সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান কেরালায় বাম দুর্গে মুসলিম তরুণীর বিজয় আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান ভোট দিয়ে বেহেশত নয়, আমলই আসল: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ‘আমার জানাজা পড়াবে না যারা বলে তারা জামায়াতের লোক’ ঈদ সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি হবিগঞ্জ আজমিরীগঞ্জে মাদক বিরোধী অভিযানে এক ব্যক্তির কারাদণ্ড সিলেটে হাম ও রুবেলা রোগে ২ শিশুর মৃত্যু সিলেটে বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৭৪ সিলেট মহানগরের জনদুর্ভোগ লাঘব ও নগরবাসীর নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার জন্য সকল অফিসার ও ফোর্সদের আহ্বান-পুলিশ কমিশনার সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের ৭০৭তম পবিত্র উরুস উপলক্ষে মাজার পরিদর্শন ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত ব্রিফিং

আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১১:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

যুদ্ধের অবসান ঘটাতে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত ইরান।  তবে শর্ত হলো—ওয়াশিংটনকে তেহরান-সংক্রান্ত তাদের দাবিগুলো কিছুটা শিথিল করতে হবে।  সোমবার (৪ মে) বিষয়টি স্পষ্ট জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই। 

টেলিভিশনে দেওয়া এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের প্রধান লক্ষ্য যুদ্ধের সমাপ্তি। অন্য পক্ষকে যুক্তিসংগত অবস্থান নিতে হবে এবং ইরানকে ঘিরে অতিরিক্ত দাবিগুলো পরিত্যাগ করতে হবে।’

গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা প্রায় স্থবির হয়ে আছে; এখন পর্যন্ত সরাসরি মাত্র এক দফা আলোচনা হয়েছে। এই উত্তেজনার কেন্দ্রে রয়েছে হরমুজ প্রণালি।  গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে, যার ফলে বৈশ্বিক তেল, গ্যাস ও সার সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। একই সময়ে, ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করেছে।

পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে এসকর্ট করা শুরু করবে। এর জবাবে ইরানের সামরিক বাহিনী সম্ভাব্য পাল্টা পদক্ষেপের সতর্কতা দিয়েছে।

বাকেই বলেন, ‘এতদিনে আমেরিকার বোঝা উচিত যে, হুমকি ও শক্তির ভাষা ব্যবহার করে তারা ইরানি জাতির সঙ্গে আচরণ করতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান নিজেকে হরমুজ প্রণালি ও এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের রক্ষক হিসেবে বিবেচনা করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংঘাত শুরুর আগে এই পথটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য নিরাপদ ছিল।’

ইসরাইলকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘এই জলপথে অস্থিরতা সৃষ্টি এবং বিশ্বজুড়ে যে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নিস্ট শাসনকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।’

ট্রাম্পের এসকর্ট পরিকল্পনা ঘোষণার আগেই বাকেই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানান, যুদ্ধের অবসানকে কেন্দ্র করে তেহরান ১৪ দফার একটি প্রস্তাব দিয়েছে এবং পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র এর জবাব দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান

আপডেট সময় : ১১:১১:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

যুদ্ধের অবসান ঘটাতে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত ইরান।  তবে শর্ত হলো—ওয়াশিংটনকে তেহরান-সংক্রান্ত তাদের দাবিগুলো কিছুটা শিথিল করতে হবে।  সোমবার (৪ মে) বিষয়টি স্পষ্ট জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই। 

টেলিভিশনে দেওয়া এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের প্রধান লক্ষ্য যুদ্ধের সমাপ্তি। অন্য পক্ষকে যুক্তিসংগত অবস্থান নিতে হবে এবং ইরানকে ঘিরে অতিরিক্ত দাবিগুলো পরিত্যাগ করতে হবে।’

গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা প্রায় স্থবির হয়ে আছে; এখন পর্যন্ত সরাসরি মাত্র এক দফা আলোচনা হয়েছে। এই উত্তেজনার কেন্দ্রে রয়েছে হরমুজ প্রণালি।  গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে, যার ফলে বৈশ্বিক তেল, গ্যাস ও সার সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। একই সময়ে, ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করেছে।

পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে এসকর্ট করা শুরু করবে। এর জবাবে ইরানের সামরিক বাহিনী সম্ভাব্য পাল্টা পদক্ষেপের সতর্কতা দিয়েছে।

বাকেই বলেন, ‘এতদিনে আমেরিকার বোঝা উচিত যে, হুমকি ও শক্তির ভাষা ব্যবহার করে তারা ইরানি জাতির সঙ্গে আচরণ করতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান নিজেকে হরমুজ প্রণালি ও এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের রক্ষক হিসেবে বিবেচনা করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংঘাত শুরুর আগে এই পথটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য নিরাপদ ছিল।’

ইসরাইলকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘এই জলপথে অস্থিরতা সৃষ্টি এবং বিশ্বজুড়ে যে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নিস্ট শাসনকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।’

ট্রাম্পের এসকর্ট পরিকল্পনা ঘোষণার আগেই বাকেই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানান, যুদ্ধের অবসানকে কেন্দ্র করে তেহরান ১৪ দফার একটি প্রস্তাব দিয়েছে এবং পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র এর জবাব দিয়েছে।