সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মাজারে গিলাফ ছড়ালেন সিসিক প্রশাসক কর্মশালায় সিসিক প্রশাসক শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে হামের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন সিসিক প্রশাসক এসএমপির ৮ মাসের তৎপরতায় বড় ধরনের সাফল্য সিলেটের পাথর কোয়ারি চালু নিয়ে ঢাকার সভায় সিদ্ধান্ত সেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাঁচ ভাগে বিভক্ত করা হচ্ছে সিলেট সিটি করপোরেশন কেরালায় বাম দুর্গে মুসলিম তরুণীর বিজয় আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান ভোট দিয়ে বেহেশত নয়, আমলই আসল: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ‘আমার জানাজা পড়াবে না যারা বলে তারা জামায়াতের লোক’

এসএমপির ৮ মাসের তৎপরতায় বড় ধরনের সাফল্য

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার : 

বিশেষ করে পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম-এর নেতৃত্বে গত আট মাসে (সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে এপ্রিল ২০২৬) এসএমপি যে পরিসংখ্যানগত অগ্রগতি দেখিয়েছে, তা শুধু সংখ্যার উন্নয়ন নয়—এটি একটি পূর্ণাঙ্গ অপারেশনাল রেজিম শিফট।

সিলেট মহানগর পুলিশ তাদের গত ৮ মাসের তৎপরতায় বড় ধরনের সাফল্য দেখিয়েছে বলে দাবি করেছে। আগের ৮ মাসের চেয়ে এ সময়টাতে তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্যের পরিসংখ্যানও উপস্থাপন করেছে তারা।

বুধবার (৬ মে) রাতে নিজেদের ফেসবুক পেইজে দীর্ঘ এই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়।

পরিসংখ্যানের শুরুতে তারা উল্লেখ করেছে, ‘নগর পুলিশিং ব্যবস্থায় সাম্প্রতিক সময়ে যে কয়েকটি মডেল উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে, তার মধ্যে Sylhet Metropolitan Police (এসএমপি) অন্যতম।

পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরীর এসএমপিতে যোগদানের আগের ৮ মাসের (জানুয়ারি–আগস্ট ২০২৫) সাথে তার যোগদান পরবর্তী ৮ মাসের (সেপ্টেম্বর ২০২৫–এপ্রিল ২০২৬) পুলিশী কার্যক্রমের তুলনা করলে এটা স্পষ্ট হয় যে দ্বিতীয় পর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।

অপরাধ দমন ও আইন প্রয়োগে দৃশ্যমান অগ্রগতি

মাদক উদ্ধার মামলা: আগের ৮ মাসে হয়েছে ২৪১টি, পরের ৮ মাসে ৪৫৫টি। জব্দকৃত মাদকের মূল্য: আগের ৮ মাসে ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকার মাদক জব্দ করা হয়েছে, আর পরের ৮ মাসে জব্দ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার টাকার মাদকদ্রব্য।

এটি নির্দেশ করে গোয়েন্দা নজরদারি ও অপারেশনাল ইন্টেলিজেন্স উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে।

চোরাচালান মামলা: আগের ৮ মাসে মামলা হয়েছে ১০৮টি, পরের ৮ মাসে ১৯৮টি।


জব্দকৃত চোরাচালান পণ্যের মূল্য: আগের ৮ মাসে ৮ কোটি ৮০ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ করা হয়েছে, পরের ৮ মাসে জব্দ কর হয়েছে ১২ কোটি ৮৭ লাখ টাকার পণ্য। এতে প্রমাণ হয়, সীমান্ত ও নগরভিত্তিক নেটওয়ার্কে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করা  হয়েছে।

অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে আগের ৮ মাসে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪১ জনকে যেখানে পরের ৮ মাসে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৪৩ জনকে। আগের ৮ মাসে যেখানে কোনো আবাসিক হোটেল সিলগালা করা হয়নি, সেখানে পরের ৮ মাসে ১১টি আবাসিক হোটেলকে সিলগালা করা হয়েছে।

এতে শহরের নৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃশ্যমান অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং সামাজিক অনাচার রোধে তা কার্যকর ভূমিকা পালনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

ট্রাফিক ও নগর ব্যবস্থাপনায় কড়াকড়ি : আগের ৮ মাসে বিভিন্ন অভিযোগে দশ হাজার ৯০৩টি গাড়ি আটক করা হয়েছে যেখানে পরের ৮ মাসে আটক করা হয়েছে ১৩ হাজার ৯০১টি।

ব্যাটারিচালিত রিকশা আটক আগের ৮ মাসে আটক করা হয়েছিল ২ হাজার ২৫৯টি, পরের ৮ মাসে আটক করা হয়  ৩ হাজার ৪৮৮টি।

মোটরসাইকেল আগের ৮ মাসে আটক করা হয়েছিল  ২ হাজর ৫১২টি, পরের ৮ মাসে আটক করা হয় ৪ হাজার ৩৩৯টি। অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের চিত্রই ফুটে উঠেছে।

বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে আগের ৮ মাসে ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়, পরের ৮ মাসে আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা (+১৯ লাখ আদায়যোগ্য)। এতে প্রমাণ হয়, আইন প্রয়োগের আর্থিক কার্যকারিতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

আগের ৮ মাসে মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছিল ২৪৮টি আর পরের ৮ মাসে উদ্ধার করা হয়েছে ৯২৬টি। নাগরিক সেবা ও প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংয়ের ক্ষেত্রে এটা বড় অগ্রগতি বলে দাবি এসএমপির।

মেট্রোপলিটন আইনে আগের ৮ মাসে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ১০০২ জনকে,  আর পরের ৮ মাসে গ্রেপ্তার করা হয় ৩ হাজার ৮৮২ জনকে।

আগের ৭ মাসে ওয়ারেন্ট তামিল হয়েছিল ২ হাজার ৩৫০টি, পরের ৮ মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৭৫টি। সাজার ওয়ারেন্ট তামিল আগের ৮ মাসে ২৭৪টি, পরের ৮ মাসে ৩৮৫টি।

আগের ৮ মাসে মামলা নিষ্পত্তি হয়েছিল ১ হাজার ১২৯টি, পরের ৮ মাসে ১ হাজার ৩৩৯টি। আগের ৮ মাসে মামলার আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ১ হাজার ৫৮জনকে, পরের ৮ মাসে গ্রেপ্তার করা হয়  ১ হাজার ৭৪১ জনকে।

আগের ৮ মাসে ১১২ জন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, পরের ৮ মাসে গ্রেপ্তার করা হয় ৩১৪ জনকে।

আগের মাসে নারী নির্যাতন মামলা হয়েছিল ৪৫টি, তবে পরের ৮ মাসে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২৩টিতে। শিশু নির্যাতনের অভিযোগে আগের ৮ মাসে মামলা হয়েছিল ৩২টি. পরের ৮ মাসে ৩১ মামলা হয়েছে ৩১টি। সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের ইতিবাচক ইঙ্গিত বলে এটিকে চিহ্নিত করছে এসএমপি।

আগের ৮ মাসে যেখানে সাধারণ মামলা হয়েছিল ৪৪৮টি, পরের ৮ মাসে তা কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে  ৪১২টিতে। আগের ৮ মাসে অন্যান্য মামলা হয়েছিল যেখানে ৭২২টি, পরের ৮ মাসে মামলা হয়েছে ৭২১টি।

আগের ৮ মাসে কোর্ট পিটিশন মামলা হয়েছিল ১৪১টি, পরের ৮ মাসে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯২টিতে।

কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী রেজিমে সিলেট মহানগর এলাকার আইশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই চিত্র প্রমাণ করে, এসএমপিকে Reactive Force থেকে ‘Proactive Enforcement Agency’-তে রূপান্তর করা হয়েছে, এমনটাই দাবি এসএমপির।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এসএমপির ৮ মাসের তৎপরতায় বড় ধরনের সাফল্য

আপডেট সময় : ০২:৪৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার : 

বিশেষ করে পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম-এর নেতৃত্বে গত আট মাসে (সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে এপ্রিল ২০২৬) এসএমপি যে পরিসংখ্যানগত অগ্রগতি দেখিয়েছে, তা শুধু সংখ্যার উন্নয়ন নয়—এটি একটি পূর্ণাঙ্গ অপারেশনাল রেজিম শিফট।

সিলেট মহানগর পুলিশ তাদের গত ৮ মাসের তৎপরতায় বড় ধরনের সাফল্য দেখিয়েছে বলে দাবি করেছে। আগের ৮ মাসের চেয়ে এ সময়টাতে তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্যের পরিসংখ্যানও উপস্থাপন করেছে তারা।

বুধবার (৬ মে) রাতে নিজেদের ফেসবুক পেইজে দীর্ঘ এই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়।

পরিসংখ্যানের শুরুতে তারা উল্লেখ করেছে, ‘নগর পুলিশিং ব্যবস্থায় সাম্প্রতিক সময়ে যে কয়েকটি মডেল উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে, তার মধ্যে Sylhet Metropolitan Police (এসএমপি) অন্যতম।

পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরীর এসএমপিতে যোগদানের আগের ৮ মাসের (জানুয়ারি–আগস্ট ২০২৫) সাথে তার যোগদান পরবর্তী ৮ মাসের (সেপ্টেম্বর ২০২৫–এপ্রিল ২০২৬) পুলিশী কার্যক্রমের তুলনা করলে এটা স্পষ্ট হয় যে দ্বিতীয় পর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।

অপরাধ দমন ও আইন প্রয়োগে দৃশ্যমান অগ্রগতি

মাদক উদ্ধার মামলা: আগের ৮ মাসে হয়েছে ২৪১টি, পরের ৮ মাসে ৪৫৫টি। জব্দকৃত মাদকের মূল্য: আগের ৮ মাসে ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকার মাদক জব্দ করা হয়েছে, আর পরের ৮ মাসে জব্দ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার টাকার মাদকদ্রব্য।

এটি নির্দেশ করে গোয়েন্দা নজরদারি ও অপারেশনাল ইন্টেলিজেন্স উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে।

চোরাচালান মামলা: আগের ৮ মাসে মামলা হয়েছে ১০৮টি, পরের ৮ মাসে ১৯৮টি।


জব্দকৃত চোরাচালান পণ্যের মূল্য: আগের ৮ মাসে ৮ কোটি ৮০ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ করা হয়েছে, পরের ৮ মাসে জব্দ কর হয়েছে ১২ কোটি ৮৭ লাখ টাকার পণ্য। এতে প্রমাণ হয়, সীমান্ত ও নগরভিত্তিক নেটওয়ার্কে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করা  হয়েছে।

অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে আগের ৮ মাসে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪১ জনকে যেখানে পরের ৮ মাসে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৪৩ জনকে। আগের ৮ মাসে যেখানে কোনো আবাসিক হোটেল সিলগালা করা হয়নি, সেখানে পরের ৮ মাসে ১১টি আবাসিক হোটেলকে সিলগালা করা হয়েছে।

এতে শহরের নৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃশ্যমান অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং সামাজিক অনাচার রোধে তা কার্যকর ভূমিকা পালনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

ট্রাফিক ও নগর ব্যবস্থাপনায় কড়াকড়ি : আগের ৮ মাসে বিভিন্ন অভিযোগে দশ হাজার ৯০৩টি গাড়ি আটক করা হয়েছে যেখানে পরের ৮ মাসে আটক করা হয়েছে ১৩ হাজার ৯০১টি।

ব্যাটারিচালিত রিকশা আটক আগের ৮ মাসে আটক করা হয়েছিল ২ হাজার ২৫৯টি, পরের ৮ মাসে আটক করা হয়  ৩ হাজার ৪৮৮টি।

মোটরসাইকেল আগের ৮ মাসে আটক করা হয়েছিল  ২ হাজর ৫১২টি, পরের ৮ মাসে আটক করা হয় ৪ হাজার ৩৩৯টি। অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের চিত্রই ফুটে উঠেছে।

বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে আগের ৮ মাসে ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়, পরের ৮ মাসে আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা (+১৯ লাখ আদায়যোগ্য)। এতে প্রমাণ হয়, আইন প্রয়োগের আর্থিক কার্যকারিতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

আগের ৮ মাসে মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছিল ২৪৮টি আর পরের ৮ মাসে উদ্ধার করা হয়েছে ৯২৬টি। নাগরিক সেবা ও প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংয়ের ক্ষেত্রে এটা বড় অগ্রগতি বলে দাবি এসএমপির।

মেট্রোপলিটন আইনে আগের ৮ মাসে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ১০০২ জনকে,  আর পরের ৮ মাসে গ্রেপ্তার করা হয় ৩ হাজার ৮৮২ জনকে।

আগের ৭ মাসে ওয়ারেন্ট তামিল হয়েছিল ২ হাজার ৩৫০টি, পরের ৮ মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৭৫টি। সাজার ওয়ারেন্ট তামিল আগের ৮ মাসে ২৭৪টি, পরের ৮ মাসে ৩৮৫টি।

আগের ৮ মাসে মামলা নিষ্পত্তি হয়েছিল ১ হাজার ১২৯টি, পরের ৮ মাসে ১ হাজার ৩৩৯টি। আগের ৮ মাসে মামলার আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ১ হাজার ৫৮জনকে, পরের ৮ মাসে গ্রেপ্তার করা হয়  ১ হাজার ৭৪১ জনকে।

আগের ৮ মাসে ১১২ জন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, পরের ৮ মাসে গ্রেপ্তার করা হয় ৩১৪ জনকে।

আগের মাসে নারী নির্যাতন মামলা হয়েছিল ৪৫টি, তবে পরের ৮ মাসে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২৩টিতে। শিশু নির্যাতনের অভিযোগে আগের ৮ মাসে মামলা হয়েছিল ৩২টি. পরের ৮ মাসে ৩১ মামলা হয়েছে ৩১টি। সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের ইতিবাচক ইঙ্গিত বলে এটিকে চিহ্নিত করছে এসএমপি।

আগের ৮ মাসে যেখানে সাধারণ মামলা হয়েছিল ৪৪৮টি, পরের ৮ মাসে তা কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে  ৪১২টিতে। আগের ৮ মাসে অন্যান্য মামলা হয়েছিল যেখানে ৭২২টি, পরের ৮ মাসে মামলা হয়েছে ৭২১টি।

আগের ৮ মাসে কোর্ট পিটিশন মামলা হয়েছিল ১৪১টি, পরের ৮ মাসে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯২টিতে।

কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী রেজিমে সিলেট মহানগর এলাকার আইশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই চিত্র প্রমাণ করে, এসএমপিকে Reactive Force থেকে ‘Proactive Enforcement Agency’-তে রূপান্তর করা হয়েছে, এমনটাই দাবি এসএমপির।