডিপি ১/১৫৬ এবং এসএ ছাপা ১৫৪ নং খতিয়ানের অন্তরগত এসএ ৪১৩ নং দাগে বাড়িরকম মোয়াজী ০,০৩৭১ একর ভুমি সহ মোট ০,১০৭৭ একর ভূমি এবং তদউপস্তিত ৬ তলা ভবন বটে।

হাজেরা বেগম এব্যাপারে তাড়াতাড়ি আইনানুগ ব্যাবস্তা নেয়ার জন্য সর্বমহলের সূদৃষ্টি কামনা করছেন।