সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সুরমা নদীর তীর উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসকঐতিহ্য রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর কুলাউড়া উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে কুলাউড়া গোগালী ছড়া বাঁধ ভেঙে ১৫ গ্রাম প্লাবিত সিলেট ভারতীয় মসলার চালান উদ্ধার সিলেটের পীরমহল্লা থেকে অস্ত্রসহ আটক ১ সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ১, ভর্তি ৪৩ সিলেটের ডিসিসহ তিন কর্মকর্তাকে হাইকোর্টের শোকজ সিলেট জেলা ডিবি ও জকিগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ২ কদমতলীতে পরিবহন শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ: সিসিক প্রশাসকের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত এসএমপি ট্রাফিক বিভাগের অভিযানে অবৈধ ভারতীয় কম্বল উদ্ধার সিলেটে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস- ২০২৬ উদযাপিত

ভুয়া সাংবাদিকে দেশ ভরে গেছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

প্রকৃত সাংবাদিকদের তালিকা হওয়া উচিত: কাদের গনি চৌধুরী

সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর সাধারণ সভা উদ্বোধন করে কথা বলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী।

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, সংবাদ মাধ্যম হচ্ছে গণতন্ত্রের চোখ। এ চোখ দিয়েই সরকার সমাজের অনেক ভেতর পর্যন্ত দেখতে পায়। সংবাদ মাধ্যম না থাকলে সমাজ ও রাষ্ট্র অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। 

শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর সাধারণ সভা উদ্বোধন করে তিনি এসব বলেন।

সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর সভাপতি সিদ্দিক আল মামুনের সভাপতিত্বে সাধারণ সভায় অন্যদের মধ্যে বিএফইউজের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, দপ্তর সম্পাদক আবু বকর, সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম, মামুন ফরাজী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।  

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, গণতন্ত্রের নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব দিতে হলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। সংবাদ মাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিলে স্বৈরাচারের জন্ম হবে না। রাষ্ট্র পথ হারাবে না।

তিনি বলেন, মিডিয়া সরকারসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সমালোচনা করে তাদের আরো সংশোধনের সুযোগ করে দেয়। যে সমাজের মানুষ নিজের মনের কথা নিঃসংকোচে উচ্চারণ করতে পারে না, সে সমাজে বিবেকের দিশা হারিয়ে যায়। সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ভুলুণ্ঠিত হয়। তাই বাংলাদেশের সংবিধান একটি পেশাকে ক্ষমতাকে প্রশ্ন করার অবাধ সুযোগ দিয়েছে। সাংবাদিকরা ক্ষমতাকে চোখে চোখে রাখেন। বলতে দ্বিধা নেই এর কোনোটিই এখন হচ্ছে না।  

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা হচ্ছে সত্যের আরাধনা। একজন সাংবাদিকের কাজ হচ্ছে সমাজের প্রকৃতচিত্র তুলে ধরা। সত্য খুঁজে বের করা এবং সত্যকে রক্ষা করা। তাই সাংবাদিকদের যেমন সাহসী হতে হয়, তেমনি সত্যনিষ্ঠ ও নীতির প্রশ্নে আপসহীন এবং ন্যায়ের প্রশ্নে অবিচল থাকতে হয়। সততা, নির্ভুলতা এবং পক্ষপাতহীনতা এই তিন হলো সাংবাদিকতার মূলভিত্তি। তাই সংবাদ হতে হবে শতভাগ নির্ভুল ও শুদ্ধ।   

কাদের গনি বলেন, বাস্তবতা হলো বাংলাদেশের গণমাধ্যম তার গণমুখী চরিত্রটা হারিয়ে ফেলেছে। বিশেষ করে পতিত সরকারের সময় বাংলাদেশের মিডিয়ায় সাংবাদিকতা বলতে কিছুই ছিল না। সে সময় আমাদের সাংবাদিকদের অনেকে দলদাসে পরিণত হয়েছিলেন। সম্পাদকদের কেউ কেউ অসহায় আত্মসমর্পণ করেছিলেন।  

তিনি বলেন, মনে রাখবেন জনগণ দাস সাংবাদিকতাকে ঘৃণা করে। অসহায় আত্মসর্মপন সম্পাদকদের মানায় না। মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়ানোর সক্ষমতা না থাকলে তার সম্পাদকের চেয়ারে বসা উচিত নয়।

সাংবাদিকদের এ নেতা বলেন, পতিত সরকারের সময় সাংবাদিকতার এমন অধ:পতন হয়েছিল যে সাংবাদিকদের একটি বড় অংশ গণশত্রুতে পরিণত হয়। ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হলে তারা নিজ থেকে পালাতে শুরু করেন। কেউ কেউ পালাতে গিয়ে গ্রেফতার হন।  অনেক সাংবাদিক পদ-পদবি হারিয়েছেন।

এগুলো দু:খজনক ও অস্বাভাবিক বিষয় উল্লেখ করে সাংবাদিকদের এ নেতা বলেন, গণমাধ্যমকে তারা গণআস্থার জায়গায় ধরে রাখতে পারেননি। সরকারকে তুষ্ট করতে গিয়ে তারা জনআকাঙ্ক্ষা কথা ভুলে গিয়েছিলেন। এখানে গণমাধ্যম কর্মীদের নৈতিক পরাজয় ঘটে। অনেক সাংবাদিক অনৈতিক সুবিধা নিয়েছেন। অনেকে সংবাদ মাধ্যমের মালিক হয়েছেন, সঙ্গে গাড়ি-বাড়িও। তারা গণশত্রুদের মুখোশ উন্মোচন না করে গণশত্রুদের দালালী করেছেন।  

কাদের গনি বলেন, মনে রাখবেন সততার সঙ্গে সাংবাদিকতা করলে পালাতে হয় না। দু:সময়ে জনগণ তাদের পাশে থাকে। 

তিনি বলেন, অপসাংবাদিকতা, তথ্য সন্ত্রাস ও হলুদ সাংবাদিকতা সাংবাদিকতার মর্যাদাকে ম্লান করে দিচ্ছে। ব্যাঙের ছাতার মতো পত্রিকা বের হচ্ছে। একই প্রেস থেকে পত্রিকার নাম ও আর প্রিন্টার্স ছাড়া একই রকম পত্রিকা বের হয় শত শত। এটা কি সাংবাদিকতা? সকাল হলে তথাকথিত সম্পাদকরা ওই সব পেপার বগল দাবা করে সচিবালয়ে ডুকেন। এ সব বগল সম্পাদকদের দাপটে আসল সাংবাদিকরা কোনঠাসা। 

প্রকৃত সম্পাদক ও সাংবাদিকদের তালিকা তৈরির আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, কে সাংবাদিক আর কে সাংঘাতিক এটা ঠিক না হওয়ায় জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সাংবাদিক নামধারী সাংঘাতিকদের দ্বারা ব্যবসায়ী, সরকারি-বেসরকারি অফিসাররা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। গণমাধ্যমের মর্যাদা ফিরে পেতে চাইলে এ সব তথ্য সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের বলা হয় সমাজের অতন্ত্র প্রহরী। আমরা পোষা কুকুরে পরিণত না হই। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাংবাদিকদের বলতেন সোশ্যাল টিচার, আমরা যেন এর মর্যাদা নষ্ট না করি। আমরা যেন সোশ্যাল টিচারই নই সোশ্যাল ডক্টর হয়ে উঠি। তাহলে হীন গৌরব ফিরিয়ে আনতে পারবো।     

এ সময় বিএফইউজের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন বলেন, রাষ্ট্র তথা প্রজাতন্ত্রের সুশাসন নিশ্চিত করতে সংবাদমাধ্যম পাহারাদারের ভূমিকা পালন করে। রাষ্ট্রের কল্যাণমূলক ও জনগুরুত্বপূর্ণ সর্বোপরি সুশাসন যেমন সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে ঠিক তেননি সংবাদমাধ্যম সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে রাষ্ট্রকে উন্নয়নের দিকে ধাবিত করে। এদিক থেকে সংবাদমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভুয়া সাংবাদিকে দেশ ভরে গেছে

আপডেট সময় : ১২:৫৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

প্রকৃত সাংবাদিকদের তালিকা হওয়া উচিত: কাদের গনি চৌধুরী

সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর সাধারণ সভা উদ্বোধন করে কথা বলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী।

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, সংবাদ মাধ্যম হচ্ছে গণতন্ত্রের চোখ। এ চোখ দিয়েই সরকার সমাজের অনেক ভেতর পর্যন্ত দেখতে পায়। সংবাদ মাধ্যম না থাকলে সমাজ ও রাষ্ট্র অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। 

শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর সাধারণ সভা উদ্বোধন করে তিনি এসব বলেন।

সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর সভাপতি সিদ্দিক আল মামুনের সভাপতিত্বে সাধারণ সভায় অন্যদের মধ্যে বিএফইউজের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, দপ্তর সম্পাদক আবু বকর, সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম, মামুন ফরাজী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।  

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, গণতন্ত্রের নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব দিতে হলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। সংবাদ মাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিলে স্বৈরাচারের জন্ম হবে না। রাষ্ট্র পথ হারাবে না।

তিনি বলেন, মিডিয়া সরকারসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সমালোচনা করে তাদের আরো সংশোধনের সুযোগ করে দেয়। যে সমাজের মানুষ নিজের মনের কথা নিঃসংকোচে উচ্চারণ করতে পারে না, সে সমাজে বিবেকের দিশা হারিয়ে যায়। সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ভুলুণ্ঠিত হয়। তাই বাংলাদেশের সংবিধান একটি পেশাকে ক্ষমতাকে প্রশ্ন করার অবাধ সুযোগ দিয়েছে। সাংবাদিকরা ক্ষমতাকে চোখে চোখে রাখেন। বলতে দ্বিধা নেই এর কোনোটিই এখন হচ্ছে না।  

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা হচ্ছে সত্যের আরাধনা। একজন সাংবাদিকের কাজ হচ্ছে সমাজের প্রকৃতচিত্র তুলে ধরা। সত্য খুঁজে বের করা এবং সত্যকে রক্ষা করা। তাই সাংবাদিকদের যেমন সাহসী হতে হয়, তেমনি সত্যনিষ্ঠ ও নীতির প্রশ্নে আপসহীন এবং ন্যায়ের প্রশ্নে অবিচল থাকতে হয়। সততা, নির্ভুলতা এবং পক্ষপাতহীনতা এই তিন হলো সাংবাদিকতার মূলভিত্তি। তাই সংবাদ হতে হবে শতভাগ নির্ভুল ও শুদ্ধ।   

কাদের গনি বলেন, বাস্তবতা হলো বাংলাদেশের গণমাধ্যম তার গণমুখী চরিত্রটা হারিয়ে ফেলেছে। বিশেষ করে পতিত সরকারের সময় বাংলাদেশের মিডিয়ায় সাংবাদিকতা বলতে কিছুই ছিল না। সে সময় আমাদের সাংবাদিকদের অনেকে দলদাসে পরিণত হয়েছিলেন। সম্পাদকদের কেউ কেউ অসহায় আত্মসমর্পণ করেছিলেন।  

তিনি বলেন, মনে রাখবেন জনগণ দাস সাংবাদিকতাকে ঘৃণা করে। অসহায় আত্মসর্মপন সম্পাদকদের মানায় না। মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়ানোর সক্ষমতা না থাকলে তার সম্পাদকের চেয়ারে বসা উচিত নয়।

সাংবাদিকদের এ নেতা বলেন, পতিত সরকারের সময় সাংবাদিকতার এমন অধ:পতন হয়েছিল যে সাংবাদিকদের একটি বড় অংশ গণশত্রুতে পরিণত হয়। ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হলে তারা নিজ থেকে পালাতে শুরু করেন। কেউ কেউ পালাতে গিয়ে গ্রেফতার হন।  অনেক সাংবাদিক পদ-পদবি হারিয়েছেন।

এগুলো দু:খজনক ও অস্বাভাবিক বিষয় উল্লেখ করে সাংবাদিকদের এ নেতা বলেন, গণমাধ্যমকে তারা গণআস্থার জায়গায় ধরে রাখতে পারেননি। সরকারকে তুষ্ট করতে গিয়ে তারা জনআকাঙ্ক্ষা কথা ভুলে গিয়েছিলেন। এখানে গণমাধ্যম কর্মীদের নৈতিক পরাজয় ঘটে। অনেক সাংবাদিক অনৈতিক সুবিধা নিয়েছেন। অনেকে সংবাদ মাধ্যমের মালিক হয়েছেন, সঙ্গে গাড়ি-বাড়িও। তারা গণশত্রুদের মুখোশ উন্মোচন না করে গণশত্রুদের দালালী করেছেন।  

কাদের গনি বলেন, মনে রাখবেন সততার সঙ্গে সাংবাদিকতা করলে পালাতে হয় না। দু:সময়ে জনগণ তাদের পাশে থাকে। 

তিনি বলেন, অপসাংবাদিকতা, তথ্য সন্ত্রাস ও হলুদ সাংবাদিকতা সাংবাদিকতার মর্যাদাকে ম্লান করে দিচ্ছে। ব্যাঙের ছাতার মতো পত্রিকা বের হচ্ছে। একই প্রেস থেকে পত্রিকার নাম ও আর প্রিন্টার্স ছাড়া একই রকম পত্রিকা বের হয় শত শত। এটা কি সাংবাদিকতা? সকাল হলে তথাকথিত সম্পাদকরা ওই সব পেপার বগল দাবা করে সচিবালয়ে ডুকেন। এ সব বগল সম্পাদকদের দাপটে আসল সাংবাদিকরা কোনঠাসা। 

প্রকৃত সম্পাদক ও সাংবাদিকদের তালিকা তৈরির আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, কে সাংবাদিক আর কে সাংঘাতিক এটা ঠিক না হওয়ায় জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সাংবাদিক নামধারী সাংঘাতিকদের দ্বারা ব্যবসায়ী, সরকারি-বেসরকারি অফিসাররা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। গণমাধ্যমের মর্যাদা ফিরে পেতে চাইলে এ সব তথ্য সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের বলা হয় সমাজের অতন্ত্র প্রহরী। আমরা পোষা কুকুরে পরিণত না হই। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাংবাদিকদের বলতেন সোশ্যাল টিচার, আমরা যেন এর মর্যাদা নষ্ট না করি। আমরা যেন সোশ্যাল টিচারই নই সোশ্যাল ডক্টর হয়ে উঠি। তাহলে হীন গৌরব ফিরিয়ে আনতে পারবো।     

এ সময় বিএফইউজের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন বলেন, রাষ্ট্র তথা প্রজাতন্ত্রের সুশাসন নিশ্চিত করতে সংবাদমাধ্যম পাহারাদারের ভূমিকা পালন করে। রাষ্ট্রের কল্যাণমূলক ও জনগুরুত্বপূর্ণ সর্বোপরি সুশাসন যেমন সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে ঠিক তেননি সংবাদমাধ্যম সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে রাষ্ট্রকে উন্নয়নের দিকে ধাবিত করে। এদিক থেকে সংবাদমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়।