সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দলের সাক্ষাৎ সিলেট নগরীতে সড়ক ও জনপথ সব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পর্যায়ক্রমে এ গ্রেডে উন্নীত করা হবে- এমপি মুক্তাদির জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা মহোৎসবের আলোচনা সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে- ডা. শফিকুর রহমান সিলেটে বেসরকারি হাসপাতাল ও একটি হোটেলকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা সিলেটের সেফওয়ে সিলগালা, স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোক সতর্কবার্তা সিলেট র‌্যাবের অভিযানে পুলিশের টিয়ারগ্যাস গ্রেনেড উদ্ধার চীন রেললাইনকে ডুয়েলগেজ রেললাইনে রূপান্তর প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ সিলেট মহানগরীর বাদামবাগিচা এলাকা পরিদর্শনে (সিসিক)কাইয়ুম চৌধুরী সিলেটে নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ সারোয়ার

মাংস বিক্রেতাদের অনিয়ম, অনুরোধে জরিমানা কমালেন কর্মকর্তা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪ ১৮৫ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

মূল্য তালিকা না রাখার কারণে এক মাংস বিক্রেতাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। জনসমক্ষে  জরিমানা টাকার পরিমাণও ঘোষণা করা হয়। পরে দোকানদারের অনুরোধে জরিমানা ১০ হাজার টাকা কমিয়ে ভোক্তা অধিকার আইনের ৩২ ধারায় ২০ হাজার টাকা আদায় করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) দুপুরে সুনামগঞ্জ পৌরশহরে মাংস বিক্রিতা শহীদ মিয়াকে এই জরিমানা করা হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম ভুঞাসহ পুলিশ ও এনএসআইয়ের সদস্যরা। পবিত্র রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণ রাখতে তারা যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছেন বলে জানিয়েছেন।

 মাংস বিক্রেতার দোকানের সামনে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমির হোসেন রেজা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পাঁচ থেকে সাতজন ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে মাংসের দাম বাড়িয়েছে। এনিয়ে কেউ কথা বলতে পারেন না। মাংসের মধ্যে পানি দিয়ে ওজন বাড়িয়ে দেয়। আরও বিভিন্ন রকমের কারচুপি রয়েছে এখানে।’অভিযোগ স্বীকার করে গরুর মাংস বিক্রেতা সমিতির সভাপতি রাশিদ আলী বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা তার কথা শোনে না। ওজনে কম না দিতে ও দোকানের সামনে মূল্য তালিকা রাখতে বলেছি আমি। তারা আমার কথা শুনেনি।’

 জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন বলেন, ‘বাজার নিয়ন্ত্রণ রাখতে যৌথ অভিযানে এসেছি। আজকেও বাজারে বেশ কিছু অনিয়ম দেখলাম। গরুর মাংস বিক্রেতাদের প্রতিশ্রুতি ছিল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করবে। তারা সেটি রাখেননি। এ ছাড়া বেশ কিছু আইনের লঙ্ঘন পেয়েছি। এজন্য একটি গরুর মাংস দোকানিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছি। চালের দোকানে ২০ টাকা লাভে বিক্রি করতে দেখলাম। সেখানে সতর্ক করে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছি। যারা অনিয়ম করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মাংস বিক্রেতাদের অনিয়ম, অনুরোধে জরিমানা কমালেন কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ০৫:১৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

মূল্য তালিকা না রাখার কারণে এক মাংস বিক্রেতাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। জনসমক্ষে  জরিমানা টাকার পরিমাণও ঘোষণা করা হয়। পরে দোকানদারের অনুরোধে জরিমানা ১০ হাজার টাকা কমিয়ে ভোক্তা অধিকার আইনের ৩২ ধারায় ২০ হাজার টাকা আদায় করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) দুপুরে সুনামগঞ্জ পৌরশহরে মাংস বিক্রিতা শহীদ মিয়াকে এই জরিমানা করা হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম ভুঞাসহ পুলিশ ও এনএসআইয়ের সদস্যরা। পবিত্র রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণ রাখতে তারা যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছেন বলে জানিয়েছেন।

 মাংস বিক্রেতার দোকানের সামনে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমির হোসেন রেজা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পাঁচ থেকে সাতজন ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে মাংসের দাম বাড়িয়েছে। এনিয়ে কেউ কথা বলতে পারেন না। মাংসের মধ্যে পানি দিয়ে ওজন বাড়িয়ে দেয়। আরও বিভিন্ন রকমের কারচুপি রয়েছে এখানে।’অভিযোগ স্বীকার করে গরুর মাংস বিক্রেতা সমিতির সভাপতি রাশিদ আলী বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা তার কথা শোনে না। ওজনে কম না দিতে ও দোকানের সামনে মূল্য তালিকা রাখতে বলেছি আমি। তারা আমার কথা শুনেনি।’

 জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন বলেন, ‘বাজার নিয়ন্ত্রণ রাখতে যৌথ অভিযানে এসেছি। আজকেও বাজারে বেশ কিছু অনিয়ম দেখলাম। গরুর মাংস বিক্রেতাদের প্রতিশ্রুতি ছিল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করবে। তারা সেটি রাখেননি। এ ছাড়া বেশ কিছু আইনের লঙ্ঘন পেয়েছি। এজন্য একটি গরুর মাংস দোকানিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছি। চালের দোকানে ২০ টাকা লাভে বিক্রি করতে দেখলাম। সেখানে সতর্ক করে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছি। যারা অনিয়ম করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।’