বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আজ
- আপডেট সময় : ০৫:১৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে : আসক
ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :
‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’ আজ। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গঠন : মানবাধিকার, উন্নয়ন ও নিরাপত্তার জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রসার’। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সাংবাদিকরা পেশাগত অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন।
১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশ অনুযায়ী, ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ৩ মে তারিখটিকে ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম’ দিবসের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এরপর থেকেই বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমকর্মীরা এ দিবসটি পালন করে আসছেন। দিবসটিতে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ, বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূল্যায়ন, স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ প্রতিহত করার শপথ নেওয়ার পাশাপাশি ত্যাগী সাংবাদিকদের স্মরণ ও তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানো হয়।
‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে-বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’ উপলক্ষ্যে আজ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। সকাল ৯টায় অফিসার্স ক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে তথ্য ভবন কমপ্লেক্সে গিয়ে শেষ হবে। তথ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষ্যে সকাল সাড়ে ৯টায় সার্কিট হাউজ রোডে তথ্য ভবন কমপ্লেক্সের চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন প্রধান অতিথি হিসাবে এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী বিশেষ অতিথি হিসাবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে : গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো সংকট ও চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে বলে জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সংগঠনটির মতে, মুক্ত, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম ছাড়া গণতন্ত্রের বিকাশ, মানবাধিকারের সুরক্ষা এবং রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষ্যে শনিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এসব কথা জানিয়েছে। বিবৃতিতে আসক জানায়, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা শুধু একটি স্বতন্ত্র অধিকার নয়, এটি অন্যান্য অধিকারের সুরক্ষার অন্যতম ভিত্তি। আর স্বাধীন গণমাধ্যম নাগরিকের কণ্ঠকে শক্তিশালী করে, ক্ষমতার অপব্যবহার উন্মোচিত করে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো বহুমাত্রিক সংকট ও চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতারের আশঙ্কা, ডিজিটাল মাধ্যমে মতপ্রকাশের কারণে হয়রানি, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় চাপ, মালিকানাগত প্রভাব, আত্মনিয়ন্ত্রণমূলক সেন্সরশিপ এবং মাঠপর্যায়ে সংবাদ সংগ্রহে বাধা স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিসর সংকুচিত করছে। অনেক ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হুমকি ও নজরদারির অভিযোগও উঠে আসে।






















