সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান হবিগঞ্জ বহুলায় ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মায়ের প্রতি অবহেলার অভিযোগে যুগ্ম সচিব আনিসুর রহমানকে প্রত্যাহার বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চায় যু’ক্তরাষ্ট্র সিলেটে হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ করবে চীন- আরিফ জরুরী মুহুর্তসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা নিতে আসা রোগীদের দ্রুত ও নিরবিচ্ছিন্ন সেবা প্রদানের নির্দেশ- এমপি লুনা সিলেট বিভিন্ন অপরাধে অপরাধে গ্রেফতার ৬২, ১৪৫টি যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা বিয়ানীবাজারে শিশুকে বলাৎকার অভিযোগে আটক ১ সিলেট ডায়াবেটিক হাসপাতাল এই অঞ্চলের সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের ডায়াবেটিস চিকিৎসার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল- মন্ত্রী আরিফ

বাড়ি ভাড়া বাড়ালে কী আইনি পদক্ষেপ নেবেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৩:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৩ ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :অনলাইন সংস্করণ

ঢাকায় বাড়ি ভাড়ার ব্যয় অনেক বেশি। বেতনের অধিকাংশ টাকা চলে যায় বাড়ি ভাড়ায়। এর মধ্যেই অনেক বাড়ির মালিক অযথা কোনো কারণ ছাড়ায় এক বছর বা ছয় মাস পর পর ভাড়া বাড়িয়ে থাকেন। ভাড়া বাড়ানোর অজুহাতে আপনাকে উচ্ছেদের চেষ্টা করেন। এ ধরনের সমস্যায় আইনি ব্যবস্থা নিলে আপনি প্রতিকার পেতে পারেন। 

কীভাবে প্রতিকার পাবেন

বাড়িওয়ালা ভাড়া বাড়ানোর অজুহাতে আপনাকে উচ্ছেদের চেষ্টা করলে আপনি বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ এবং ভাড়া নিয়ন্ত্রকের কাছে অভিযোগ বা আরজি দায়ের করতে পারেন।বর্তমানে সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ভাড়া নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।এ নিয়ন্ত্রক কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে আপনার দরখাস্তের বা আরজির শুনানি গ্রহণ করতে পারবেন।

বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৯১ অনুযায়ী,প্রতি দুই বছর পর বাড়িওয়ালা ভাড়া বাড়ালেও তা হতে হবে যুক্তিসঙ্গত।এছাড়া মাসিক ভাড়া নিয়ে কোনো লিখিত চুক্তি না থাকলে মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে মানি অর্ডারযোগে বাড়িওয়ালার ঠিকানায় ভাড়া প্রেরণ করতে হবে।

যা করবেন

১. মানি অর্ডারযোগে প্রেরণ করা ভাড়ার টাকা বাড়িওয়ালা যদি গ্রহণ না করেন,পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে ভাড়াটিয়াকে সিনিয়র সহকারী জজের বরাবর দরখাস্ত এবং একই সঙ্গে ভাড়ার টাকাও জমা দিতে হবে।

২. একজন আইনজীবীর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রক বরাবর আবেদন করতে হবে।

৩. ভাড়া নিয়ন্ত্রক প্রাথমিকভাবে শুনানির পর যদি সন্তুষ্ট হন যে ভাড়া প্রদানের জন্য অনুমতি দেয়া যাবে, সে ক্ষেত্রে ভাড়ার টাকা প্রতি মাসেই আদালতে জমা দেয়া যাবে।

৪. আদালতে ভাড়ার টাকা জমা দিলে আইনতভাবে ভাড়াটিয়াকে ভাড়াখেলাপি বলার সুযোগ থাকবে না।

৫. বাড়িওয়ালার সঙ্গে লিখিত চুক্তিতে কী কী শর্তে ভাড়া দেয়া হলো এবং করণীয় কী,সেসব নির্দিষ্ট করে দিতে হবে। চুক্তিপত্রে ভাড়া বাড়ানো,অগ্রিম জমা ও কখন বাড়ি ছাড়বেন তা অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।

৬. আর প্রতি মাসে বাড়িওয়ালার কাছ থেকে ভাড়ার লিখিত রসিদ সংগ্রহ করতে হবে।

লেখক: অ্যাডভোকেট আবুল হাসান,অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাড়ি ভাড়া বাড়ালে কী আইনি পদক্ষেপ নেবেন

আপডেট সময় : ০১:৫৩:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৩

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :অনলাইন সংস্করণ

ঢাকায় বাড়ি ভাড়ার ব্যয় অনেক বেশি। বেতনের অধিকাংশ টাকা চলে যায় বাড়ি ভাড়ায়। এর মধ্যেই অনেক বাড়ির মালিক অযথা কোনো কারণ ছাড়ায় এক বছর বা ছয় মাস পর পর ভাড়া বাড়িয়ে থাকেন। ভাড়া বাড়ানোর অজুহাতে আপনাকে উচ্ছেদের চেষ্টা করেন। এ ধরনের সমস্যায় আইনি ব্যবস্থা নিলে আপনি প্রতিকার পেতে পারেন। 

কীভাবে প্রতিকার পাবেন

বাড়িওয়ালা ভাড়া বাড়ানোর অজুহাতে আপনাকে উচ্ছেদের চেষ্টা করলে আপনি বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ এবং ভাড়া নিয়ন্ত্রকের কাছে অভিযোগ বা আরজি দায়ের করতে পারেন।বর্তমানে সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ভাড়া নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।এ নিয়ন্ত্রক কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে আপনার দরখাস্তের বা আরজির শুনানি গ্রহণ করতে পারবেন।

বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৯১ অনুযায়ী,প্রতি দুই বছর পর বাড়িওয়ালা ভাড়া বাড়ালেও তা হতে হবে যুক্তিসঙ্গত।এছাড়া মাসিক ভাড়া নিয়ে কোনো লিখিত চুক্তি না থাকলে মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে মানি অর্ডারযোগে বাড়িওয়ালার ঠিকানায় ভাড়া প্রেরণ করতে হবে।

যা করবেন

১. মানি অর্ডারযোগে প্রেরণ করা ভাড়ার টাকা বাড়িওয়ালা যদি গ্রহণ না করেন,পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে ভাড়াটিয়াকে সিনিয়র সহকারী জজের বরাবর দরখাস্ত এবং একই সঙ্গে ভাড়ার টাকাও জমা দিতে হবে।

২. একজন আইনজীবীর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রক বরাবর আবেদন করতে হবে।

৩. ভাড়া নিয়ন্ত্রক প্রাথমিকভাবে শুনানির পর যদি সন্তুষ্ট হন যে ভাড়া প্রদানের জন্য অনুমতি দেয়া যাবে, সে ক্ষেত্রে ভাড়ার টাকা প্রতি মাসেই আদালতে জমা দেয়া যাবে।

৪. আদালতে ভাড়ার টাকা জমা দিলে আইনতভাবে ভাড়াটিয়াকে ভাড়াখেলাপি বলার সুযোগ থাকবে না।

৫. বাড়িওয়ালার সঙ্গে লিখিত চুক্তিতে কী কী শর্তে ভাড়া দেয়া হলো এবং করণীয় কী,সেসব নির্দিষ্ট করে দিতে হবে। চুক্তিপত্রে ভাড়া বাড়ানো,অগ্রিম জমা ও কখন বাড়ি ছাড়বেন তা অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।

৬. আর প্রতি মাসে বাড়িওয়ালার কাছ থেকে ভাড়ার লিখিত রসিদ সংগ্রহ করতে হবে।

লেখক: অ্যাডভোকেট আবুল হাসান,অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট।