সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষে শাহপরান (রহ.)মাজারের প্রস্তুতি পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক সিলেট জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত শাহজালাল (রহ.) মাজারে প্রস্তুতি, মঙ্গলবার সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি সচেতনতামূলক র‌্যালি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের কমিটি নের্তৃবৃন্দকে ব্যবসায়ীদের মিষ্টিমূখ সিলেটে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫১ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ রাষ্ট্রপতিকে সিলেট সফর ও নাগরিক সংবর্ধনার প্রস্তুতি জানালেন সিসিক প্রশাসক সিলেট ১ শিশুর মৃত্যু, প্রায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৬০ সিলেটে (এসএমপি) বিশেষ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া ৫২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন

সুনামগঞ্জের কুশিয়ারা ও সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সতর্কসীমায় রয়েছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪২:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ৯০ বার পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :

সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, সুরমা ছাতক পয়েন্ট ও কুশিয়ারার মার্কুলি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ফলে নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা পুরোপুরি কাটেনি। সুনামগঞ্জের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সতর্কসীমায় রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যে জানা গেছে, সুরমা নদীর সুনামগঞ্জের ছাতক পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদীর মারকুলি পয়েন্টে ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

বৃষ্টিপাতের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের মেঘালয়ের মাওকিরওয়াতে সর্বোচ্চ ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আর বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ ২০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে জামালপুরে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, উজানের বৃষ্টিপাত ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান বর্ষণের কারণে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। নদীতীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের পরিস্থিতির ওপর সতর্ক নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারি বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে। তাই জরুরি সেবা সচল রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সুনামগঞ্জে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। একই সঙ্গে সুনামগঞ্জের চারটি পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান বলেন, জেলার ১ হাজার ৩১১টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উদ্ধারকাজের জন্য পর্যাপ্ত নৌযান, স্বেচ্ছাসেবক এবং ১ হাজার ৫৬টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া ১২টি উপজেলায় ১ হাজার ২০০ প্যাকেট শুকনা খাবার ও জিআর চাল বিতরণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সুনামগঞ্জের কুশিয়ারা ও সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সতর্কসীমায় রয়েছে

আপডেট সময় : ০৮:৪২:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :

সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, সুরমা ছাতক পয়েন্ট ও কুশিয়ারার মার্কুলি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ফলে নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা পুরোপুরি কাটেনি। সুনামগঞ্জের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সতর্কসীমায় রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যে জানা গেছে, সুরমা নদীর সুনামগঞ্জের ছাতক পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদীর মারকুলি পয়েন্টে ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

বৃষ্টিপাতের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের মেঘালয়ের মাওকিরওয়াতে সর্বোচ্চ ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আর বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ ২০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে জামালপুরে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, উজানের বৃষ্টিপাত ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান বর্ষণের কারণে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। নদীতীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের পরিস্থিতির ওপর সতর্ক নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারি বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে। তাই জরুরি সেবা সচল রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সুনামগঞ্জে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। একই সঙ্গে সুনামগঞ্জের চারটি পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান বলেন, জেলার ১ হাজার ৩১১টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উদ্ধারকাজের জন্য পর্যাপ্ত নৌযান, স্বেচ্ছাসেবক এবং ১ হাজার ৫৬টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া ১২টি উপজেলায় ১ হাজার ২০০ প্যাকেট শুকনা খাবার ও জিআর চাল বিতরণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে।