ঢাকা ০২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান এনআইডি’র তথ্য সংশোধন,আবেদন ফি পাঁচ হাজার টাকা আরোপের প্রস্তাব ভোট দিতে ১ লাখ ৯৩ হাজারের বেশি প্রবাসীর নিবন্ধন চাঁদাবাজির কারণে একদল ঘৃণা কুঁড়িয়েছে, আরেকদল সর্ব শক্তি নিয়ে নেমেছে – ড. শফিকুর রহমান মৌলভীবাজারসহ সীমান্তে ৩০ বাংলাদেশিকে হত্যা ভারতের সিলেটে আন্তর্জাতিক দূ র্নী তি বিরোধী দিবসের কর্মসূচি সফল আহবান সিলেটে ভাইরাসে আক্রান্ত ৪৯৭ জন সিলেটে ইসলামী ৮ দলের সমাবেশ বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ১১ নারী, কে কোন আসনে ? আরিফুল হক চৌধুরীকে বয়কট করে মশাল মিছিল সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে বিদেশী সিগারেট ও ৬ আইফোন জব্দ

তারকাদের মনোনয়নপত্র কেনার হিড়িক,যা বললেন জায়েদ খান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৩ ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক :অনলাইন সংস্করণ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার গুঞ্জন শোনা গেলেও মনোনয়নপত্র কিনেননি চিত্রনায়ক জায়েদ খান। সবার ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে বিরত থাকলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত এই নায়ক।বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় কর্মী এ মুহূর্তে রাজনীতি থেকে কেন দূরে, তা জানালেন অভিনেতা জায়েদ খান। তিনি বলেন, আমার হাতে এখন দেশ-বিদেশের অনেক কাজ। আপাতত এ কাজগুলো নিয়েই আমি ব্যস্ত। ইচ্ছা করেই আমি মনোনয়নপত্র কিনিনি। কারণ দুটি কাজ একসঙ্গে হয় না। আর আমাকে সংসদ সদস্য হিসেবে বিবেচনা করলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ এমনিতেই আসবে। তিনি যখন মনে করবেন আমি তখন মনোনয়নপত্র কিনব, এখন নয়।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল গতকাল। এবার ৩০০ আসনে দলটির ৩ হাজার ৩৬২টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে। বিনোদন জগতের প্রায় ডজনখানেক তারকা দলের মনোনয়নপত্র কিনেছেন। এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিল্পীদের পছন্দ করেন। তিনি সংস্কৃতিমনা মানুষ। শিল্পীদের কাছে পেলেই আপন করে নিয়ে কথা বলেন। আর এতে অনেক শিল্পী মনে মনে ভেবে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তাকে এমপি বানাবেন।জায়েদ খান বলেন, যারা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে পাশে ছিলেন, তাদেরই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা চিন্তা করা উচিত। এবারের মনোনয়ন কেনা অনেক শিল্পীই দলের দুঃসময়ে ছিলেন না।

অভিনেতা আরও বলেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আওয়ামী লীগ বিরোধী দল ছিল। আমি ছাত্রলীগ করতাম, তখন রাজপথে ছিলাম। মার খেয়েছি। আমরা হলাম আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মী। রুবেল ভাই, সোহেল রানা ভাইও রাজপথের লোক। তারা আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে রাজপথে ছিলেন। আমি মনে করি আমরা যারা আওয়ামী লীগের খারাপ সময়ে পাশে ছিলাম, আমাদের মনোনয়নপত্র নেওয়া উচিত; কিন্তু দেখেন যারা মনোনয়নপত্র নিয়েছেন তারা অধিকাংশই বসন্তের কোকিল।

বিনোদন জগতের তারকাদের মধ্যে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), সিমলা (ঝিনাইদহ-১), নায়ক মাসুদ পারভেজ রুবেল (বরিশাল-৩), সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী ও অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর নীলফামারী-২ আসনের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। এছাড়া অভিনেত্রী শমী কায়সার ও রোকেয়া প্রাচী (ফেনী-৩), অভিনেতা ড্যানি সিডাক (ঢাকা-১০) ও সিদ্দিকুর রহমান (ঢাকা-১৭ ও টাঙ্গাইল-১), চিত্রনায়ক শাকিল খান (বাগেরহাট-৩), গায়িকা মমতাজ বেগম (মানিকগঞ্জ-২) আসন থেকে, গায়ক এসডি রুবেল ঢাকা-৮, গীতিকবি সুজন হাজং (নেত্রকোনা-১) থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তারকাদের মনোনয়নপত্র কেনার হিড়িক,যা বললেন জায়েদ খান

আপডেট সময় : ০৩:৫৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৩

বিনোদন ডেস্ক :অনলাইন সংস্করণ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার গুঞ্জন শোনা গেলেও মনোনয়নপত্র কিনেননি চিত্রনায়ক জায়েদ খান। সবার ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে বিরত থাকলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত এই নায়ক।বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় কর্মী এ মুহূর্তে রাজনীতি থেকে কেন দূরে, তা জানালেন অভিনেতা জায়েদ খান। তিনি বলেন, আমার হাতে এখন দেশ-বিদেশের অনেক কাজ। আপাতত এ কাজগুলো নিয়েই আমি ব্যস্ত। ইচ্ছা করেই আমি মনোনয়নপত্র কিনিনি। কারণ দুটি কাজ একসঙ্গে হয় না। আর আমাকে সংসদ সদস্য হিসেবে বিবেচনা করলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ এমনিতেই আসবে। তিনি যখন মনে করবেন আমি তখন মনোনয়নপত্র কিনব, এখন নয়।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল গতকাল। এবার ৩০০ আসনে দলটির ৩ হাজার ৩৬২টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে। বিনোদন জগতের প্রায় ডজনখানেক তারকা দলের মনোনয়নপত্র কিনেছেন। এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিল্পীদের পছন্দ করেন। তিনি সংস্কৃতিমনা মানুষ। শিল্পীদের কাছে পেলেই আপন করে নিয়ে কথা বলেন। আর এতে অনেক শিল্পী মনে মনে ভেবে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তাকে এমপি বানাবেন।জায়েদ খান বলেন, যারা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে পাশে ছিলেন, তাদেরই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা চিন্তা করা উচিত। এবারের মনোনয়ন কেনা অনেক শিল্পীই দলের দুঃসময়ে ছিলেন না।

অভিনেতা আরও বলেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আওয়ামী লীগ বিরোধী দল ছিল। আমি ছাত্রলীগ করতাম, তখন রাজপথে ছিলাম। মার খেয়েছি। আমরা হলাম আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মী। রুবেল ভাই, সোহেল রানা ভাইও রাজপথের লোক। তারা আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে রাজপথে ছিলেন। আমি মনে করি আমরা যারা আওয়ামী লীগের খারাপ সময়ে পাশে ছিলাম, আমাদের মনোনয়নপত্র নেওয়া উচিত; কিন্তু দেখেন যারা মনোনয়নপত্র নিয়েছেন তারা অধিকাংশই বসন্তের কোকিল।

বিনোদন জগতের তারকাদের মধ্যে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), সিমলা (ঝিনাইদহ-১), নায়ক মাসুদ পারভেজ রুবেল (বরিশাল-৩), সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী ও অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর নীলফামারী-২ আসনের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। এছাড়া অভিনেত্রী শমী কায়সার ও রোকেয়া প্রাচী (ফেনী-৩), অভিনেতা ড্যানি সিডাক (ঢাকা-১০) ও সিদ্দিকুর রহমান (ঢাকা-১৭ ও টাঙ্গাইল-১), চিত্রনায়ক শাকিল খান (বাগেরহাট-৩), গায়িকা মমতাজ বেগম (মানিকগঞ্জ-২) আসন থেকে, গায়ক এসডি রুবেল ঢাকা-৮, গীতিকবি সুজন হাজং (নেত্রকোনা-১) থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছেন।