ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট নগরীর আম্বরখানা চায়না মার্কেটে সন্ত্রাসী হামলা সত্বাধীকারী হাজেরা বেগম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন বয়স পঞ্চাশের পরও ফিট থাকতে হলে যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন হার্ট ভালো রাখতে বাদ দেবেন ৪ খাবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ‘মনস্তাত্ত্বিক অপারেশন’ চালাচ্ছে রয়টার্স: ইরান ‘সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, যুদ্ধের চিরস্থায়ী অবসান চায় ইরান’ ‘শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়টি বিবেচনা করছে ভারত’ হবিগঞ্জ মাধবপুরে বিজিবির অভিযান ২২ লাখ টাকার জিরা জব্দ হবিগঞ্জ মাধবপুরে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর, এলাকায় উত্তেজনা বাড়ছে লোডশেডিং, উৎপাদন ঘাটতি ২ হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশে পাশে থাকবে সিসিক: প্রশাসক

সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশে পাশে থাকবে সিসিক: প্রশাসক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫০:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন সর্বদা সাহিত্য ও সংস্কৃতি কর্মীদের পাশে থাকবে। সিলেটের সমৃদ্ধ ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশে সমন্বিতভাবে কাজ করতে চায় সিটি কর্পোরেশন।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে নগরের শারদা স্মৃতি ভবন প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘পাঠশালা’ আয়োজিত ‘পাঠশালায় বৈশাখ ১৪৩৩’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত লোকসংস্কৃতি গবেষক ও প্রাবন্ধিক সুমনকুমার দাশ।

সিসিক প্রশাসক বলেন, সিলেট অঞ্চলে সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার পরিধি বাড়াতে আরও উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ খাতে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

শিশুদের মেধা বিকাশ ও নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ‘পাঠশালা’র কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “পাঠশালা শিশুদের মনে দেশপ্রেম জাগ্রত করছে এবং তাদের সংস্কৃতিমনা করে গড়ে তুলছে। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।”

তিনি আরও বলেন, শিশুদের সাংস্কৃতিক চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে পাঠশালার মতো অন্যান্য সংগঠনগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সিলেট আগমনের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও জানান সিসিক প্রশাসক। এ উপলক্ষে সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজনদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং অনুষ্ঠান সফল করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সুমনকুমার দাশ শিশুদের পরোপকারী হয়ে ওঠার আহ্বান জানান। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের সমাজসেবক জিয়াউল হকের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, সীমিত শিক্ষাজীবন থাকা সত্ত্বেও তিনি দুধ-দই বিক্রি করে সেই অর্থ দিয়ে বই কিনে মানুষের মাঝে বিতরণ করেছেন। সমাজের কল্যাণে কাজ করার এ মনোভাব নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়।

‘পাঠশালা’র পরিচালক নাজমা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংগঠনের কর্মী, শিশু ও কিশোররা অংশ নেয়। তারা নাটক, আবৃত্তি ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশে পাশে থাকবে সিসিক: প্রশাসক

আপডেট সময় : ০২:৫০:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন সর্বদা সাহিত্য ও সংস্কৃতি কর্মীদের পাশে থাকবে। সিলেটের সমৃদ্ধ ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশে সমন্বিতভাবে কাজ করতে চায় সিটি কর্পোরেশন।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে নগরের শারদা স্মৃতি ভবন প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘পাঠশালা’ আয়োজিত ‘পাঠশালায় বৈশাখ ১৪৩৩’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত লোকসংস্কৃতি গবেষক ও প্রাবন্ধিক সুমনকুমার দাশ।

সিসিক প্রশাসক বলেন, সিলেট অঞ্চলে সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার পরিধি বাড়াতে আরও উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ খাতে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

শিশুদের মেধা বিকাশ ও নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ‘পাঠশালা’র কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “পাঠশালা শিশুদের মনে দেশপ্রেম জাগ্রত করছে এবং তাদের সংস্কৃতিমনা করে গড়ে তুলছে। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।”

তিনি আরও বলেন, শিশুদের সাংস্কৃতিক চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে পাঠশালার মতো অন্যান্য সংগঠনগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সিলেট আগমনের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও জানান সিসিক প্রশাসক। এ উপলক্ষে সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজনদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং অনুষ্ঠান সফল করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সুমনকুমার দাশ শিশুদের পরোপকারী হয়ে ওঠার আহ্বান জানান। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের সমাজসেবক জিয়াউল হকের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, সীমিত শিক্ষাজীবন থাকা সত্ত্বেও তিনি দুধ-দই বিক্রি করে সেই অর্থ দিয়ে বই কিনে মানুষের মাঝে বিতরণ করেছেন। সমাজের কল্যাণে কাজ করার এ মনোভাব নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়।

‘পাঠশালা’র পরিচালক নাজমা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংগঠনের কর্মী, শিশু ও কিশোররা অংশ নেয়। তারা নাটক, আবৃত্তি ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে।