সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা জিন্দাবাজারে নালায় আবর্জনা-পয়োবর্জ্য, স্বাস্থ্য ঝুঁকি সিলেট সীমান্তে ৩৫ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ সিলেট ফায়ার সার্ভিসকে একটি বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট জৈন্তাপুরে নৌকাপ্রতি ২ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ সিলেটে সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন নবনিয়োগপ্রাপ্ত ১৬ কর্মকর্তা সিলেটের ৩ কর্মকর্তা বদলি, একই সঙ্গে পদায়ন নয়াবাজার মণিপুরী পাড়ায় মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক সিলেট ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহ উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল স্পিকার মুস্তাক আহমদের সাক্ষাৎ

কৃষককে পাশে বসিয়ে সুখ-দুঃখের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৯:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে শনিবার (১৬ মে) দুপুরে বিশাল সমাবেশে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় এক হৃদয়স্পর্শী দৃশ্যের অবতারণা করেন তিনি। সমাবেশ থেকে সাইফুল ইসলাম লিটন নামের এক সাধারণ কৃষককে ডেকে নিজের পাশে বসান সরকারপ্রধান, কথা বলেন তার সঙ্গে। অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তার সুখ-দুঃখের কথা শোনেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর এমন অভূতপূর্ব ও সাধারণ আচরণে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন কৃষক সাইফুল। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে আমাকে এমন একটি অনন্য সুযোগ করে দিয়েছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রীর পাশে বসতে পারা এবং নিজের কথা সরাসরি তাকে বলতে পারা আমার জীবনের অন্যতম একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে।

খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন ও প্রধানমন্ত্রীর এই সমাবেশ ঘিরে পুরো জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং সকাল থেকেই প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষের ঢল নামে সমাবেশস্থলে।

সমাবেশে দেশের প্রান্তিক কৃষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে আন্তরিকতা ও উন্নয়ন ভাবনার নতুন বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি খাতকে আরও আধুনিক করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ অবস্থানে রয়েছে, তবে আমরা এখানেই থেমে থাকতে চাই না। আমাদের লক্ষ্য দেশকে আরও বেশি খাদ্য উদ্বৃত্ত ও সমৃদ্ধ করা, যাতে ভবিষতে খাদ্যের জন্য দেশের কোনো মানুষকে কষ্ট পেতে না হয়।

দেশের নারী শিক্ষার প্রসারে একটি যুগান্তকারী ঘোষণা দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, দেশের মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করতে স্নাতক (পাশ ও অনার্স) পর্যায় পর্যন্ত পড়াশোনার যাবতীয় খরচ সরকার বহন করবে। 

প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণায় উপস্থিত জনতা ও নারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এ সময় করতালি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কৃষককে পাশে বসিয়ে সুখ-দুঃখের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৪৯:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে শনিবার (১৬ মে) দুপুরে বিশাল সমাবেশে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় এক হৃদয়স্পর্শী দৃশ্যের অবতারণা করেন তিনি। সমাবেশ থেকে সাইফুল ইসলাম লিটন নামের এক সাধারণ কৃষককে ডেকে নিজের পাশে বসান সরকারপ্রধান, কথা বলেন তার সঙ্গে। অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তার সুখ-দুঃখের কথা শোনেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর এমন অভূতপূর্ব ও সাধারণ আচরণে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন কৃষক সাইফুল। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে আমাকে এমন একটি অনন্য সুযোগ করে দিয়েছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রীর পাশে বসতে পারা এবং নিজের কথা সরাসরি তাকে বলতে পারা আমার জীবনের অন্যতম একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে।

খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন ও প্রধানমন্ত্রীর এই সমাবেশ ঘিরে পুরো জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং সকাল থেকেই প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষের ঢল নামে সমাবেশস্থলে।

সমাবেশে দেশের প্রান্তিক কৃষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে আন্তরিকতা ও উন্নয়ন ভাবনার নতুন বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি খাতকে আরও আধুনিক করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ অবস্থানে রয়েছে, তবে আমরা এখানেই থেমে থাকতে চাই না। আমাদের লক্ষ্য দেশকে আরও বেশি খাদ্য উদ্বৃত্ত ও সমৃদ্ধ করা, যাতে ভবিষতে খাদ্যের জন্য দেশের কোনো মানুষকে কষ্ট পেতে না হয়।

দেশের নারী শিক্ষার প্রসারে একটি যুগান্তকারী ঘোষণা দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, দেশের মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করতে স্নাতক (পাশ ও অনার্স) পর্যায় পর্যন্ত পড়াশোনার যাবতীয় খরচ সরকার বহন করবে। 

প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণায় উপস্থিত জনতা ও নারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এ সময় করতালি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা।