সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে দুই ফুডস দোকানে অভিযান, জরিমানা-৩০ হাজার পুলিশের গাড়ির সামনেই যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল সিলেটে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকায় আবাসিক হোটেল সিলগালা, আটক ৫ সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক মাধবপুরে পুলিশের বড় অভিযান, বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার সিলেটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিসিকের বিশেষ মশক নিধন অভিযান শুরু সিলেটের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা জিন্দাবাজারে নালায় আবর্জনা-পয়োবর্জ্য, স্বাস্থ্য ঝুঁকি সিলেট সীমান্তে ৩৫ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

মজুতদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে ক্রাশ প্রোগ্রাম-খাদ্যমন্ত্রী 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৪ ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন : অনলাইন সংস্করণ

অবৈধ মজুতকারীদের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুস্মরণ করবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। মজুতদারদের জরিমানা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনে মজুতদারির বিরুদ্ধে ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হবে।বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয় থেকে ভার্চুয়ালি আট বিভাগের প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অবৈধ মজুত বিরোধী কার্যক্রম গতিশীল করতে করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ ফুড গ্রেইন লাইসেন্স ছাড়া ধান চালের ব্যবসা করতে পারবে না। লাইসেন্স ছাড়া কেউ অবৈধ মজুত করলে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি। সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার এখন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করে সাধারণ মানুষকে শান্তিতে রাখা। সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আসবে খুব শিগগিরই। 

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় অবৈধ মজুত ধরা পড়েছে। অভিযানে জরিমানা করা হয়েছে এবং সেই চাল দ্রুত বিক্রি করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই অভিযান চলমান রাখতে এবং সফল করতে বিভাগীয় কমিশনারদের নির্দেশনা দেন খাদ্যমন্ত্রী। 

তিনি আরো বলেন, সক্ষমতার বেশি কেউ মজুত করছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। পাক্ষিক রিপোর্ট দিচ্ছেন কিনা সেটাও দেখতে হবে। প্রয়োজনে ক্রাশ প্রোগ্রাম হাতে নিতে হবে। তবে এতে সাধারণ কৃষক বা গৃহস্থ যেন হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে খেয়াল রাখারও আহবান জানান তিনি ।

খাদ্য সচিব ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাখাওয়াত হোসেন, দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকরা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মজুতদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে ক্রাশ প্রোগ্রাম-খাদ্যমন্ত্রী 

আপডেট সময় : ০১:৫০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন : অনলাইন সংস্করণ

অবৈধ মজুতকারীদের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুস্মরণ করবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। মজুতদারদের জরিমানা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনে মজুতদারির বিরুদ্ধে ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হবে।বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয় থেকে ভার্চুয়ালি আট বিভাগের প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অবৈধ মজুত বিরোধী কার্যক্রম গতিশীল করতে করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ ফুড গ্রেইন লাইসেন্স ছাড়া ধান চালের ব্যবসা করতে পারবে না। লাইসেন্স ছাড়া কেউ অবৈধ মজুত করলে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি। সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার এখন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করে সাধারণ মানুষকে শান্তিতে রাখা। সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আসবে খুব শিগগিরই। 

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় অবৈধ মজুত ধরা পড়েছে। অভিযানে জরিমানা করা হয়েছে এবং সেই চাল দ্রুত বিক্রি করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই অভিযান চলমান রাখতে এবং সফল করতে বিভাগীয় কমিশনারদের নির্দেশনা দেন খাদ্যমন্ত্রী। 

তিনি আরো বলেন, সক্ষমতার বেশি কেউ মজুত করছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। পাক্ষিক রিপোর্ট দিচ্ছেন কিনা সেটাও দেখতে হবে। প্রয়োজনে ক্রাশ প্রোগ্রাম হাতে নিতে হবে। তবে এতে সাধারণ কৃষক বা গৃহস্থ যেন হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে খেয়াল রাখারও আহবান জানান তিনি ।

খাদ্য সচিব ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাখাওয়াত হোসেন, দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকরা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।