সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মাজারে গিলাফ ছড়ালেন সিসিক প্রশাসক কর্মশালায় সিসিক প্রশাসক শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে হামের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন সিসিক প্রশাসক এসএমপির ৮ মাসের তৎপরতায় বড় ধরনের সাফল্য সিলেটের পাথর কোয়ারি চালু নিয়ে ঢাকার সভায় সিদ্ধান্ত সেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাঁচ ভাগে বিভক্ত করা হচ্ছে সিলেট সিটি করপোরেশন কেরালায় বাম দুর্গে মুসলিম তরুণীর বিজয় আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান ভোট দিয়ে বেহেশত নয়, আমলই আসল: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ‘আমার জানাজা পড়াবে না যারা বলে তারা জামায়াতের লোক’

মজুতদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে ক্রাশ প্রোগ্রাম-খাদ্যমন্ত্রী 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৪ ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন : অনলাইন সংস্করণ

অবৈধ মজুতকারীদের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুস্মরণ করবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। মজুতদারদের জরিমানা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনে মজুতদারির বিরুদ্ধে ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হবে।বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয় থেকে ভার্চুয়ালি আট বিভাগের প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অবৈধ মজুত বিরোধী কার্যক্রম গতিশীল করতে করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ ফুড গ্রেইন লাইসেন্স ছাড়া ধান চালের ব্যবসা করতে পারবে না। লাইসেন্স ছাড়া কেউ অবৈধ মজুত করলে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি। সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার এখন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করে সাধারণ মানুষকে শান্তিতে রাখা। সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আসবে খুব শিগগিরই। 

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় অবৈধ মজুত ধরা পড়েছে। অভিযানে জরিমানা করা হয়েছে এবং সেই চাল দ্রুত বিক্রি করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই অভিযান চলমান রাখতে এবং সফল করতে বিভাগীয় কমিশনারদের নির্দেশনা দেন খাদ্যমন্ত্রী। 

তিনি আরো বলেন, সক্ষমতার বেশি কেউ মজুত করছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। পাক্ষিক রিপোর্ট দিচ্ছেন কিনা সেটাও দেখতে হবে। প্রয়োজনে ক্রাশ প্রোগ্রাম হাতে নিতে হবে। তবে এতে সাধারণ কৃষক বা গৃহস্থ যেন হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে খেয়াল রাখারও আহবান জানান তিনি ।

খাদ্য সচিব ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাখাওয়াত হোসেন, দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকরা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মজুতদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে ক্রাশ প্রোগ্রাম-খাদ্যমন্ত্রী 

আপডেট সময় : ০১:৫০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন : অনলাইন সংস্করণ

অবৈধ মজুতকারীদের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুস্মরণ করবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। মজুতদারদের জরিমানা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনে মজুতদারির বিরুদ্ধে ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হবে।বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয় থেকে ভার্চুয়ালি আট বিভাগের প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অবৈধ মজুত বিরোধী কার্যক্রম গতিশীল করতে করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ ফুড গ্রেইন লাইসেন্স ছাড়া ধান চালের ব্যবসা করতে পারবে না। লাইসেন্স ছাড়া কেউ অবৈধ মজুত করলে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি। সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার এখন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করে সাধারণ মানুষকে শান্তিতে রাখা। সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আসবে খুব শিগগিরই। 

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় অবৈধ মজুত ধরা পড়েছে। অভিযানে জরিমানা করা হয়েছে এবং সেই চাল দ্রুত বিক্রি করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই অভিযান চলমান রাখতে এবং সফল করতে বিভাগীয় কমিশনারদের নির্দেশনা দেন খাদ্যমন্ত্রী। 

তিনি আরো বলেন, সক্ষমতার বেশি কেউ মজুত করছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। পাক্ষিক রিপোর্ট দিচ্ছেন কিনা সেটাও দেখতে হবে। প্রয়োজনে ক্রাশ প্রোগ্রাম হাতে নিতে হবে। তবে এতে সাধারণ কৃষক বা গৃহস্থ যেন হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে খেয়াল রাখারও আহবান জানান তিনি ।

খাদ্য সচিব ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাখাওয়াত হোসেন, দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকরা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।